Advertisement
  • এই মুহূর্তে বি। দে । শ
  • আগস্ট ১৩, ২০২৫

‌বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে চরম উত্তেজনার মাঝেই ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
‌বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে চরম উত্তেজনার মাঝেই ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী

দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠার মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুই দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে আগামী মাসে সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি এই বৈঠক বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর হোয়াইট হাউস সফরের ৭ মাসের এটা হবে দুই নেতার দ্বিতীয় বৈঠক।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। দুই দেশের সম্পর্কের অবনতির মধ্যেই বাণিজ্য সংক্রান্ত সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একটা বৈঠকের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সূত্র জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ বিদেশী নেতাদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করবেন। সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহনের পর তাঁর ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিকেও বেশ ভাল সম্পর্কই ছিল দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। কিন্তু ভারতের ওপর ট্রাম্প অতিরিক্ত বাণিজ্যেক শুল্ক চাপানোর পর সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকটা সাক্ষাৎকারে মোদীকে ‘‌বন্ধু’‌ বলে সম্বোধন করেছেন।
বেশ কয়েকটা বিষয়ের ওপর মোদী–ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনা নির্ভর করছে। প্রথমত, ভারত–মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি কতটা অগ্রগতি হয়, তার ওপর। ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৃষি ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের বাজার উন্মুক্ত করতে অনীহা প্রকাশ করেছে। বাণিজ্য চুক্তির অচলাবস্থার মধ্যে ট্রাম্প ভারতের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপ করেন এবং রাশিয়ার তেল কেনার জন্য অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক আরোপ করেছেন, যা বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ভারতীয় পণ্যের ওপর ট্রাম্পের ৫০% শুল্কের অর্ধেক ৭ আগস্ট কার্যকর হলেও, বাকি ২৫% ২৭ আগস্ট কার্যকর হওয়ার কথা। এই সময়সীমার আগে ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা চালাচ্ছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, দিল্লির রাশিয়ান তেল কেনা। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এটা রাশিয়ার রাজস্ব উৎস, যা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ টিকিয়ে রেখেছে। ট্রাম্প রাশিয়ার তেল ক্রয়ের বিষয়ে ভারতকে তিরস্কার করছেন এবং আমদানি কমানোর জন্য দিল্লির ওপর চাপ দিচ্ছেন। তাঁর আশা, ভারতের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারকে হুমকি দেওয়া হলে মস্কো ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে বাধ্য হবে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!