- দে । শ
- জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
সাতসকালে কেঁপে উঠল দিল্লি ! লেহ-লাদাখ, উত্তর-পশ্চিম কাশ্মীরেও শক্তিশালী ভূমিকম্প, আফটারশকের সতর্কতা
সোমবার সকাল সকাল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানি। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, সকাল ৮টা ৪৪ মিনিটে রাজধানীতে হঠাৎ কম্পনের ঢেউ অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ২.৮। তুলনামূলকভাবে কম তীব্রতা হলেও, কম্পনের উৎসস্থল উত্তর দিল্লিতেই হওয়ায় তা জোড়ালোভাবে অনুভূত হয়েছে। কম্পনের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ৫ কিলোমিটার গভীরে।
কম্পনের ঝাঁকুনি অনুভূত হওয়ায় দিল্লির বিভিন্ন অংশে মানুষ হঠাৎ ঘর বা অফিস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর না পাওয়া গেলেও, নাগরিকদের মনে ভয় ও উদ্বেগের ছাপ পড়েছে। চলতি মাসেই উত্তর ভারতের একাধিক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ভূমিকম্প হয়েছে। ১৩ জানুয়ারি উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বরে ৩.৫ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়। একদিন পর, ১৪ জানুয়ারি হরিয়ানার সোনিপতেও ৩.৪ মাত্রার কম্পন হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই কম্পনের কেন্দ্র প্রায় ৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল। এইবার সরাসরি দিল্লিতে কম্পনের কেন্দ্র হওয়ায় উদ্বেগ কিছুটা বাড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিল্লি এবং এনসিআর অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। তাই মাঝেমধ্যেই হালকা কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
শুধু দিল্লির জন্যই নয়, উত্তর-পশ্চিম কাশ্মীরেও তীব্র কম্পন। লেহ-লাদাখ অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, কম্পনের কেন্দ্র ভূগর্ভের ১৭১ কিলোমিটার গভীরে। এখনো পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, আফটারশকের সম্ভাবনা মাথায় রেখে নাগরিকদের সচেতন থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চল সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে, তাই মাঝে মাঝে ভূমিকম্প হওয়া স্বাভাবিক। উল্লেখ্য, এর একদিন আগে আফগানিস্তানে রিখটার স্কেলে ৪.১ মাত্রার কম্পন হয়। চলতি মাসে আফগানিস্তানে আরো ২টি কম্পন ঘটেছে— ১৪ জানুয়ারি ৪.২ এবং ১৫ জানুয়ারি ৩.৮ মাত্রার। এই কম্পনের কেন্দ্র যথাক্রমে ভূগর্ভে ৯৬ ও ৯০ কিলোমিটার গভীরে ছিল।
❤ Support Us






