- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ১৫, ২০২৩
থাইল্যান্ডে পতনের মুখে সামরিক সরকার, ক্ষমতা থেকে একটু দূরে বিরোধীরা। জোঁট বাধতে পারে দুই দল
থাইল্যান্ডের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ৯৯ শতাংশ ভোটগণনার পর ক্ষমতা বদলের ছবি ভেসে উঠছে। ব্যাপক সম্ভাবনা, জয়ী হতে পারে প্রোগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি ও ফেউ থাই পার্টি। প্রোগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি এ পর্যন্ত ১৫১ এবং ফেউ থাই পার্টি ১৪১ আসনে জয়ী হয়েছে। মোট আসন সংখ্যা ৫০০। ৪০০ প্রার্থী সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। ভোটের প্রাথমিক ফলাফল থেকে বোঝা যাচ্ছে, সামরিক সরকারের পতন অনিবার্য। ২০১৪ সালে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় এসেছিল সেনাবাহিনী সেনাপ্রধান প্রাউতের নেতৃত্বে। এবার তাদের সমর্থিত ইউনাইটেড থাই নেশন পার্টি ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে বলে মনে হয় না।
থাইল্যান্ডে মোট আসন সংখ্যা ৫০০টি। এর মধ্যে ৪০০টি আসনে প্রার্থী সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবেন। নির্বাচনের পর থেকে এটা প্রত্যাশিতই ছিল যে, থাইল্যান্ডে সামরিক সরকারের পতন হতে চলেছে। এর আগে ২০১৪ সালে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক ক্ষমতা সেনাবাহিনী দখল করে। এবারের নির্বাচনে সামরিক বাহিনী সমর্থিত ইউনাইটেড থাই নেশন পার্টির পরাজয় অবশ্যম্ভাবী ।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশেষজ্ঞদের অনুমান, দুই বিরোধী দল প্রোগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড এবং ফেউ থাই পার্টি জোট বেঁধে সরকার গড়তে পারে। সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষিত হলে এই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। ফেউ থাইয়ের নেতা পায়েতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, তাঁরা মুভ ফরোয়ার্ড পার্টির সঙ্গে সম্ভাব্য জোট নিয়ে আলোচনায় বসতে আগ্রহী।
থাইল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলছে। ছাত্র ও যুবশক্তির দাবি, সেনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে। ২০২০ সাল থেকে সরকার বিরোধী আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। গণ-বিক্ষোভের চাপে ভোটের ডাক দেয় থাই নির্বাচন কমিশন। ভোটে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা যে গণদাবির অন্তর্গত– তা পরিষ্কার এবং নির্ণীত লক্ষ্য। ছাত্রশক্তি থাইল্যাণ্ডের গণতন্ত্রমুখী আন্দোলনের প্রধান ভরসা। পাশের দেশ মায়ানমারে কয়েক বছর বিরতির পর আবার সামরিক শাসন ফিরে এসেছে। সেনা শাসনের উচ্ছেদ দাবি করছে জনতা। সংগঠিত হয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে। মায়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রবল। একমাত্র চিন ছাড়া পাশে কেউ নেই। থাইল্যাণ্ডেও অনুরূপ পরিস্থিতি ছিল। এবার সম্ভবত, গণতান্ত্রিক সূর্যের মুখ আবার দেখতে পাবে থাই জনতা।
❤ Support Us







