- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ১১, ২০২৫
বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী দ্বৈত ভোটার আইডি বিতর্কে, নির্বাচন কমিশনের নোটিস
বিজেপির প্রবীণ নেতা ও বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহাকে দুটি ভোটার আইডি কার্ড থাকার অভিযোগে এবং দুইটি ভিন্ন জায়গায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত থাকার কারণে নির্বাচন কমিশন তাঁকে নোটিস জারি করেছে।
এই নোটিসটি এসেছে সেই সময়ে, যখন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ভুয়া ভোটারদের নিয়ে একটি বড় রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে।
শনিবার বিহার কংগ্রেস সভাপতি রাজেশ কুমার এক্স-এ একটি পোস্টে লখিসরাই (যা তাঁর বিধানসভা আসন) এবং পাটনার ব্যাঙ্কিপুর দুই জায়গার খসড়া ভোটার তালিকার স্ক্রিনশট শেয়ার করেন, যেখানে বিজয় কুমার সিনহার নাম ভোটার হিসেবে দেখা গেছে।
ব্যাঙ্কিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার এখন একটি নোটিস পাঠিয়েছেন, ব্যাখ্যা চেয়ে যে কেন তার নাম দুটি ভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। তাকে ১৪ই আগস্ট বিকেল ৫টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বিজয় কুমার সিনহা দাবি করেছেন, “আমি শুধুমাত্র এক জায়গা থেকেই ভোট দিই, গতবারও আমি এক জায়গা থেকেই ভোট দিয়েছি। জঙ্গলরাজের যুবরাজ (পড়ুন তেজস্বী যাদব) মানুষকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। তেজস্বী যাদবকে মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।”
এর আগে, রবিবার রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী যাদব অভিযোগ করেছিলেন যে উপমুখ্যমন্ত্রীর দুটি ভোটার আইডি কার্ড রয়েছে এবং প্রশ্ন তুলেছিলেন, “বিজয় কুমার সিনহার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?”
সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী, তেজস্বী যাদব বলেন, “তার নাম লখিসরাই বিধানসভা কেন্দ্রে যেমন আছে, তেমনি পাটনা জেলার ব্যাঙ্কিপুর বিধানসভা আসনেও রয়েছে।”
তেজস্বী বলেন, “অবাক করার মতো বিষয় হলো, এই ঘটনা ঘটেছে বিহারে নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের (SIR) পরেও। তাহলে দায়ী কে—সিনহা নিজে, না নির্বাচন কমিশন? সিনহার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে?” তিনি উপমুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেন।
এই অভিযোগের জবাবে বিজয় কুমার সিনহা বলেন, “আগে আমার এবং আমার পরিবারের নাম ব্যাঙ্কিপুর বিধানসভা আসনে তালিকাভুক্ত ছিল। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে আমি লখিসরাই থেকে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করি। একই সঙ্গে, আমি এবং আমার পরিবারের নাম ব্যাঙ্কিপুর থেকে অপসারণের জন্য একটি ফর্মও পূরণ করি। কিছু কারণে আমার নাম ব্যাঙ্কিপুর থেকে মুছা হয়নি।”
বিজেপি নেতা জগদম্বিকা পাল পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, “তেজস্বী যাদবেরও দুটি ভোটার আইডি ছিল, যা অবৈধ। এটি একটি অপরাধ। এর মানে, তেজস্বীর দলের বহু লোক বিভিন্ন জায়গায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত।”
তেজস্বী যাদব আগেও অভিযোগ করেছিলেন যে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা পরে জানান, তাঁর নাম তালিকায় রয়েছে, তবে একটি ভিন্ন এপিক (EPIC) নম্বরে, এবং তাঁকে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
❤ Support Us








