- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ৩১, ২০২৬
শিক্ষক দিবসে দিল্লিতে ‘ককরোচদের’ মিছিলে নিষেধাজ্ঞার আর্জি খারিজ ! আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব প্রশাসনের, মন্তব্য শীর্ষ আদালতের
৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবসের দিন দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র প্রস্তাবিত মিছিল নিয়ে এখনই কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করল না সুপ্রিম কোর্ট। মিছিল ঘিরে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, এমন আশঙ্কার ভিত্তিতে আগাম হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই বলেই সোমবার জানাল শীর্ষ আদালত। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি মূলত প্রশাসন ও পুলিশের এক্তিয়ারভুক্ত বলেও স্পষ্ট করেছে আদালত।
প্রস্তাবিত মিছিল নিয়ন্ত্রণের আবেদন নিয়ে কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশের কাছে নোটিস জারি করেছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ। তবে আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদের অনুরোধ সত্ত্বেও ৩ সেপ্টেম্বর মামলাটি শুনানির জন্য তোলেনি আদালত। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্যান্য মামলার সঙ্গে এই মামলাটিও শুনবে বেঞ্চ। আবেদনকারী অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিংহের বক্তব্য, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া রাজধানীর সংবেদনশীল এলাকায় বড়ো জমায়েত বা মিছিলের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। তাঁর আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর জানা মতে এখনো পর্যন্ত ‘সিজেপি’-এর তরফে মিছিলের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি চেয়ে কোনো আবেদন করা হয়নি।
শুধু মিছিল নয়, সামনে থাকা আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রসঙ্গও আদালতে তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে ‘ব্রিকস’ সম্মেলন হওয়ার কথা। সে সময়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা রাজধানীতে উপস্থিত থাকবেন। এমন পরিস্থিতিতে এ ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচি হলে তার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এর জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমনটা ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, ‘আমরা আশা করছি প্রত্যেক বিক্ষোভকারী শান্তিপূর্ণভাবেই মিছিল, বিক্ষোব প্রদর্শন করবে। এই মুহূর্তে এমন কোনো জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয় নি, যার ভিত্তিতে ধরে নেওয়া যায় যে, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই।’ তবে আইনজীবী আহমেদের পাল্টা বক্তব্য, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকেই তাঁর আশঙ্কা। ২০ জুলাই ‘সিজেপি’-র সংসদ অভিযান ঘিরে হিংসার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আবারও কোনো হিংসার ঘটনা ঘটতে পারে। ‘সিজেপি’-এর কারণে না-ও হতে পারে, কোনো দুষ্কৃতীদের কারণেও হতে পারে।’
শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়টি পুলিশ ও প্রশাসনকেই দেখতে হবে বলে জানায় বেঞ্চ। আদালত স্পষ্ট করে দেয়, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা দিল্লি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করাই আবেদনকারীর উপযুক্ত পথ। আবেদনকারী অভিযোগ করেন, ‘সিজেপি’ এমন আচরণ করছে যেন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে দেশকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। প্রধান বিচারপতির পাল্টা বক্তব্য, ‘আপনি কেন্দ্রীয় সরকার বা দিল্লি সরকারের কাছে যান। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব তাঁদের। আইন অনুযায়ী তাঁদের ব্যবস্থা নিতে হবে।’ ককরোচ’-দের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তুলে আইনজীবী বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলনের পর সংগঠনটি আর অনুমতি চাইবে না। তাঁর দাবি, ‘তারা রক্তের স্বাদ পেয়েছে। তারা অনুমতি চাইবে না। পুলিশ তাদের আটকাবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে এটাই তারা চায়।’ যদিও, এ বক্তব্য শুনেও আদালত আগাম নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটেনি।
