Advertisement
  • প্রচ্ছদ রচনা বৈষয়িক
  • আগস্ট ১৪, ২০২৩

১৫ মাসে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ৭.৪৪। আগামী দিনেও খাদ্যপণ্যের চড়া দাম থাকবে অব্যাহত, আশঙ্কা শক্তিকান্তের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
১৫ মাসে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ৭.৪৪। আগামী দিনেও খাদ্যপণ্যের চড়া দাম থাকবে অব্যাহত, আশঙ্কা শক্তিকান্তের

অর্থনীতির নিয়মে বাজারে জিনিসপত্রের দামে ওঠাপড়া থাকেই। কয়েকটি দ্রব্যসামগ্রীর দাম যদি সামান্য কম থাকে তো কিছুর অত্যধিক বেশি। কিন্তু খুচরো পণ্যের মূল্য যদি বারে তাহলে সবথেকে বেশি ক্ষতি হয় সাধারণ মানুষের। জুলাইয়ে মুদ্রাস্ফীতি এমন চিত্র সামনে তুলে ধরছে। গত ১৫ মাসে ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে তা এখন পৌঁছেছে ৭.৪৪ শতাংশে। সামনেই দেশের ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস। অথচ জিনিসপত্রের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে আমজনতার যেন রেহাই নেই।

সোমবার দেশের খুচরো বাজারের মুদ্রাস্ফীতির তথ্য সামনে এসেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার। গত মাসে ছিল ৪.৮১ শতাংশ। গ্রাম আর শহরের ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। গ্রামীণ এলাকায় ক্ষেত্রে ৭.৬৩ আর শহরের ক্ষেত্রে ৭.২০ শতাংশে পৌছেছে জিনিসপত্রের দাম। জাতীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়ের যে পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে তাতে এক বছরে আনাজপাতি ও সবজির দাম বেড়েছে ৩৭.৪৩ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছর আগে যে সবজির দাম ছিল ১০০ টাকা, এখন সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৭.৪৩ টাকা।

পরিসংখ্যান আরো দেখাচ্ছে যে, জুলাই মাসে খাদ্য সামগ্রীর মুদ্রাস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১৪.২৫ শতাংশে। যা তার আগের মাসে ছিল ১.৩২ শতাংশ। কেন্দ্রের দাবি, জুন মাসে খুচরো পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যে -৪.১২ শতাংশে ছিল, তা গত ৭ বছরে দেখা যায়নি। উল্লেখ্য। জুলাইতে এই বৃদ্ধিরা হার ছিল -১.৩৬ শতাংশ। এপ্রিলের পর থেকে টানা ৪মাস ধরেই দেশে খুচরো পণ্যের দাম বেড়েছে ঋণাত্মক ঘারে। যা নিঃসন্দেহে স্বস্তিদায়ক। আবার গত বছরের মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে ঠিক এক বছর আগেই মুদ্রস্ফীতি ছিল ১৪.০৭ শতাংশ।

খাদ্যদ্রব্য বিশেষত আনাজ পাতির মূল্যবৃদ্ধি জুলাই মাস এসবচেয়ে বেড়েছে। জুন মাসে যা ছিল -১.২৪ শতাংশ। জুলাইতে তা হয়েছে ৭.৭৫ শতাংশ। এই বাড়ার কারণ হল সবজি। এক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধির হার ৮১.৬ শতাংশ। এর মধ্যেও টমেটোর দামে দেখা গেছে বিশাল ব্যবধান। মাত্র একমাসে মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে ৩০৭ শতাংশ। খাদ্য সূচক ৭.১৩ ।

দাম অবশ্য কমেছে জ্বালানি ও বিদ্যুতের। এটি গত মাসের তুলনায় যথাক্রমে ০.৪৮শতাংশ এবং ০.২৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। সম্প্রতি, আরবিআই গত সপ্তাহে ক্রমবর্ধমান খুচরা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার লক্ষ্যে পরপর তৃতীয়বারের মতো পলিসি রেট রেপো ৬.৫ শতাংশে রেখেছে।

আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস  এ প্রসঙ্গে  বলেছেন, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে এখনো ভাবনা চিন্তা করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের অর্থ বিশেষজ্ঞরা। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির দামের পরিবর্তনশিলতা,  ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও  আবহাওয়া সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার কারণে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি থাকছেই । অন্যদিকে, চলতি আর্থিক বছরে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে-এর জন্য মূল্যস্ফীতির ৫.১ থেকে থেকে ৫.৪ শতাংশ  হতে পারে  বলে মনে করছে আরবিআই-এর কর্মকর্তারা।


  • Tags:
❤ Support Us
ভেসে যায় নধরের ভেলা, ভেসে যায় বেহুলা পা | র্স | পে | ক্টি | ভ রোব-e-বর্ণ
ঈশানবঙ্গের শক্তি পা | র্স | পে | ক্টি | ভ রোব-e-বর্ণ
error: Content is protected !!