Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • অক্টোবর ৩, ২০২৩

অতিবৃষ্টিতে রাজ্যে বিপর্যয়ের সম্ভাবনা, নিজের একমাসের বেতন মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে দিচ্ছেন রাজ্যপাল

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
অতিবৃষ্টিতে রাজ্যে বিপর্যয়ের সম্ভাবনা, নিজের একমাসের বেতন মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে দিচ্ছেন রাজ্যপাল

একটানা বৃষ্টি ও পাশাপাশি ডিভিসির একাধিক জলাধার থেকে জল ছাড়ায় গ্রামবাংলা এখন বানভাসি অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে  রাজ্যের সাত জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে নবান্নে। এমনকী বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে রাজ্যের তরফে। এখন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, বাংলার সাত জেলায় যে কোনও সময় বন্যা দেখা দিতে পারে। এই আবহে রাজভবন সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁর একমাসের বেতন মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এখনও পাঠাননি। রাজ্য রাজনীতিতে এই ঘটনা নজিরবিহীন, কোনও রাজ্যপাল এমন কাজ করেছেন বলে অভিজ্ঞমহল বলতে পারছে না।

রাজ্যের অতিবৃষ্টির ফলে ও ডিভিসি থেকে জল ছাড়ার ফলে রাজ্যের বহু জায়গায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে । সাম্প্রতিক অবিরাম বৃষ্টিতে দুর্গাপুজোর আগে জলমগ্ন অবস্থা গ্রামবাংলার। পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল থেকে শুরু করে উত্তরের মালদায় এখন বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে। এই আশঙ্কায় সাতটি জেলাকে পরিস্থিতির উপর কড়া দৃষ্টি রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। নবান্নে জরুরি বৈঠক পর্যন্ত করতে হয়েছে ছুটির দিনে। সুতরাং পরিস্থিতি যে বেশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সেটা সহজে অনুমেয়। তার মধ্যেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে রাজভবন সূত্রের খবর।

রাজ্যের শাসক দলের বক্তব্য, বাংলার উপর আর্থিক চাপ আছে। তাই একশো দিনের টাকা, আবাস যোজনার টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বকেয়া রাখায় নয়াদিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় অতিবৃষ্টি শুরু হয়েছে। আর তার মধ্যেই ডিভিসি থেকে জল ছাড়ার পাশাপাশি দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এটা চলতে থাকলে দুর্গাপুজোর আগে বাংলা ভাসমান অবস্থায় পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের। ঠিক এমনই সময় রাজ্য প্রশাসনের পাশে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নিজের একমাসের বেতন দানের সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

তবে পরিস্থিতি যদি আরও খারাপ হয় তাহলে রাজ্য সরকারকেই বিপন্ন মানুষদের দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসতে হবে, ত্রাণ দিতে হবে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসা করতে হবে। এমনকী তাঁদের কোনও ক্ষতি হলে সেই ক্ষতিপূরণও করতে হবে রাজ্য সরকারকে। এই আবহে রাজ্যপালের এমন সিদ্ধান্ত বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!