Advertisement
  • দে । শ
  • ডিসেম্বর ২০, ২০২৫

এইচসিজি ক্যান্সার সেন্টারের উদ্যোগে ‘‌ব্লাড ক্লাব এডুকেশন কনক্লেভ’‌, থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসায় অগ্রগতির ওপর আলোকপাত

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
এইচসিজি ক্যান্সার সেন্টারের উদ্যোগে ‘‌ব্লাড ক্লাব এডুকেশন কনক্লেভ’‌, থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসায় অগ্রগতির ওপর আলোকপাত

ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসার ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক পদ্ধতি নিয়ে এসেছে হেলথ কেয়ার গ্লোবাল (‌এইচ‌সিজি)‌ ক্যান্সার সেন্টার। চিকিৎসায় সাম্প্রতিক অগ্রগতি তুলে ধরার জন্য শুক্রবার এক কনক্লেভের আয়োজন করেছিল এইচসিজি। কনক্লেভে রোগীরা কীভাবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন, অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও সহযোগিতামূলক শিক্ষার ওপর আলোকপাত করা হয়।
কনক্লেভে অংশ নিয়েছিলেন খ্যাতমানা হেমাটো–অঙ্কোলজি বিশেষজ্ঞ, বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট চিকিৎসক ডাঃ জয়দীপ চক্রবর্তী, কর্ডলাইফের ডিরেক্টর ডাঃ প্রশান্ত চৌধুরি। হাজির ছিলেন এইচসিজি ক্যান্সার সেন্টারের কলকাতার চিফ অপারেটিং অফিসার শ্রী গুরবিন্দার সিং, সেলস অপারেটিং মার্কেটিং হেড পলাশ কান্তি মহাকুর প্রমুখ। এছাড়াও হাসপাতালে নার্স ও অন্যান্য চিকিৎসকরাও কনক্লেভে হাজির ছিলেন।
আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল ক্লিনিক্যাল সচেতনতা বৃদ্ধি, সহযোগিতামূলক শিক্ষাকে উৎসাহিত করা এবং ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসায় পরিবর্তন সম্পর্কে আলোকপাত করা। কনক্লেভের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ক্লিনিম্যাক্স এবং কার্ট–টি সেল থেরাপির মতো অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির উপস্থাপনা। কীভাবে এই উন্নত থেরাপিগুলি আরও নির্ভুল ও কার্যকর চিকিৎসা বিকল্প প্রদান করে জটিল রক্তজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করে তুলেছে, তা বিষদভাবে ব্যাখা করেন ডাঃ জয়দীপ চক্রবর্তী, ডাঃ প্রশান্ত চৌধুরি। এছাড়া থ্যালাসেমিয়া বাহকদের কীভাবে সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায়, সেই কার্ট–টি সেল পদ্ধতিও তুলে ধরেন দুই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
ইতিমধ্যেই ১৮ জন ব্লাড ক্যান্সার রোগীকে সুস্থ করে তুলেছে এইচসিজি। এদিন কনক্লেভে ব্লাড ক্যান্সার থেকে নিরাময় হয়ে ওঠা তিনজন রোগী অংশগ্রহন করেছিলেন। একজন সরাসরি হাজির ছিল, দুজন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন। তিনজনই তাঁদের সংগ্রাম, সুস্থ হয়ে ওঠার কাহিনী তুলে ধরেন। সরাসরি হাজির ছিলেন মায়ানমার থেকে চিকিৎসা করা আসা জিন থুজার থিয়েন। তিনি ইয়াঙ্গনের মিস ইউনিভার্স মায়ানমার হয়েছিলেন। ৭ মাস আগে চিকিৎসার জন্য এইচসিজি–তে এসেছিলেন জিন। নানারকম পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর বোন–ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের মাধ্যমে তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। জিন নিজের সুস্থ হয়ে ওঠা কাহিনী তুলে ধরেন।
এইচসিজি ক্যান্সার সেন্টার কলকাতার বিভাগীয় প্রধান ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট হেমাটো অঙ্কোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বিশেষজ্ঞ ডাঃ জয়দীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‌কার্ট–টি সেল থেরাপি এবং ক্লিনিম্যাক্সের মতো দ্রুতগতির চিকিৎসা অগ্রগতির ফলে ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসা এক রূপান্তরমূলক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।’‌ ডাঃ প্রশান্ত চৌধুরি ‘‌সেভ দ্য শিবলিং’‌ পদ্ধতিতে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তকে সুস্থ করার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!