Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জানুয়ারি ২৯, ২০২৫

বাঙুর হাসপাতালে চিকিৎসকে হেনস্থার অভিযোগ । গ্রেফতার ২

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বাঙুর হাসপাতালে চিকিৎসকে হেনস্থার অভিযোগ । গ্রেফতার ২

গত কয়েকবছরে রাজ্যে চিকিৎসক হেনস্থার একের পর এক ঘটনা সামনে এসেছে। এবার খোদ কলকাতার বুকে হেনস্তার অভিযোগ। মঙ্গলবার এমআর বাঙুর হাসপাতালে চিকিৎসককে হেনস্থার অভিযোগ। ওই ঘটনায় শহরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিজেদের নিরাপত্ততার দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। অভিযোগের রোগীর পরিবারের ২ জনকে গ্রেফতার করেছে গলফগ্রিন থানার পুলিশ পুলিশ, বাকিদের খোঁজ চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

গতরাতে চারু মার্কেট থানা এলাকার এক ব্যক্তি হাত কাটা অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন। অভিযোগ, কীভাবে চিকিৎসা করতে হবে, তা নিয়ে তিনি কর্তব্যরত চিকিৎসককে পরামর্শ দিচ্ছিলেন। প্রতিবাদ করায় চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, ওই ব্যক্তির ফোন পেয়ে হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসককে হেনস্থা করে বহিরাগতরা। এরপর হাসপাতাল চত্বরে রীতিমতো উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ছুটে আসে গলফ গ্রিন থানার পুলিশ।

আরজি করের ঘটনার পর বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য। পথে নেমেছিলেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিচারের দাবির পাশাপাশি তাঁদের অভিযোগ ছিল গোটা রাজ্যের আনাচে কানাচে প্রতিদিন চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনা ঘটে চলেছে। পুলিশ-প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। প্রশ্ন উঠেছিল যে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী একজন মহিলা সে রাজ্যে কর্মক্ষেত্রে মহিলা সুরক্ষা এত দূর্বল কেন!

গত ২৪ জানুয়ারি বর্ধমানের অনাময়্য হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল। চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন পুলিশ কর্মীরাও। এক যুবক পায়ে চোট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর সঙ্গে থাকা কয়েকজন চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। তারপরই উত্তেজনাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল শক্তিগড় থানার পুলিশ। গত বছর সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে জুনিয়র ডাক্তারদের উপর হামলা হয়। রোগীর পরিবারের সদস্যেরা হাসপাতালের চার তলায় উঠে গিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের উপর হামলা চালান। ভাঙচুর করা হয় মহিলাদের ওয়ার্ডে। এমনকি, মহিলা চিকিৎসকদের ঘর থেকে টেনে বার করে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এরপরই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ ওঠে। হাসপাতালে ডাক্তারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পথে নামেন চিকিৎসকদের একাংশ। রাজ্য সরকারের তরফে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবার ব্যপারে আশ্বাস দিলেও, বাস্তবে তা প্রয়োগ হয় নি। বাংলায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হেনস্থা অব্যহত।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!