- দে । শ
- অক্টোবর ২৭, ২০২৫
বিবেকানন্দর পূর্বপুরুষের ভিটেয় আন্তর্জাতিক মানের গ্রন্থাগার ও সংগ্রহশালার উদ্বোধন
স্বামী বিবেকানন্দর পূর্বপুরুষের ভিটেতে গড়ে উঠল একটি আন্তর্জাতিক মানের গ্রন্থাগার ও সংগ্রহশালা। রবিবার উদ্বোধন করলেন বেলুড় রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক সুবীরানন্দ মহারাজ। অনুষ্ঠানে ছিলেন বর্ধমান রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক অজ্ঞেয়ানন্দ মহারাজ, গ্রন্থাগার ও সংগ্রহশালার সম্পাদক প্রণব রায়, জেলার পুলিশ সুপার সায়ক দাস, কালনার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ, প্রাক্তন সাংসদ সুনীল মণ্ডলরা। গ্রন্থাগার তৈরির জন্য সুনীলবাবু তাঁর সাংসদ তহবিলের ৩২ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। এই কাজ হওয়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দারা। এলাকার বাসিন্দা অতীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, রথীন্দ্রনারায়ণ হাজরারা বললেন, ‘কালনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি মিটল। পর্যটক ও গবেষকরা এক ছাতার নীচে বিবেকানন্দ সম্পর্কে অনেককিছু জানতে পারবেন। এলাকারও উন্নতি হবে।’
উল্লেখ্য যে, এলাকার সমাজকর্মী প্রণব রায়ের নেতৃত্বে স্বামী বিবেকানন্দর বাপ-ঠাকুর্দার জন্মভিটে সংস্কার ও সেখানে স্থায়ী কিছু করার উদ্যোগ শুরু হয়। তাঁর সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগের ফসল হিসেবে বছর দুয়েক আগে বিবেকানন্দর ১৬১তম জন্মদিনে তাঁর পূর্বপুরুষের হেফাজতে থাকা ৪৪ শতক জমি রামকৃষ্ণ মিশনকে হস্তান্তরিত করা হয়। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে গ্রন্থাগার ও সংগ্রহশালা। প্রণববাবু বললেন, ‘গ্রন্থাগারে বিবেকানন্দর লেখা ও বিবেকানন্দ সম্পর্কিত যাবতীয় গ্রন্থ থাকছে। সংগ্রহশালাটিও ডিজিটাল করা হবে।’
বৈঁচি-কালনা বাসরাস্তার রামকৃষ্ণ রোডের ধারে শ’পাঁচেক বাসিন্দার দত্তদারিয়াটন গ্রাম। এখানে ৪৪ শতক জায়গার উপর ছিল স্বামীজির পূর্বপুরুষের তিনমহলা বাস্তুভিটে। বাড়ি লাগোয়া দত্ততালপুকুর ও আমবাগান ছিল। যদিও এখন ভিটের ন্যূনতম চিহ্নও নেই। এই জায়গাটিকে সংরক্ষণ করে গ্রন্থাগার ও সংগ্রহশালা তৈরির জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন গ্রামের বাসিন্দারা। তৈরি হয় ‘বিবেকানন্দ পৈতৃক ভিটা সংরক্ষণ কমিটি’। এই কমিটিই ভিটা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে তৈরি করে এই গ্রন্থাগার ও সংগ্রহশালা।
❤ Support Us