উল্লেখ্য, ‘নিট’ আন্দোলন প্রত্যাহারের পর দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি, এমন অভিযোগ তুলে ৫ সেপ্টেম্বর ফের দিল্লির রাস্তায় নামার ঘোষণা করেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, এ বার নয়াদিল্লিতে আরও বৃহৎ আকারের আন্দোলনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, আগের বার যন্তরমন্তরে যে আন্দোলন হয়েছিল, এ বারের কর্মসূচি তার থেকেও বড়ো হতে পারে। দীপকের দাবি, ‘যন্তরমন্তরের আন্দোলনের পরে সরকার কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সেগুলি পূরণ হয়নি। তাই আমরা আবার আন্দোলনে ফিরছি।’ আন্দোলনকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁর। পাশাপাশি আন্দোলনের সময়ে আত্মহত্যা করা ব্যক্তিদের পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়িত হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
‘সিজেপি’-র জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পর প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বরের শান্তিপূর্ণ মিছিল শুরু হবে ইন্ডিয়া গেট থেকে। গন্তব্য নয়াদিল্লি পুলিশ সদর দফতর। সংগঠনের দাবি, মিছিলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ছাত্রছাত্রী ও তরুণ নাগরিকরা যোগ দেবেন। ক্ষতিগ্রস্ত ‘নিট’ পরীক্ষার্থীদের পরিবার এবং পুলিশের কথিত অত্যাচারের শিকার ব্যক্তিদের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি হবে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনের অভিযোগ, দেশজুড়ে যুব আন্দোলন প্রত্যাহারের সময় সরকার যে আশ্বাস দিয়েছিল, তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। সরকার লিখিত আশ্বাস দেওয়ার কথা বললেও তা এখনো দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ সংগঠনের। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘এফআইআর’ প্রত্যাহার করা হবে কি না, তা নিয়েও স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি মেলেনি বলে অভিযোগ।
এ প্রসঙ্গে ১৮ অগস্টের সুপ্রিম কোর্টের শুনানির কথাও সামনে এনেছে ‘ককরোচ’ নেতৃত্বরা। আদালত সে দিন ইঙ্গিত দিয়েছিল, গুরুতর অপরাধের পূর্ব ইতিহাস নেই এমন ছাত্র আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ‘এফআইআর’ বাতিল করা যেতে পারে। পাশাপাশি আন্দোলনের সময়ে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের কথাও জানিয়েছিল আদালত। ‘সিজেপি’-র দাবি, ২৫ জুলাইয়ের প্রতিশ্রুতিগুলি শুধু ঘোষণায় নয়, ‘অক্ষরে অক্ষরে’ এবং ‘প্রকৃত অর্থে’ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।
কক্রোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তার সামাজিক বৈচিত্র্য। শিক্ষা ব্যবস্থার দুরবস্থা, বার বার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ এক জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছিল বিভিন্ন জাতি ও শ্রেণির তরুণদের। কিন্তু সে জোটের ভিতেই এখন ঢুকে পড়ছে জাতেপাতের প্রশ্ন। ৫ সেপ্টেম্বরের মিছিল তাই শুধু ‘সিজেপি’-র সঙ্গে সরকারের সংঘাতের পরীক্ষা নয়। একই সঙ্গে পরীক্ষা হবে, ভিন্ন সামাজিক পরিচয়ের ‘জেন-জি’ তরুণদের নিয়ে গড়ে ওঠা এই জোট কতটা অটুট রয়েছে। যন্তরমন্তরের আন্দোলনের সময় সংরক্ষিত শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি সাধারণ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদেরও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। তাঁদের অভিন্ন অভিযোগ ছিল, দেশের ভেঙে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থা কারও ভবিষ্যৎকেই নিরাপদ রাখছে না। এ জায়গাতেই ‘সিজেপি’-র আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছিল। সংরক্ষণের সুবিধা পান বা না-পান, সরকারি স্কুল ও কলেজের মানোন্নয়ন, পরীক্ষায় স্বচ্ছতা এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করার দাবিতে প্রত্যেকেরই স্বার্থ রয়েছে। আর সেই অভিন্ন স্বার্থই জাতিগত বিভাজন পেরিয়ে একটি বড় জোটের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল।
