- এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- আগস্ট ৩, ২০২৪
শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি গোলে ডায়মন্ডহারবারের বিরুদ্ধে হার বাঁচাল মহমেডান
এক দলের সামনে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই। অন্য দলের কাছে শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই। ডায়মন্ডহারবার এফসি-কে স্থানচ্যুত করতে পারল না মহমেডান। পিছিয়ে পড়ে শেষমুহূর্তের গোলে কোনও রকমে হার বাঁচাল।
চতুর্থ রেফারি ইনজুরি সময় দেখিয়ে দিয়েছেন। তখনও ১ গোলে পিছিয়ে মহমেডান। কর্নার থেকে ভেসে আসা বল জটলার মধ্যে হেড করতে গিয়েছিলেন মহমেডানের লালরথলাঙ্গা। ডায়মন্ডহারবারের এক ডিফেন্ডার তাঁকে ফাউল করেন। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান ভামিয়া। ম্যাচ ১-১ ড্র।
এদিন অবশ্য পয়েন্ট পাওয়ারই কথা ছিল না মহমেডানের। ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ডায়মন্ডহারবারের। বেশ পরিছন্ন ফুটবল উপহার দিচ্ছিলেন জবি জাস্টিন, রাহুল পাসোয়ানরা। ম্যাচের ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ ছিল ডায়মন্ডহারবারের। আসলে তন্ময় ঘোষের না থাকাটা সমস্যায় ফেলে দিয়েছিল মহমেডানকে। মাঝমাঠে খেলা তৈরি হচ্ছিল না। সেই সুযোগে দাপট দেখিয়ে যায় ডায়মন্ডহারবার এফসি।
শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও গোল পাচ্ছিল না ডায়মন্ডহারবার। অবশেষে ৩২ মিনিটে এগিয়ে যায়। সিনের কর্নার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জবি জাস্টিন। এই নিয়ে লিগে ৭টি গোল করে ফেললেন জবি। মিনিটখানেকের মধ্যেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল মহমেডানের সামনে। ইসরাফিল দেওয়ান কাজে লাগাতে পারেননি। ৪০ মিনিটে রাঘবের শট সরাসরি চলে যায় মহমেডান গোলকিপার শুভজিতের হাতে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল ডায়মন্ডহারবারের সামনে। ৪৭ মিনিটে মহীতোষের ভুলে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নিয়েছিলেন রাঘব। বল পোস্টে লাগে। ৬৩ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন ইসরাফিল দেওয়ান। তাঁর শট ডায়মন্ডহারবার গোলকিপারের হাতে চলে যায়। ৭৮ মিনিটে ২-০ করার সুযোগ এসেছিল জবি জাস্টিনের পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা নরহরি শ্রেষ্টার সামনে। মহমেডান গোলকিপারকে একা পেয়েও জালে বল রাখতে পারেননি। অবশেষে ম্যাচের ইনজুরি সময়ে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরায় মহমেডান।
❤ Support Us







