Advertisement
  • গ | ল্প রোব-e-বর্ণ
  • মে ২৫, ২০২৫

ডার্ক  

জিয়া হক
ডার্ক  

অলঙ্করণ : দেব সরকার

 
আমি শুয়েই ছিলাম।

 

যে শুয়ে থাকে, তার ভাগ্যও শুয়ে থাকে, শুনেছিলাম এক মৌলবীর মুখে, ছোটোবেলায়। তখন কত আর বয়স হবে আমার ? এগারো কি বারো। আমার পাশে বালাপোষ গায়ে দিয়ে আমারই ভাগ্য শুয়ে আছে, ভাবতেই অদ্ভুত লাগে।

 

ভাগ্যের এত অলস হওয়া মানায় না। উচিতও নয়। সে বসবে ঘোড়ার পিঠে আর সেই ঘোড়া দৌড়বে সেই মহল্লার মধ্যিখানের রাস্তা দিয়ে যেখানে প্রচুর ঘরবাড়ি, সুন্দরী সুবেশা রমণী, লোকের অরণ্য, সবার দৃষ্টি প্রবল তাই চশমা পরে না, মানুষকে মাপার ফিতে হাতে দাঁড়িয়ে থাকা গৃহকর্ত্রী, যেখানে সবাই সবাইকে ‘আপনি’ বলে সম্ভাষণ করে, দিশি কুত্তাবিহীন এক অঞ্চল, ভদ্দরনোক।

 

অথচ আমার ভাগ্য শুয়েই রইল, মশারিটাও আমাকেই টাঙিয়ে দিতে হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি সূর্য উঠেছে, ভুলে যাই যে, সূর্য উঠেছে বলেই সকাল হয়েছে আর সকাল হয়েছে বলে আমি জেগে উঠেছি।

মূর্খদের সঙ্গে বাস করা কঠিন। কিন্তু নিজেকে ছেড়ে যাব কোথায় ? কোথাও যাওয়ার না পেয়ে টিউশন পড়াতে বসি।

 

প্রথম টিউশন শুরু করি ২০১১ সালে। তখন আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র । আর শুরুতেই আমি পড়াতে শুরু করি একটি শিশুকন্যাকে। তার নাম জানতে চাইবেন না। কারণ তাকে আপনারা চিনতে পারবেন না কিন্তু সে যদি দুর্ভাগ্যবশত এই লেখাটি পড়ে তাহলে সে আমাকে চিনতে পারবে। কেন তার অনুমতি ছাড়াই তার নাম ব্যবহার করেছি তা নিয়ে সে প্রশ্ন তুলতে পারে। ভয় আছে।

 
আমি সাধারণত যে ধরনের প্রশ্ন শুনতে চাই তা হলো :

 

১. কবিতা কীভাবে লেখা হয় ?
২. রাজনীতিকরা কি সাইকোটিক ?
৩. মানুষ পাগল হয়ে যায় কীভাবে ?
৪. সত্য মানে ট্রুথ কী ?
৫. ঈশ্বর আছে ?

 

এই ধরনের প্রশ্ন শুনতে চাই কারণ এদের কোনো সদুত্তর নেই। আর সদুত্তর নেই বলেই যা-কিছু চিন্তা করা যায়। মাথা সচল থাকে।

 

কিন্তু মুশকিল হলো, আমার তৎকালীন ছাত্রীর বয়স ছিল ৬ বা ৭ বছর। সে রঙিন সব জামাকাপড় পরে আমার সামনের চেয়ারে এসে বসত। দুজনের মাঝখানে একটা পেল্লায় টেবিল। ওর মা ‘এরকম-সচরাচর-পাওয়া-যায়-না’ স্বাদের অপরূপ চা নিয়ে ঘরে ঢুকতেন। পুত্রসন্তান নেই বলে তাঁর বড়ো আক্ষেপ ছিল।

কীভাবে বুঝলাম ?

