- এই মুহূর্তে বি। দে । শ
- জানুয়ারি ২৪, ২০২৫
যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের ওপর অভিযান অব্যাহত ইজরায়েলের
ইজরায়েল ও হামাসদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কি লোক দেখানো ? ইজরায়েলি সামরিক বাহিনীর কার্যকলাপে সেরকম মনোভাবই প্রকাশ পাচ্ছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের ওপর অভিযান অব্যাহত রেখেছে ইজরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের জেনিনে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানে ১২ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর মঙ্গলবার থেকে অধিকৃত জেনিনে বড় ধরণের অভিযান শুরু করে ইজরায়েলি বাহিনী। ‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’ নামে পরিচিত এই অভিযানে বিমান হামলার পাশাপাশি হেলিকপ্টার ও ড্রোনের সাহায্যে সাঁজোয়া গাড়ি ও বুলডোজার নিয়ে জেনিন শরণার্থীশিবিরে ঢুকে পড়ে ইজরায়েল সেনা। অভিযান শুরুর আগে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন শহরের মূল প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। লাউডস্পিকারের মাধ্যমে ইজরায়েলি বাহিনী স্থানীয় বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। আতঙ্কে কয়েক শত বাসিন্দা শরণার্থীশিবির ছেড়ে চলে যায়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার শুরু হওয়া ইজরায়েলি সামরিক বাহিনীর ‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’ অভিযানে এখনও পর্যন্ত ১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদিকে, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২০টি দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। ফিলিস্তিনের বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন ইজরায়েলি সেনারা। জেনিন শরণার্থীশিবিরের কয়েকটি বাড়িতে এবং আল–আসির মসজিদের কাছে একটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় দপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মাসের যুদ্ধে গাজায় যে পরিমাণ স্থলমাইন ও অবিস্ফোরিত বোমা পড়ে আছে, সেগুলো সরাতে ১০ বছর সময় লেগে যেতে পারে। জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা সংগঠনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন ‘গ্লোবাল প্রোটেকশন ক্লাস্টার’–এর কথা তুলে ধরে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় দফতর আরও বলেছে, গাজার ৪ কোটি ২০ লাখ টন ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে থাকা বিস্ফোরক সরাতে ১০ বছরে ৫০ কোটি ডলারের প্রয়োজন হবে।
❤ Support Us







