- দে । শ
- ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
নিপা আক্রান্তের মৃত্যু
লড়াই থামল ৪০ দিনের মাথায়। নিপায় আক্রান্ত মঙ্গলকোটের কোঁয়ারপুর গ্রামের তরুণীর মৃত্যু হল। নিপা থেকে সেরে উঠেছিলেন। নিপা নেগেটিভও হয়ে গিয়েছিল। তবু শেষরক্ষা হল না। বারাসাতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ওই তরুণী নার্সকে ভেন্টিলেশন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছিল না। চিকিৎসায় সাড়া মিলছিল না। চিনতে পারলেও কথা বলতে পারছিল না। বৃহস্পতিবার রাতে মৃত্যু হল তরুণীর। খবর পৌঁছতেই মঙ্গলকোটজুড়ে শোকের ছায়া নামে। শুক্রবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হল। তবে দুঃখের মাঝে স্বস্তি একটাই, ওই তরুণীর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সংস্পর্শে আসা মোট ১১০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। তরুণীর মা-বাবা-ভাই-সহ প্রত্যেকের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।
গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে জ্বর শুরু হয় তরুণীর। জ্বর নিয়েই ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বারাসত হাসপাতালেই ডিউটি করেন। গুসকরায় একটা পরীক্ষা থাকার জন্য একদিনের জন্য বাড়ি ফিরে ফের ডিউটিতে চলে যান। সেখানে শরীরের অবস্থার অবনতি হলে বাড়ি ফিরে দোসরা জানুয়ারি কাটোয়ায় ডাক্তার দেখান। বাড়ি ফেরার পর জ্ঞান হারানোয় তাকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে স্থানান্তরিত করা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তারপর নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতায়। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল ওই তরুণীর।
জানা গেল, খুবই মেধাবী ছাত্রী ছিলেন তরুণী। স্বপ্ন ছিল নার্স হওয়ার। স্বপ্ন পূরণ হলেও ‘মেয়েটার এভাবে চলে যাওয়া’ কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না পেশায় স্বাস্থ্যকর্মী ওই তরুণীর মা।
❤ Support Us






