- ন | ন্দ | ন | চ | ত্ব | র
- মে ১৪, ২০২২
গৌতম ঘোষ-এর লেন্সে ‘কলকাতায় মুজিব’। ঢাকার ৩২ ধানমন্ডিতে শুটিং আরম্ভ । এবার টুঙ্গির দিকে ছুটবে ক্যামেরা ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কলকাতার বসবাস, মৌলানা আজাদ কলেজে ছাত্রাবস্থায় রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ, ৪৬-এর দাঙ্গার মুহূর্তে বেসামাল পরিস্থিতিকে সামাল দিতে প্রাণপণ চেষ্টা, তখনকার সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি মোকাবিলায় বঙ্গবন্ধুর আপসহীন অঙ্গীকার এবং দেশভাগের সময় অখণ্ড বাংলার স্মূতি নিয়ে অশ্রুসজল নয়নে কলকাতা ত্যাগ সহ অসংখ্য ঘটনা নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতির চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষ । কলকাতায় তথ্যচিত্রটির বহু কাজ সম্পূর্ণ। এবার বাংলাদেশে ছাত্র মুজিবুর রহমান, উদীয়মান রাজনীতিক মুজিবের জীবনালেখ্য-এর সামাজিক ও সংগ্রামী ঘটনাসমূহ লেন্সে তুলে ধরতে ঢাকা, জামালপুর, টুঙ্গিপাড়ায় গৌতম ছুটতে শুরু করলেন ।
ঢাকার ৩২ ধানমন্ডিতে শুটিং-এর সূচনার আগে বলেছেন, এ-এক কঠিন দায়িত্ব। বঙ্গবন্ধুর মতো মহান সংগ্রামীর ছাত্র জমানাকে ক্যামেরায় তুলে আনতে গিয়ে ব্যাপক তথ্য খুঁজতে হচ্ছে । বাংলাদেশ সরকার তাঁর ওপর ভরসা অক্ষুণ্ণ রেখে, এমন একটি গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে । তথ্যচিত্রের কাজ করতে গিয়ে আমি আবেগাপ্লুত । অভিভূত। ছাত্র বয়সে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ শুনতে ব্রিগেডে ছুটে গেছি বারবার, তাঁর আত্মজীবনী, ভ্রমণ কাহিনী এবং প্রাসঙ্গিক ইতিহাস পড়তে হচ্ছে । এসব নিয়েই এবার বাংলাদেশে আমার লেন্স-সফর শুরু হল । তথ্য চিত্র তৈরিতে কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাস এবং এখানকার পররাষ্ট্রমন্ত্রকের ব্যাপক সহযোগিতায় আমি উদ্বুদ্ধ।
বাংলাদেশের সঙ্গে গৌতমের নাড়ির টান সুবিদিত । সাংস্কৃতিক দেশভাগের বিরুদ্ধে তাঁর ভূমিকা বিরামহীন । যে কোনও সঙ্কটে, সুখের বিজয়ী মুহূর্তে বাংলাদেশ গৌতমের ভাবাবেগকে নাড়া দেয় ।
তাঁরই পরিচালনায়, ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে একাধিক আন্তর্জাতিক মানের ছবি তৈরি হয়েছে । বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ‘কলকাতায় মুজিব’ শিল্প শর্তের সুষমা আর সত্যের উদ্ঘাটনে অনন্য চেহারা ধারণ করবে । ‘ছবি নির্মাণের ‘ শিল্পীত পর্যবেক্ষণে কলকাতার বঙ্গবন্ধুকে অতীত থেকে সাম্প্রতিকে নিয়ে আসার অঙ্গীকারে গৌতম দৃঢ় প্রতিজ্ঞ । দিন কয়েকের মধ্যে ঢাকার শহিদ মিনার, সোহরাবর্দ্দি উদ্যান, বিশ্ববিদ্যালয চত্বর, কেন্দ্রীয় কারাগারেও শুটিং করবেন এবং বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক জন্মাঞ্চল টুঙ্গি পাড়ায়ও ছুটে যাবেন ।ফ্রেন্ডস অফ বাংলাদেশ-এর সহসভাপতি ও সিস্টার নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সত্যম রায় চৌধুরী ইতিহাস নির্ভর তথ্য চিত্রটি নির্মাণে যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন, বর্তমান আর ভবিষ্যতের ইতিহাস চর্চা আর ইতিহাসের পূর্ণমূল্যায়নে প্রামাণ্য দলিল হয়ে উঠবে তা । সত্যমের পাশাপাশি, কলকাতার মুজিবকে খতিয়ে দেখার নেপথ্য স্থপতি এস এম শামসুল আরেফিন, বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের ডিরেক্টর জেনারেল তৈফিক হাসানের জিজ্ঞাসা আর অনুসন্ধিৎসাও ইতিহাসকে, ইতিহাসের বহুত্ববাদী প্রবাহকে নিরন্তর প্রাণিত করবে ।
❤ Support Us










