Advertisement
  • দে । শ স | হ | জ | পা | ঠ
  • জুন ২২, ২০২৩

প্রত্ন অনুসন্ধানে নতুন খোঁজ, জঙ্গলের ভিতর মিলল হাজার বছর পুরনো ‘মায়া’ নগরী

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
প্রত্ন অনুসন্ধানে নতুন খোঁজ, জঙ্গলের ভিতর মিলল হাজার বছর পুরনো ‘মায়া’ নগরী

জঙ্গলে মিলল প্রাচীন মায়া সভ্যতার ধবংসাবশেষ। দেশের দক্ষিণ মেক্সিকোর ইউকাটান উপদ্বীপে অবস্থিত বালামকু ইকোলজিক্যাল রিজার্ভে দীর্ঘদিনে ধরে অনুসন্ধান চালাচ্ছিলেন দেশের প্রত্নতত্ত্ববিদরা। সম্প্রতি, সেখানে কতগুলো প্রস্তর স্তম্ভের সন্ধান পান তাঁরা। পরে, বেশ কয়েকটি পিরামিড সদৃশ কাঠামো খুঁজে বার করেন যার একটি স্তম্ভের দৈর্ঘ্য ১৫ মিটার। পরীক্ষা করে তাঁরা বুঝতে পারেন, এগুলো স্পেনীয় অভিযানের পূর্বের। যেসময়টা ছিল মায়ানদের।

প্রত্নক্ষেত্রটির নাম দেওয়া হয়েছে অকোমটান। যার অর্থ পাথরের স্তম্ভ। তবে জায়গাটি শুধু এতেই সীমাবদ্ধ নেই। প্রচুর অট্টালিকা ও নির্মাণ কাঠামোর ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে সংরক্ষিত অঞ্চলটিতে। বিশেষজ্ঞরা প্রত্নবস্তু পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, ২৫০ থেকে ১০০০ খৃষ্টাব্দের মধ্যে এখানে একটি সমৃদ্ধ নগরী উপস্থিত ছিল । কালক্রমে তা ভূগর্ভে হারিয়ে যায়। কেন এমন পরিণতি ঘটেছিল প্রাচীন নগরের তা নিয়ে আরো অনুসন্ধান চালানো প্রয়োজন। মার্চ থেকে জুন মাসের মধ্যে লেসার প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইতিমধ্যে অনেকটা জায়গার প্রয়োজনীয় কিছ্যু তথ্য আহরণ করা সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনেও একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা।

মায়া আমেরিকার সবথেকে বড়ো একটি নগরী। এ নিয়ে বরাবরই ইতিহাস মনস্ক মানুষের কৌতূহল ছিল। তিন হাজার বর্গ কিলোমিটার জনবসতিহীন জঙ্গল থেকে সেন্ট্রাল মায়া নিম্নভূমির প্রত্নতত্ত্ব নথিভুক্ত করতে গিয়ে প্রাচীন এই শহর আবিষ্কার করেন গবেষকরা।

আইএনএএইচ জানিয়েছে,  হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা পরিচালিত বায়ুবাহিত লেজার স্ক্যানিং গবেষণা দল “প্রাক-হিস্পানিক” কাঠামো শনাক্ত করতে সহায়তা করছে। একটি বায়ুবাহিত লেজার স্ক্যানার দিয়ে তোলা ছবিগুলি ক্যাম্পেচে ভবনগুলির রূপরেখা প্রকাশ করেছেন তারা৷

দলটির নেতৃত্বদানকারী ইভান স্প্রাজক বলেছেন,  জলাভূমি দ্বারা বেষ্টিত একটি উঁচু ভূখণ্ড আবিষ্কার করে তারা সবচেয়ে অবাক হয়েছেন।  সেখানে  তাঁরা বেশ কয়েকটি বড় দালান খুঁজে পেয়েছেন, যার মধ্যে বেশ কয়েকটির পিরামিড-আকৃতির  যার উচ্চতা ১৫ মিটারেরও বেশি।  তিনি বলেছেন, দশম শতকে  মায়া সভ্যতার পতনের শিকার হওয়ার আগে সম্ভবত ৮০০ এবং এক হাজার খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ওই জায়গায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছিল। এখন তা কী কারনে ঘটেছিল  সেটা স্পষ্ট নয়। তাই এ নিয়ে আরো  বিস্তারিত গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছেন তাঁরা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!