Advertisement
  • দে । শ
  • সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

কাটোয়া পুরসভার কর্মী ছাঁটাই, থমকে ডেঙ্গি প্রতিরোধ কর্মসূচি  

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কাটোয়া পুরসভার কর্মী ছাঁটাই, থমকে ডেঙ্গি প্রতিরোধ কর্মসূচি  

কাটোয়া পুরসভার ১০৪ জন অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। সেইসব কর্মীদের পাশে দাঁড়াল বিজেপি। দলের কাটোয়া নগর মণ্ডলের সভাপতি সুমন দেবনাথ বললেন, ‘ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা পুরসভার পরিচালন কমিটির কাছে আবেদন করতে পারবেন। যোগ্য কর্মীদের পুনর্নিয়োগের সুযোগ রয়েছে।’ কর্মচ্যুত কর্মীরা কেউ ১২ বছর, কেউ ৮ বছর ধরে ডেঙ্গি প্রতিরোধ প্রকল্পে কাজ করছেন। পূর্ণিমা হাজরা, সন্দীপ ঘোষরা বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই কাজে আসতে নিষেধ করেছে কর্তৃপক্ষ। কোন নীতিতে কর্মীদের  ছাঁটাই করা হচ্ছে তার পরিষ্কার কোনো ব্যাখ্যা নেই।’

তবে ছাঁটাই প্রসঙ্গে কাটোয়া পুরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিক চঞ্চল কুমার মণ্ডল বলেন, ‘ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা অধিকাংশ তাদের কাজ ঠিকঠাক করত না। এমনকী অনেকে অফিসে নিয়মমত হাজিরাও দিত না।’ কাটোয়ার প্রাক্তন বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জির দাবি, ‘পুরসভায় অহেতুক কর্মী ছাঁটাই করা হচ্ছে। চুক্তিভিত্তিক বা অস্থায়ী কর্মী দিয়ে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের কাজ চলে। দুর্গাপুজোর মুখে ছাঁটাইয়ের ফলে সংসারগুলো শেষ হয়ে যাবে। আর ডেঙ্গির প্রকোপও বাড়বে।’ তিনি ছাঁটাইয়ের ব্যাপারে পুরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিকের ‘অক্ষমতা’কে কাঠগড়ায় তুললেন।

পুরসভার ছাঁটাই ওই ১০৪ কর্মী দৈনিক মজুরিতে কাজ করতেন। এদের মধ্যে ৬১ জন্য ডেঙ্গি প্রতিরোধ প্রকল্পে কাজ করতেন। এ ব্যাপারে বিজেপির কাটোয়া নগর মণ্ডলের সভাপতি সুমন দেবনাথ বলেন, ‘যাদের সঠিক পদ্ধতিতে নিয়োগ হয়নি, যারা অফিস আসতেন না, কাজ না করে মাইনে নিতেন, তাদের ছাঁটাই করা হয়েছে। মহকুমাশাসকের দ্বারা নির্বাচিত কমিটির কাছে কাজ হারানো কর্মীরা  আবেদন করলে যোগ্য কর্মীদের ফের নিয়োগ করা হবে।’ কাটোয়া পুরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিক চঞ্চল কুমার মণ্ডলের মতে, ‘ছাঁটাইয়ের ফলে পুরসভার কাজে কোনো ব্যঘাত ঘটবে না। কাজ ফিরে পাওয়ার আশায় ছাঁটাই কর্মীরা পুরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিকের কাছে আবেদন করেছেন।

 


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!