Advertisement
  • দে । শ
  • এপ্রিল ৮, ২০২৬

২৫০ কর্মী নিয়ে তৃণমূলে যোগ জনতা উন্নয়ন পার্টির জেলা সভাপতির

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
২৫০ কর্মী নিয়ে তৃণমূলে যোগ জনতা উন্নয়ন পার্টির জেলা সভাপতির

আড়াইশর বেশি কর্মীকে নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন জনতা উন্নয়ন পার্টির পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি পঙ্কজ গাঙ্গুলি। নাদনঘাটের সমুদ্রগড়ে ভিড়ে ঠাসা সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উপস্থিতিতে পঙ্কজবাবুদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জি ও ২ বিদায়ী মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি। পঙ্কজবাবুর শপথ, ‘পূর্বস্থলী উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী বসুন্ধরা গোস্বামীকে গতবারের তুলনায় বেশি ভোটে জেতাতে জান-প্রাণ লড়িয়ে দেব।’

পূর্বস্থলী উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক তপন চ্যাটার্জির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় তৃণমূল ছেড়েছিলেন দীর্ঘদিনের তৃণমূল নেতা ও পূর্বস্থলী পঞ্চায়েতের প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান পঙ্কজ গাঙ্গুলি। জনতা উন্নয়ন পার্টিতে যোগ দিয়েই জেলা সভাপতির পদ পান। কিন্তু ওই দলের ‘সাম্প্রদায়িক বিচ্ছিন্নতাকামী কাজকর্ম’ পছন্দ না হওয়ায় আর টিকিট না পেয়ে তপনবাবু ‘বসে যাওয়ায়’ পূর্বাশ্রম তৃণমূলে ফিরতে যোগাযোগ করেন ওই প্রবীণ নেতা। তারই ফলশ্রুতি এই যোগদান। পঙ্কজবাবুর সঙ্গে তৃণমূলে ফিরলেন মদন মোহন পাল, ফজলুল হক, মিলন শেখদের মত স্থানীয় নেতারা। পঙ্কজবাবু জানান, ‘তপনবাবু দুর্নীতিগ্রস্ত, দুর্মুখ। মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। পূর্বস্থলীর মানুষ ওনার প্রতি বীতশ্রদ্ধ। ওনাকে প্রার্থী না করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি।’ রাতেই পূর্বস্থলীর পিলা, কালেখাঁতলা, মুকসিমপাড়া, পাটুলি, মেড়তলা পঞ্চায়েত এলাকার আরও শ’পাঁচেক কর্মী-সমর্থক তৃণমূলে ফিরেছেন বলে দাবি পঙ্কজবাবুর।

কেন তপনবাবুর বদলে পূর্বস্থলী উত্তরের প্রার্থী হিসেবে ‘ক্ষিতিদার (বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভার প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী ক্ষিতি গোস্বামী) মেয়ে’ বসুন্ধরা গোস্বামীকে টিকিট দিয়েছেন, বক্তৃতার মধ্যে তার ব্যাখ্যাও দিলেন মমতা ব্যানার্জি। বলেন, ‘কাজটা ঠিকঠাক করতে হবে। কাজটা ঠিকমতো করলে বসুন্ধরাকে আনতাম না। যে মানুষের কাজ করবে সেই-ই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য।’ যোগ করেন, ‘কেউ কেউ আছে, কাজ করবে না, তবু তাকে প্রার্থী করতে হবে। প্রার্থী হলে কাজ করব, না হলে অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ করব, এই দু’ধরনের জিনিস চলতে পারে না।’ এর পাশাপাশি বসুন্ধরাকে দরাজ সার্টিফিকেট দেন মমতা। বলেন, ‘বসুন্ধরা অনেক দিন ধরে আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। ও রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর মেয়ে। মানুষের পাশে থাকার মেয়ে। তাই ওকে নিয়ে এসেছি।’ বাকি প্রার্থীরাও যে যোগ্য, সেটাও উল্লেখ করেন মমতা। সভামঞ্চে মমতার প্রশংসায় অভিভূত বসুন্ধরা। বললেন, ‘উনি আমার অভিভাবক। ওনার প্রশংসা আমার কাজের প্রেরণা। এখন একটাই কাজ, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রটি মমতা ব্যানার্জিকে উপহার দেওয়া।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!