কিন্তু আন্দোলনের মধ্যেই অন্য সুর শোনা যায়। শিক্ষা, চাকরী সহ একাধিক জায়গায় জাতিগত ‘সংরক্ষণ’ ঘিরে একদল তরুণ আন্দোলনকারীদের বক্তব্য ছি, সংরক্ষণের ভিত্তি জাতি নয়, অর্থনৈতিক মানদণ্ড হওয়া উচিত। এরপর সংরক্ষণ সম্পূর্ণ বাতিল অথবা একটি পরিবারে এক জনের মধ্যে সংরক্ষণের সুবিধা সীমাবদ্ধ রাখার মতো দাবিও সামনে আসে। ফলে শিক্ষা সংস্কারের আলোচনার কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো নয়, সংরক্ষণ ঢুকে পড়ে। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে পুলিশের দমন-পীড়নের পর এ বিরোধ আরও তীব্র হয়। ‘সিজেপি’-র আন্দোলনকারীদের একাংশকে ‘আম্বেদকরপন্থী’ বলে আক্রমণ করা হয়। তাঁদের হিংসা বা দেশবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগও ওঠে। সাধারণ শ্রেণির তরুণদের ‘ককরোচ’-দের থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়। এরপর থেকেই ‘সংরক্ষণ-বিরোধী প্রচার’ আরও সক্রিয় হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’ নামে একটি পেজ বিপুল অনুসারী তৈরি করেছে। ২১ আগস্ট কয়েকশো ‘সংরক্ষণ-বিরোধী’ বিক্ষোভকারী বিনা অনুমতিতে যন্তরমন্তরে জমায়েত করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। এখানেই মূল সংঘাত। সংরক্ষণ-বিরোধীরা নিজেদের দাবি রাষ্ট্রের কাছে তুলে ধরছেন ঠিকই, কিন্তু সে দাবির বাস্তবায়ন হলে সমাজের প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে তাঁদের আন্দোলন বৃহত্তর শিক্ষা সংস্কারের বদলে একটি নির্দিষ্ট সামাজিক গোষ্ঠীর স্বার্থকে সামনে আনছে, এমন অভিযোগও উঠছে।
অন্যদিকে সরকারি স্কুলের মানোন্নয়ন কিংবা পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবির সুফল কোনো একটি বিশেষ জাতি বা গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং সমাজের সর্বস্তরের ছাত্রছাত্রীরাই তার সুবিধা পাবেন। যদিও সরকারি স্কুলের উপর নির্ভরশীলতার হার প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে তুলনামূলক ভাবে বেশি। ফলে, সংরক্ষণ-বিরোধী আন্দোলন যত শক্তিশালী হচ্ছে, ‘সিজেপি’-র সামনে ততই বড়ো হয়ে উঠছে জোট ধরে রাখার প্রশ্ন। কারণ সংরক্ষণের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেওয়া মানে পড়ুয়াদের একটি বড়ো অংশকে আন্দোলন থেকে দূরে ঠেলে দেওয়া। আর এখানেই রয়েছে আন্দোলনের রাজনৈতিক জটিলতা। সাধারণ শ্রেণির বহু ছাত্রছাত্রী ইতিমধ্যেই ‘অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল শ্রেণি’-র আওতায় ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা পান। ফলে সংরক্ষণ সম্পূর্ণ বাতিলের দাবি সামাজিক অসাম্য কমানোর বদলে আরও গভীর করতে পারে, এমন যুক্তিও রয়েছে। তবু ‘সংরক্ষণ-বিরোধী প্রচার’ থামছে না। ‘জাতিগত গর্ব’ এবং অতীতের সামাজিক আধিপত্যের স্মৃতিকে সামনে এনে সাধারণ শ্রেণির তরুণদের আলাদা রাজনৈতিক পরিসরে টেনে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেই অভিযোগ।
এ পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ‘সংরক্ষণ-বিরোধী’দের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে. পি. নাড্ডার দু–বার বৈঠক হয়েছে। অন্যদিকে ‘সিজেপি’-র সঙ্গে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আলোচনায় বসতে সরকার অনীহা দেখিয়েছে বলে অভিযোগ। এর রাজনৈতিক কারণও রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। সাধারণ শ্রেণির সামাজিক গোষ্ঠীর বৃহৎ অংশ ‘বিজেপি’-র ঐতিহ্যগত সমর্থক। ফলে তাঁদের অসন্তুষ্ট করার ঝুঁকি নিতে কেন্দ্র কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। তবে এর অন্য প্রভাবও রয়েছে। সরকারের সঙ্গে বৈঠকের ফলে ‘সংরক্ষণ-বিরোধী আন্দোলন’-এর গুরুত্ব বেড়েছে। সাধারণ শ্রেণির তরুণদের একাংশের মধ্যে এ ধারণাও তৈরি হতে পারে যে সংরক্ষণ নীতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব। ফলে ‘সংরক্ষণ-বিরোধী আন্দোলন’ ধীরে ধীরে ‘সিজেপি’-র বিকল্প মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে। তরুণদের একাংশ যদি সেখানেই নিজেদের ভবিষ্যতের দাবি দেখতে শুরু করেন, তা হলে ‘ককরোচ’-এর বহুজাতিক জোটে ফাটল ধরার আশঙ্কা বাড়বে। ফলে, ‘সিজেপি’-র সামনে তাই দ্বৈত চ্যালেঞ্জ। একদিকে সরকারের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংঘাত, অন্যদিকে নিজেদের আন্দোলনের ভিতরে ‘জাতিগত বিভাজন’ ঠেকানো। ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লির পথে দুই লড়াইয়েরই পরীক্ষা হতে চলেছে।
❤ Support Us







