- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ৯, ২০২৩
পালা বদলের মুখে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান। নির্ধারিত সময়ের আগেই জাতীয় পরিষদে ভাঙন। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নিয়ে সিদ্ধান্ত আজ
ওয়াঘা সীমান্তের ওপারে পালাবদলের ইঙ্গিত। আরো এক সরকারের বিদায় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। বুধবারই শেষ হবে শেহবাজ শরিফ মন্ত্রীসভার কার্যকাল। এব্যাপারে গতকাল ইসলামাবাদে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির কাছে জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেওয়ার আবেদন করা হবে। তারপর একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে পরিচালিত হবে পাকিস্তান। পুরো প্রক্রিয়া ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। কারণ বছরের শেষে যে নির্বাচন হবে তাঁর জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন। সেকারণেরই দেশের প্রশাসনিক প্রধানের এই বাড়তি তৎপরতা।
বাস্তবে শেহবাজ শরিফ সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ১২ আগষ্ট। কিন্তু কয়েকদিনে আগে তিনি সিদ্ধান্ত নেন নির্ধারিত সময়ের তিন দিন আগেই সরকার ভেঙ্গে দেবেন। সেই কারণে ৯ তারিখই শেষ হচ্ছে তাঁর মেয়াদ। এখন অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠিত হলে তাঁর প্রধান কে হবেন সে বিষয়ে এখনো কিছু ঠিক করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতা রাজা রিয়াজ। তাই এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে ইসলামাবাদ। শেহবাজ অবশ্য নির্বাচনের ব্যাপারে যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব যে নির্বাচন কমিশনের তা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।
পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে সরকার ভেঙে দিতে হয়। মেয়াদ ফুরোনোর আগে তা করা হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সংঘটিত করবার রীতি রয়েছে। আর কার্যকাল সম্পূর্ণ করলে ৬০ দিনের মধ্যে তা শেষ করতে হয়। এসময়কালে দেশ চালানোর ভার নেয় অন্তর্বতীকালীন সরকার। ভোটে লড়ার জন্য কোনও দলই যাতে অতিরিক্ত সুবিধা না পায়, তা নিশ্চিত করতেই এমন নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা ও দেশের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী মিলে ঠিক করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কে হবেন। এ নিয়ে ঐক্যমত্যে না পৌঁছোতে না পারলে একটি কমিটির কাছে নাম প্রস্তাব করতে হয়। সেখানেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলে দেশের নির্বাচন কমিশনের তরফেই একজনকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ঠিক করা হয়।
❤ Support Us







