Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ২৮, ২০২৬

পুলিশের বাজেয়াপ্ত করা বাজি-বারুদে আগুন, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল নারায়ণপুর। নিরাপত্তা ঘিরে উঠছে প্রশ্ন

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
পুলিশের বাজেয়াপ্ত করা বাজি-বারুদে আগুন, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল নারায়ণপুর। নিরাপত্তা ঘিরে উঠছে প্রশ্ন

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নীলগঞ্জের নারায়ণপুর এলাকায় মঙ্গলবার সকালে ভয়াবহ বাজি-বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কয়েক দিন আগে নীলগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বাজি ও বারুদ উদ্ধার করেছিল। অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া সেই বাজি ও বারুদ নিয়ম মেনে নিষ্ক্রিয় না করে একটি গোডাউনে মজুত করে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে সেই গোডাউনেই আচমকা আগুন লেগে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটতে শুরু করে।

বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ও ঘন ধোঁয়ায় গোটা এলাকা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। জানা গিয়েছে, যে গোডাউনে বাজি ও বারুদ রাখা হয়েছিল, তার দোতলায় একটি পরিবার বসবাস করত। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে তাঁরা দ্রুত বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে হতাহতের বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে বিস্ফোরণের তীব্রতায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া বাজি ও বারুদ নিয়ম অনুযায়ী নিষ্ক্রিয় করার পরিবর্তে জনবসতিপূর্ণ এলাকার একটি গোডাউনে মজুত করে রাখা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, গোডাউনের বাইরেও একটি ড্রামের মধ্যে বারুদ সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফলে এত বিপজ্জনক বিস্ফোরক কেন আবাসিক এলাকার মধ্যে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এখনো পর্যন্ত কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং বিস্ফোরণের নেপথ্যের সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!