 

একদিন তিনি নিজেই প্রকাশ করে ফেলেছিলেন। তারপর যেভাবে সামাল দিতে হয়, সেভাবে সামালও দিয়েছিলেন। তাঁর দুই কন্যা। আমার ছাত্রীটি ছোটো। ছোটো হলে কী হবে, সে একদিন এক আশ্চর্য কথা শোনালো। বলল, জানো স্যার, আজ আমাদের স্কুলে একটা ছেলে আমার সামনে এসে বলছে ‘তু চিজ বড়ি হ্যায় মস্ত মস্ত’। বলেই সে কি হাসি।

 

আমি ভাবছিলাম, যে ছেলেটি বলেছে, ধরে নিচ্ছি এই বয়সেই সে সব বোঝে, কিন্তু এ এত হাসে কেন ? বুঝলাম, এও কম বোঝে না।

 

যখন এই বোঝা ও পড়া চলছিল তখন আমার ভাবোদয় হলো যে, আমি এই কন্যাকে কিছুই শেখাতে পারছি না, বরং রোজ আমিই শিখে বাড়ি আসছি আর তার বদলে বেতন নিচ্ছি। এভাবে তো চলে না।

 

তাছাড়া, অভিভাবকরা তো বছরের শেষে নম্বর দেখবেন। অর্থের ব্যয় অনুপাতে নম্বরের আয় কত হলো ? আমিই অকৃতকার্য হব।

 

একদিন ছাত্রীর বাবাকে ডেকে বললাম, ওর জন্য শিক্ষক নয়, নার্স প্রয়োজন, যে ওকে নারিশ করবে। আমি ওর কোনো উপকারেই লাগছি না, আমাকে বিদায় করুন।

 

শিক্ষক বিনীত হলে অভিভাবক তাঁকে আরো মহান শিক্ষক ভাবতে শুরু করেন। তিনি আমাকে ছাড়তে নারাজ আর আমিও নাছোড় যে ছাড়বই।

 

তারপর একটা রফা হলো : ও আরেকটু বড়ো হলে আমি আবার পড়াতে আসব।তা-ই সই।

 

কিন্তু এখন যে আমি টিউশন পড়াতে ছাদের ঘরে এলাম, এটা আপাতত আমার জীবিকা সংগ্রহের বিবিধ উপায়ের একটি। যে শুধুমাত্র জীবিকার জন্য পড়াতে বসে, পড়ানোটা যার জীবন নয়, সে শিক্ষকই নয়। তার অন্য কাজ দেখা উচিত। অন্তত আলু বিক্রেতা হতে পারে।

 

আমার পুঁজি নেই আর সকলেই জানে টিউশন একটা বিনাপুঁজির ব্যবসা। আমি ফলত শিক্ষক নই, একজন ব্যবসায়ী। ছাত্র-ছাত্রীরা আলাদা করে ভক্তিশ্রদ্ধা দেখালে তাই আমার লজ্জা লাগে। আমি তাদের হাতগুলো আমার পা থেকে ক্রমাগত সরিয়ে দিই। এই পায়ে পাঁচ পাঁচ দশটা আঙুল ছাড়া আর কিছু নেই, তদুপরি রয়েছে ময়লাজমা নখ।

 

পড়িয়ে নিচে নেমে প্রথমে বারান্দায় যাই না, আব্বা-মায়ের সামনে যাই না, যাই আমার বিছানার পাশে যেখানে তখনো আমারই ভাগ্যখানি গভীর নিদ্রায় মগ্ন। ভাগ্য নিজে কি স্বপ্ন দেখে ? সে তো স্বপ্ন দেখায় আর এক সুন্দরী সকালে সত্যে রূপান্তরিত হয়ে মথ থেকে প্রজাপতি হয়ে উড়ে যায়। উড়ে গিয়ে সে মেঘ হয়, মেঘ মানে প্রথমত ছায়া, তারপর জল। সব তাপ কেটে যায়, সবকিছু নাতিশীতোষ্ণ হয়ে ওঠে। দীর্ঘ জীবনের লোভ জন্ম নেয় এই মেঘের গর্ভে।

 

অথচ আমার ভাগ্য এমন নিষ্পাপীর মতো ঘুমোচ্ছে যে তাকে জাগাতে আমার মায়া হলো। কে কাকে জাগাবে ? আমি তাকে নাকি সে আমাকে ?

