- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- মে ১৬, ২০২৩
শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল না ডিভিশন বেঞ্চ
৩৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের যে নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় দিয়েছিলেন, সেই নির্দেশে কোন স্থগিতাদেশ দিল না ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে পর্ষদ বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার মামলার শুনানি শেষে ডিভিশন বেঞ্চ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের ওপর কোন স্থগিতাদেশ দিল না। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে বুধবার।
মঙ্গলবার এই মামলা চলাকালীন রাজ্যের তরফে আইনজীবী কিশোর দত্ত ডিভিশন বেঞ্চে বলেন, সিঙ্গেল বেঞ্চে আমাদের কোনও কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনা হয়নি। কিশোর দত্তর বক্তব্য শেষে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার পাল্টা প্রশ্ন করেন এই মামলায় তো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।
অ্যাপটিটিউড টেস্ট, প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ না থাকা এই সমস্ত বিষয়ে পর্ষদের বক্তব্য কী? এরপর বলেন একটা নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল, অথচ নিয়ম মেনে কোন টেস্ট হল না। সিঙ্গেল বেঞ্চ তো সব ফেলে দেয়নি। নতুন করে ইন্টারভিউ নিতে আপনাদের অসুবিধা কোথায় ?এই নিয়োগের আসল নিয়ম কি?
এদিন সিঙ্গেল বেঞ্চে চাকরি হারাদের হয় আইনজীবীর ভূমিকায় ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন গ্রুপ বি-র চাকরি কেউ যদি পায় তারপর যদি সে পরীক্ষা দিয়ে গ্রুপ এ তে তাঁর উত্তোরণ হয় তাতে সমস্যা কোথায়? প্রত্যেকের কাছেই তো ট্রেনিংয়ের সার্টিফিকেট আছে।
সোমবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ৩৬ হাজার চাকরীচ্যুত শিক্ষক-শিক্ষিকার পাশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন ডিএ-র দাবিতে যাঁরা আন্দোলন করছে তাঁদের জন্যই ৩৬ হাজার ছেলে মেয়ে চাকরি চলে গেছে। এরা তাঁকে ফোন করছেন।অনেকে অবসাদে ভুগছেন। যদি কিছু হয়ে যায় তখন কি হবে?
এদিকে মঙ্গলবার মঙ্গলবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন টাইপোগ্রফিক্যাল ভুলের জন্য সংখ্যাটা ৩৬ হাজার হয়েছে। এই সংখ্যাটা ৩২ হাজার হবে। অর্থাৎ ৩৩ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি যাবে। এখন দেখার বুধবার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ কি পর্যবেক্ষণ দেয়।
❤ Support Us






