- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- জুন ২৩, ২০২৬
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড, অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধেও অব্যাহত মেসি ম্যাজিক। নক আউটে আর্জেন্টিনা
আলজিরিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই দুরন্ত হ্যাটট্রিক। অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল। চলতি বিশ্বকাপের শুরু থেকেই মেসি–ম্যাজিক। ৩৯ বছর বয়সে প্রথম ২ ম্যাচেই ৫ গোল! ভাবা যায়! হ্যাঁ, লিওনেল মেসির পক্ষেই সম্ভব। মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে ২–০ ব্যবধানে হারিয় বিশ্বকাপের নক আউটে আর্ডেন্টিনা। অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম গোল করার সঙ্গে সঙ্গেই ইতিহাসে ঢুকে গেলেন মেসি। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে পৌঁছে গেলেন। টপকে গেলেন মিরোস্লাভ ক্লোজেকে।
আগের ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে ক্লোজেকে স্পর্শ করেছিলেন মেসি। রেকর্ড ভাঙার জন্য অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে দরকার ছিল ১ গোল। ম্যাচের শুরুতেই সেই সুযোগ এসেছিল। ৪ মিনিটের মাথায় লাওতারো মার্টিনেজকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন অস্ট্রিয়ার জাস্টিন পশ। আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা পেনাল্টির আবেদন করলেও রেফারি খেলা চালিয়ে যান। পরে ভিএআর–এর সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। গোটা স্টেডিয়াম অপেক্ষায় মেসির রেকর্ডের। কারণ, মেসিই পেনাল্টির শট নেবেন, কারও অজানা ছিল না। অবিশ্বাস্যভাবে বল বাইরে মারেন মেসি। ক্লোজের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষা আরও বেড়ে যায়।
পেনাল্টি নষ্ট করেও হতাশ হয়ে পড়েননি মেসি। তাঁর নেতৃত্বে বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল আর্জেন্টিনা। ১৮ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ এসেছিল মেসির সামনে। ডেভিড আলবার তৎপরতায় গোল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে হয় মেসিকে। ৩৩ মিনিটে মেসির গোলমুখী শট ব্লক করে এবারও পরিত্রাতা সেই আলবা। ৫ মিনিট পরেই রেকর্ডের সেই কাঙ্খিত গেল পেয়ে যান মেসি। এনজো ফার্নান্ডেজের আড়াআড়ি পাস ফলস দিয়ে ছেড়ে দিয়েছিলেন থিয়াগো আলমাদা। চলতি বলে বাঁপায়ের দুরন্ত প্লেসিংয়ে গোল করেন মেসি। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গেই ইতিহাসে মিরোস্লাভ ক্লোজেকে (১৬) টপকে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যান মেসি।
দ্বিতীয়ার্ধে অস্ট্রিয়া কিছুটা খেলায় ফেরে। মার্কো আরনাউতোভিচ, মার্সেল সাবিতসারদের দক্ষতায় দ্বিতীয়ার্ধে সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ৭৭ মিনিটে অবশ্য ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল আর্জেন্টিনার সামনে। মেসির দুরন্ত কর্নারে হেড করেছিলেন এনজো ফার্নান্ডেজ। অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৮৬ মিনিটে গঞ্জালেজের শট ব্লক করেন অস্ট্রিয়ার এক ডিফেন্ডার। ম্যাচের ইনজুরি সময়ের ৫ মিনিটের মাথায় আবার জ্বলে ওঠেন লিওনেল মেসি। ডান প্রান্ত দিয়ে উঠে এসে বক্সের মধ্যে বাড়িয়েছিলেন জুলিয়ান আলভারেজকে। গোল লক্ষ্য করে শট নিয়েছিলেন আলভারেজ। তাঁর শট শ্লাগেরের গায়ে লেগে প্রতিহত হয়ে ফিরে আসে। ফিরতি বল পেয়ে যান মেসি। তাঁর শট সেইওয়াল্ডের পায়ে লেগে আবার মেসির কাছে ফিরে আসে। ফিরতি বল বাঁপায়ে জোরালো শটে জালে জড়িয়ে দেন। ম্যাচের একেবারে শেষলগ্নে ফ্রিকিক পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। মেসির শট পোস্টের পাস দিয়ে বেরিয়ে যায়। না হলে এদিন বিশ্বকাপে দ্বিতীয় হ্যাটট্টিক পেয়ে যেতেন মেসি।
❤ Support Us







