Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • মে ২৮, ২০২৫

শক্তি বাড়িয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে গভীর নিম্নচাপ। দক্ষিণবঙ্গে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
শক্তি বাড়িয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে গভীর নিম্নচাপ। দক্ষিণবঙ্গে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

রাজ্যে বর্ষা ঢোকেনি এখনো, তবু আমেজ পুরোদস্তুর। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে গড়ে উঠা নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে ওড়িশার উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর প্রভাবে বুধবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা। দিনের বেলায় দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত ঝড়ো বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কলকাতা-সহ অন্যান্য এলাকাতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়ো বৃষ্টি আর ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস আছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২ দিনের মধ্যে উত্তরবঙ্গে বর্ষার আগমন হতে পারে। বৃহস্পতিবার থেকেই উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারসহ বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ধস ও নদীর জলস্তর বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গে অন্তত ৭টি জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হুগলি জেলাগুলোতে ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়ো হাওয়ার গতি পৌঁছাতে পারে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের দশটি জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতাও জারি হয়েছে। ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, মুর্শিদাবাদসহ ওই অঞ্চলগুলোতে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। কলকাতা এবং আশেপাশের এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে

আগামী কয়েকদিন বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপের জেরে সমুদ্র উত্তাল থাকবে। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ঘণ্টায় ৫৫-৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। সুন্দরবন ও দিঘার উপকূলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং করে সতর্ক-প্রচার চালানো হচ্ছে, ত্রাণ শিবিরের প্রস্তুতি চলছে। নদী ও সমুদ্র উপকূল তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের বিশেষ সতর্কতা মেনে চলার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!