- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- আগস্ট ৬, ২০২৬
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট জয় পাকিস্তানের
দীর্ঘ তিন বছর অপেক্ষার অবসান। অবশেষে বাবর আজমের হাত ধরে ৩ বছর পর বিদেশের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল পাকিস্তান। পোর্ট অফ স্পেনের কুইন্স পার্ক ওভালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজ পরাজয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল বাবর আজমের দল। সিরিজের ফল ১–১। পাঁচ বছরের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজে এটাই পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট জয়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই জয় পাকিস্তানের কাছে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। কারণ, বিদেশের মাটিতে টানা ৮টি টেস্টে হারের পর এই প্রথম জয়ের মুখ দেখল। বিদেশের মাটিতে পাকিস্তানের সর্বশেষ টেস্ট জয় এসেছিল ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের সেই জয় এসেছিল অধিনায়ক বাবর আজমের হাত ধরেই। এবারও জয় এল বাবরের নেতৃত্বেই। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয়ের পর টানা ৮টি অ্যাওয়ে টেস্টে হারে পাকিস্তান। শান মাসুদের নেতৃত্বে পাকিস্তান বিদেশে তাদের ৭টি টেস্টের একটাতেও জিততে পারেনি। এরপর শান মাসুদকে সরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের আগে বাবরকে নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তাতেই সাফল্য।
প্রথম টেস্টে ৯০ রানে হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছিল পাকিস্তান। দ্বিতীয় টেস্ট ছিল পাকিস্তানের কাছে মরণবাঁচনের। প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে তোলে ৩৪৪। জবাবে পাকিস্তান তোলে ৩৮৭। দুরন্ত ব্যাটিং করে ১৬০ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেন আবদুল্লাহ শফিক। ৩ বছর পর জাতীয় দলে ফিরেই সেঞ্চুরি করেন তিনি। ১৯৭৭ সালের পর প্রথম ব্যাটার হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে দেড়শোর বেশি রান করলেন। বাবর আজম করেন ৮৮।
প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ১১৭ রানে গুটিয়ে যায়। সাজিদ খান ৪টি এবং আলি উসমান ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন দাঁড়ায় মাত্র ৭৫ রান। ২৩.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৭৭ রান তুলে সিরিজে সমতা ফেরায় পাকিস্তান। বাবর আজম ২৪ ও আব্দুল্লাহ শফিক ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
এইই জয়ের ফলে পাকিস্তান শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৬ বছরের অপেক্ষাকে দীর্ঘায়িত করে সিরিজে সমতা ফেরায়নি, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫–২৭ পয়েন্ট টেবিলেও এক ধাপ উপরে উঠে এসেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে ডব্লিউটিসি ২০২৫-২৭ পয়েন্ট টেবিলে পাকিস্তানের অবস্থান ছিল ৯ নম্বরে। প্রথম টেস্টে হেরে দশম স্থানে নেমে যায়। দ্বিতীয় টেস্টে জয়ের পর পাকিস্তান আবার ৯ নম্বরে ফিরে এসেছে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ নবম থেকে দশম স্থানে নেমে গেছে।
❤ Support Us








