Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মে ৩১, ২০২৩

১৫ দিনের মধ্যেই শুরু সিবিআই তদন্ত। মণিপুরে শান্তি ফেরাতে অমিত-আশ্বাস

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
১৫ দিনের মধ্যেই শুরু সিবিআই তদন্ত। মণিপুরে শান্তি  ফেরাতে অমিত-আশ্বাস

চার দিনের মণিপুর সফরে গেছেন অমিত শাহ। শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় পুলিশ, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গে এক পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন তিনি। তবে শুধু সামরিক বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে নয়, আদিবাসী সংগঠনের নেতা মুয়ান টম্বিং-এর সঙ্গেও আলাপচারিতা সেরে নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সংবাদ সংস্থার খবর, কেন্দ্রের তরফে হিংসার ঘটনায় তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিচারবিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি তা চলবে। ১৫ দিনের মধ্যেই শুরু হবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কার্যকলাপ।

বুধবার মণিপুর সফরে অন্যান্য জনজাতি গোষ্ঠীর সঙ্গে কথা বলবেন শাহ। সেই উদ্দশ্যে রওনা দিয়েছেন মোরেহ অঞ্চলে। সেখান থেকে যাবেন কাংপোকপিতে। জনজাতি ছাড়াও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় তাঁর বসার কথা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে, কুকি ও মেটেইদের মধ্যে বিরোধ মেটাতে রফাসূত্রে প্রস্তাব দিতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে , দুই বিবদমান সম্প্রদায় তা মানতে রাজি হবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

মুখ্যমন্ত্রী  বলেছেন , সেনাবাহিনী কুকি সন্ত্রাসবাদীদের খুঁজে খুঁজে চরম শাস্তি দিচ্ছেন। তবে তাঁর মতে, এ সমস্যা সাম্প্রদায়িক  হিংসা নয়। মূলত অরণ্যের অধিকার নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হয়েছেন  দুই  গোষ্ঠী। সেই সঙ্গে সম্প্রতি অবৈধ পোস্ত চাষ  ঠেকাতে যে আইন এনেছিল  রাজ্য সরকার তাও অনেকের মনঃপূত হয়নি। সেকারণেই বিক্ষোভের সূচনা হয়েছে। তবে কারণ যাই হোক , শান্তি প্রতিষ্ঠায়  সবরকম পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

অরণ্যের অধিকার রক্ষা ও রাজ্যের সংখ্যাগুরু মেটেইদের আদালতের রায়ে জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার দাবি তোলায় গত ৩ মে থেকে অশান্ত উত্তর-পূর্বের রাজ্য। এখনও পর্যন্ত হিংসার বলি হয়েছে ৮০। পরিস্থিতি সামলাতে মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ সহ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এন বীরেন সিং প্রশাসন।  এখনও আয়ত্তে আসেনি পরিস্থিতি।রাজ্যের পদক জয়ী খেলোয়াড়রাও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে চিঠি দিয়েছেন। ক্রমশ চাপ বাড়ছে প্রশাসনের ওপর। চারদিনের সফরের মধ্যে মাত্র দুদিনে   অমিত শাহ  রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ একাধিক নেতা ও  সামরিক ও অসামরিক  আধিকারিকদের সঙ্গে    একাধিক বৈঠক সেরে ফেলেছেন। আরো নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। হিংসা ও অশান্তি ঠেকাতে বলপ্রয়োগ যে একমাত্র রাস্তা নয়, তা বুঝতে পারছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাই কাশ্মীরে অশান্তি ঠেকাতে  সামরিক বলপ্রয়োগের রাস্তা নিলেও মণিপুরে ধীরে   চলো নীতির পথে এগোতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার।সাফল্য আসবে কিনা তা বলা মুশকিল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!