- প্রচ্ছদ রচনা বি। দে । শ
- অক্টোবর ১৬, ২০২৪
আন্তঃসীমান্তে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সংযোগে বাধা বাড়াবে। পাকিস্তানকে বার্তা জয়শঙ্করের
সাংহাই কো–অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে গিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। দীর্ঘ ৯ বছর পর ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রীর পাকিস্তানের মাটিতে পা রাখায় কূটনীতিবিদরা মনে করেছিলেন দুই দেশের সম্পর্ক হয়তো ইতিবাচক পথে এগোবে। কিন্তু এসসিও–র শীর্ষ বৈঠকে যেভাবে জয়শঙ্কর পাকিস্তানকে তিরস্কার করেছেন, তাতে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির কোনও লক্ষণ নেই।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বুধবার সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের শীর্ষ সম্মেলনে পাকিস্তানকে কটাক্ষ করেছেন। বলেছেন যে, আন্তঃসীমান্তে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ কখনোই দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সংযোগ বাড়াবে না ও সম্পর্ক উন্নতিতে সাহায্য করবে না। পাকিস্তানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আন্তঃসীমান্তে চরমপন্থা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সম্পর্ককে বাধা দেয়।
জয়শঙ্করের কথায়, ‘এটা স্বতঃসিদ্ধ যে, উন্নয়ন এবং প্রবৃদ্ধির জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রয়োজন। চার্টারে যেমন বলা হয়েছে, এর অর্থ খারাপ বিষয়ের মোকাবেলায় দৃঢ় ও আপোষহীন হওয়া। সীমান্তের ওপারের কার্যকলাপ যদি সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা এবং বিচ্ছিন্নতা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, তবে তা খুব কমই হবে। বাণিজ্য, শক্তি প্রবাহ, সংযোগ এবং জনগণের মধ্যে বিনিময়কে সমানভাবে উৎসাহিত করার সম্ভাবনা রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ কখনোই দুই দেশের বাণিজ্য সংযোগ বাড়াবে না।’
২০১৫ সালে আফগানিস্তান বিষয়ক বৈঠকে যোগ দিতে তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ শেষবার পাকিস্তান গিয়েছিলেন। তারপর এই প্রথম কোনও ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী পাকিস্তান গেলেন। আন্তঃসীমান্তে সন্ত্রাসবাদকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে ভারতের সঙ্গে বানিজ্যিক সম্পর্ক শেষ করে ফেলেছে পাকিস্তান। এর ফলে পাকিস্তানের ভাঁড়ারে টান পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গত মার্চে ভারতের সঙ্গে বানিজ্যিক সম্পর্ক উন্নতি করার চেষ্টা করেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। কিন্তু সাংহাই কো–অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর আন্তঃসীমান্তে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে যে বার্তা দিলেন, তাতে চাপে পড়ে গেল পাকিস্তান।
❤ Support Us