 

আমাকে অফিসে যেতে হবে। বলা উচিত কাজে যেতে হবে। আসলে সবাই ‘অফিস’ যেতে চায়। আমার পরিচিত একজনের স্ত্রী তার স্বামী কোথায় গেছে জিজ্ঞেস করলে বলত, অফিসে গেছে। তার মেয়েকেও সেভাবে শেখানো হয়েছে। সেও বলে, বাপি অফিসে গেছে । লোকটা ছিল প্লাম্বার।

 

আয়নায় নিজেকে দেখলে যেমন করুণা জাগে, তেমনই তাদের দেখলেই যেন রাগ হয়, তারা কি একবারও বলতে পারে না যে করতে হবে না এমন চাকরি যা তোকে আরো বিমর্ষ আর বিষণ্ণ করে তুলছে দিন দিন ? তারা বিশ্বাস করে, যুবকদের ব্যস্ত থাকা ভালো। উচিত। আমি এই বিধিবদ্ধ ঔচিত্যে আটকে থাকতে থাকতে তাদের থেকে ক্রমশ দূরবর্তী হয়ে পড়ছি

 

আমিও যেমন একজন অনুবাদক ছাড়া আর কিছু নই । একটা পত্রিকার দফতরের এক কোনায় বসে হরেক মাল অনুবাদ করি। ভুঁইফোঁড় কোম্পানির ত্রৈমাসিক বা অর্ধবর্ষের অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল, যে কোম্পানিগুলি ব্যাঙ্ক থেকে লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নেয় তারপর শোধ না করে বিদেশে পালিয়ে যায়, রিফিউজ নেয়। অনুবাদ করতে হয় ব্যাঙ্কের দখল বিজ্ঞপ্তি, মানে ওই সংস্থাগুলিরই বন্ধক দেওয়া সম্পত্তির দখল। ভাষা বদলাই আর ভাবি এ এক অসীম চক্র আর আমি এই চক্রের দূরবর্তী ভয়্যারিস্ট, দর্শক, এর অংশও যেন খানিকটা, কারণ এই অনুবাদ করে আমি বেতন পাই, জুতো, পানমশলা, মুলোপালংয়ের সার, আরো যা যা এখানে বলবার দরকার নেই সেসব কিনি। আর থাকে দাবি বিজ্ঞপ্তি, সরকারি টেন্ডার নোটিশ, সম্পত্তি নিলাম ও বিক্রয়ের বিজ্ঞপ্তি—এর শেষ নেই।

 

আমি রাতে বাড়ি ফিরে খলিল জিবরান অনুবাদ করব কিনা ভাবি, ভাবতে গিয়ে দেখি কবিতাগুলি বিজ্ঞপ্তি হয়ে যাচ্ছে, মাথা কাজ করছে না, পরিভাষা ছাড়া অন্য শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না। কবির কাজ পরিভাষার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা, আমি রোজ তারই দাসত্ব করি, আমি কি আর কখনোই জিবরান অনুবাদ করতে পারব না ?

