Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬

মার্চেই রাজ্যসভা ভোট, পশ্চিমবঙ্গ সহ ১০ রাজ্যের ৩৭ আসনে নির্বাচন ঘোষণা কমিশনের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
মার্চেই রাজ্যসভা ভোট, পশ্চিমবঙ্গ সহ ১০ রাজ্যের ৩৭ আসনে নির্বাচন ঘোষণা কমিশনের

রাজ্য রাজনীতিতে নির্বাচনের সুর। বিধানসভা বা লোকসভা নয়, লড়াই উচ্চকক্ষের আসন ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। মার্চ মাসেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি রাজ্যসভা  আসনে নির্বাচন হবে। বুধবার সকালে এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি জারি হবে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৫ মার্চ। ৬ মার্চ মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনি। প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ মার্চ। সব প্রক্রিয়া মিটিয়ে ১৬ মার্চ ভোটগ্রহণ। সেদিনই বিকেল ৫টার পর ফল ঘোষণা করা হবে। তবে কোনো আসনে যদি এক জনই প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন, সে ক্ষেত্রে ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়বে না, নিয়ম মেনেই তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

পশ্চিমবঙ্গে ৫ জন রাজ্যসভার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিল। সেই ৫ আসনেই নির্বাচন। মেয়াদ ফুরোচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় আর সুব্রত বক্সীর। একই দিনে শেষ হচ্ছে সিপিএমের বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের ৬ বছরের মেয়াদও। এ ছাড়া তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যসভার সাংসদপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মৌসম বেনজির নূর। ফলে তাঁর আসনটিও শূন্য। সব মিলিয়ে ৫ টি আসনেই নতুন প্রতিনিধি পাঠাতে হবে রাজ্যকে।

বর্তমান বিধানসভা সমীকরণে অঙ্ক অনেকটাই স্পষ্ট। রাজ্যসভায় ১ জন সাংসদ পাঠাতে গেলে প্রয়োজন নির্দিষ্ট সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন। সে হিসেবে ৫টির মধ্যে ৪টি আসনে শাসক তৃণমূলের জয় কার্যত নিশ্চিত বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। বাকি একটি আসনে এগিয়ে বিজেপি। বিধানসভায় বাম ও কংগ্রেসের কোনো বিধায়ক না থাকায়, তাদের পক্ষে এই মুহূর্তে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব ধরে রাখা কার্যত অসম্ভব। ফলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের মেয়াদ শেষের সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যসভায় বাংলার বাম প্রতিনিধিত্বও শূন্য হতে পারে, এমন জল্পনাই জোরালো হচ্ছে।

শুধু বাংলা নয়, একই দিনে নির্বাচন হবে মহারাষ্ট্রের ৭টি, তামিলনাড়ুর ৬টি, ওড়িশার ৪টি, বিহারের ৫টি, অসমের ৩টি, ছত্তিশগড় ও হরিয়ানার ২টি করে, তেলঙ্গানার ২টি এবং হিমাচল প্রদেশের ১টি আসনে। সব মিলিয়ে ৩৭টি আসনে ভোট। রাজ্যসভা নির্বাচন সরাসরি জনগণের ভোটে নয়, বিধায়কদের ভোটে হয়। ফলে প্রতিটি রাজ্যে শাসক ও বিরোধী শিবিরের অন্দরে শুরু হয়েছে অঙ্ক কষা। কে পাবেন দলীয় টিকিট? পুরনোদেরই কি ফেরানো হবে, না কি চমক থাকবে তালিকায়? বাংলায় বিশেষ করে তৃণমূল ও বিজেপি— দুই শিবিরেই একাধিক নাম ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বেড়েছে। মার্চের মাঝামাঝি উচ্চকক্ষের এই ভোট যে একাধিক রাজ্যে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করবে, তা মানছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!