- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুন ২৩, ২০২৬
নদীর চর দখল করে শওকত পুত্রের আলিশান ক্যাফে ! ‘অরণ্যের কূলে’ ভাঙার নির্দেশ ক্যানিং প্রশাসনের
মাতলা নদীর চর দখল করে বেআইনিভাবে নির্মিত ঝাঁ-চকচকে ক্যাফে ‘অরণ্যের কূলে’-র জৌলুস এবার শেষ হতে চলেছে। ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন এই ক্যাফেটেরিয়া ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ইমরান মোল্লার হাতে নোটিস তুলে দিয়েছেন ক্যানিং মহকুমাশাসক। আগামী ২৯ জুনের মধ্যে ক্যাফেটি নিজ দায়িত্বে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা না করা হলে প্রশাসন নিজেই বুলডোজার চালিয়ে নির্মাণ ভেঙে দেবে বলে জানানো হয়েছে।
শওকত মোল্লার গ্রেপ্তারির পরই আলোচনায় আসে তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লার বিলাসবহুল ক্যাফেটেরিয়া। অভিযোগ, শওকত মোল্লা বিধায়ক থাকাকালীন মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকায় মাতলা নদীর চর ও রাস্তার অংশ অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা হয়েছিল ‘অরণ্যের কূলে’। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে ব্যবসা চললেও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। তবে, পরিস্থিতি বদলায় ভাঙড় বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ-র হাতে শওকত মোল্লা গ্রেপ্তার হওয়ার পর। তদন্ত চলাকালীন নজরে আসে ক্যাফেটির নির্মাণ সংক্রান্ত নানা অভিযোগ। অভিযোগ ওঠে, সেচ দপ্তরের জমি ও নদীর চর দখল করেই বিশাল এই ক্যাফেটেরিয়া গড়ে তোলা হয়েছে।
বিতর্কের জেরে ক্যানিং মহকুমাশাসকের দপ্তর থেকে ইমরান মোল্লাকে সমস্ত আইনি নথি পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনের তরফে নথিপত্র খতিয়ে দেখে দাবি করা হয়েছে, ক্যাফেটির নির্মাণের কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। তদন্তে উঠে এসেছে, মাতলা নদীর চরে সেচ দপ্তরের জমি দখল করেই বেআইনি কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। এর পরেই ক্যাফেটিকে ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। যদিও ‘অরণ্যের কূলে’ ছাড়াও ওই এলাকায় গড়ে ওঠা অন্যান্য দোকান ও বাণিজ্যিক নির্মাণের ভবিষ্যৎ কী হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রশাসন সূত্রে খবর, সেসব নির্মাণের নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
❤ Support Us