 

এই দফতরে নানা কিসিমের লোকের সঙ্গে এই অল্প কয়দিনে আলাপ হলো।

 

একদিন সৃজিত মুখার্জির মতো সিনেমা বানাবে—এই স্বপ্ন নিয়ে এক তরুণ উত্তর ২৪ পরগনা থেকে রোজ বিকেলে এসে রাজনৈতিক খবর লেখে। সে অনেক বিদেশি সিনেমার নাম বলল। সব সে দেখেছে। কিন্তু সে বক্স অফিস চায় । তাহলে ওই বিদেশি ছবিগুলি দেখে সে কী শিখেছে ? ‘সিনেমাকে ভালবাসতে শিখেছি’, ‘লাভ-চাইল্ড’-এর মুখের গড়ন কেমন হবে ? শ্রী মুখার্জির মতো।

 

বানাক না, সে যা চায়, যেমনটা চায়, বানাক। আমরা বড়ো বেশি দাগ টেনে দিই। আমি বরং সেই তরুণের গল্প বলি যে ডিটিপি অপারেট করে আর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পশুচিকিৎসকদের হেল্পারের কাজ করে। সে ফরেন কুকুরের নামগুলি সংক্ষেপে বলে। সে যে একজন ভেটারেন ভেট তা বোঝাতে চেষ্টা করে। আনন্দ পাই।

 

চোখ বড়ো বড়ো করে একদিন বলল, একটা ল্যাবের তিনটে বাচ্চা হয়েছে, একটা মরা, এইটুকু মাথা। আঙুল গোল গোল করে দেখালো। আর একদিন বলল, ‘আজ দুটো কুকুরের ইউট্রাস অপারেশন হলো।’ আমি বললাম, ইউটেরাস ? সে এক মুখ লজ্জাবন্ধ হাসি নিয়ে বলল, ওই হলো দাদা, আমাদের লাইনে সব চলে।

 

প্রায় সবাই, প্রায় কেন, সবাই যোগ্য হয়ে উঠতে চায়, কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে চায় না। এও এক ধরনের ওঠা, পতনোন্মুখ উঠে পড়া।

 

তার আঙুল চলছে কী-বোর্ডে আর মনিটরে নানান মুদ্রায় ফুটে উঠছে অক্ষর। ওর কি এত অর্থের প্রয়োজন ? নাকি ভাগ্য ওর সহায় ?

 

আরেকজনের একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুল আছে। এই দফতরে সবাই পেশাগতভাবে দ্বৈত পরিচিতি নিয়ে বেঁচে আছে। আমি তাদের দিকে তাকিয়ে থাকি। আমি মরে যাচ্ছি।

 

দফতর থেকে বাড়ি ফিরে আব্বামার সঙ্গে কথা বলা হয় না। ভালো থাকে না মেজাজ। আয়নায় নিজেকে দেখলে যেমন করুণা জাগে, তেমনই তাদের দেখলেই যেন রাগ হয়, তারা কি একবারও বলতে পারে না যে করতে হবে না এমন চাকরি যা তোকে আরো বিমর্ষ আর বিষণ্ণ করে তুলছে দিন দিন ? তারা বিশ্বাস করে, যুবকদের ব্যস্ত থাকা ভালো। উচিত।

 

যেতে হবে নদীটির ওপারে যেখানে সব সুশ্রী, দুধের আর মধুর নহর, একটি ফলেরই স্বাদ শত রকম, গুঁড়িতে বেঁধে মুখে পেচ্ছাপ করে দিয়ে কেউ বলিয়ে নেবে না ‘ওমুকের জয়’, যেখানে আমি কখনো দাঁড়াব না নত হয়ে, যে-ভাষায় ইচ্ছা বর্ণনা করতে পারব কীভাবে সুন্দরবনে চোরাশিকারির গুলিতে বাঘের বদলে আমার বুড়োদার মৃত্যু হয়েছিল

 

আমি এই বিধিবদ্ধ ঔচিত্যে আটকে থাকতে থাকতে তাদের থেকে ক্রমশ দূরবর্তী হয়ে পড়ছি, তা তারা বোঝে না। আমি ভুলে যাই কী দিয়ে কথা শুরু করব তাদের সঙ্গে। মনে করতে পারি না আমাদের পারিবারিক সংলাপের পরম্পরা কোন অবধি এসে থমকে আছে। বাড়িটা প্রতিদিন একটু একটু করে হোটেল হয়ে উঠছে। আমি হোটেলে থাকতে চাইনি কখনো। চাই না।

 

দফতর থেকে বাড়িতে সোজাসুজি না ফিরে চলে এলাম গঙ্গার কাছে। পাপ এতে ডোবে কি না জানি না তবে জীবন ডুবে যায় । মরে যাচ্ছি… মরে যাচ্ছি বলাটা কোনো কাজের কথা নয়। মরে গেলে কিছু আর দেখা যায় কি না জানি না, তবে এই খেলাধুলার যন্ত্রাংশগুলো আমাকে বলে, তুমি দুধভাত, তুমি এলেবেলে, তুমি ফাউ, চাইলে প্রস্থান করতে পারো, তাতে আমাদের আনন্দপ্রক্রিয়ার বিন্দু পরিমাণও ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না।

 

এরপর আর থাকা যায় ? উচিত ? আমি আমন্ত্রণপত্র নিয়েও অনুপ্রবেশকারী হয়ে যাই অবশেষে।

 

এইরকম থাকায় বড়ো আত্মঘাতী লাঞ্ছনা লেগে রয়েছে। আমাকে তাই যেতে হবে।

 

যেতে হবে নদীটির ওপারে যেখানে সব সুশ্রী, দুধের আর মধুর নহর, একটি ফলেরই স্বাদ শত রকম, গুঁড়িতে বেঁধে মুখে পেচ্ছাপ করে দিয়ে কেউ বলিয়ে নেবে না ‘ওমুকের জয়’, যেখানে আমি কখনো দাঁড়াব না নত হয়ে, যে-ভাষায় ইচ্ছা বর্ণনা করতে পারব কীভাবে সুন্দরবনে চোরাশিকারির গুলিতে বাঘের বদলে আমার বুড়োদার মৃত্যু হয়েছিল, কীভাবে ভাঙা হয় উপাসনাগারের নিরীহ গম্বুজ, কীভাবে… কীভাবে… কীভাবে কী হয় ইহকালে।

 

বিদায়।

লাফ দিলাম অন্ধকার গঙ্গায়।

অসামান্য জোয়ার তখন।

 

একটি উপন্যাস শেষ হয়ে যাবে ছোটোগল্প হয়ে, লাফ দেওয়ার আগে এইসব ভাবছিলাম।

 

আমি নেই মানে আমার ভাগ্যও নেই ? তার নিষ্পাপ ঘুমন্ত মুখখানা মনে পড়ছিল। সে যদিও এখনো বিছানায় আর আমি একা একা পালিয়ে যাচ্ছি জীবনাঞ্চল থেকে । সে আমার সঙ্গে থেকেছে আজীবন কিন্তু সখ্য হয়নি।

 

চললাম সঙ্গী, তুমিই এবার আমার সওয়ার হও। অথচ বিপরীতটা হতে পারত আর হলে তুমিও দীর্ঘায়ু হতে। যাইহোক।

 

চোখ খুলে দেখি আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে ভাগ্য, আমি একটি নৌকোর পাটাতনে শুয়ে আছি । বেঁচে আছি তাহলে ? কীভাবে সম্ভব ? কে বাঁচালো ? একে কি কৃপা বলা যাবে ? যদি যায়, তাহলে কার এই কৃপা ?

 

‘আমার’, ভাগ্য বলল বেশ উদাসীনভাবে, ‘আমার সম্পর্কে তোমার যা ধারণা আর আমি যা, আমার কাছে রোজ তুমি যা চাও আর রোজ আমি তোমাকে যা দিই, যাকগে, বাড়ি চলো, আমাদের আব্বামা অপেক্ষা করে আছে। তারা এখনও খায়নি।’

 

আমি ইলিয়াস। আমরা কামরুজ্জামান ইলিয়াস বা প্রশান্ত হালদার।

 

•♦••♦••♦••♦••♦••♦•


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!