- এই মুহূর্তে দে । শ
- জানুয়ারি ২, ২০২৫
ভোপালের পরিত্যক্ত ইউনিয়ন কার্বাইড কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু
ভোপাল গ্যাস ট্র্যাজেডির ৪০ বছর অতিক্রান্ত। তবুও এর ক্ষত এখনও জ্বলজ্বল করছে। ইউনিয়ন কার্বাইড প্ল্যান্ট থেকে ১৯৮৪ সালে মিথাইল আইসোসায়ানেট গ্যাস লিকের জন্য হাজার হাজার মানুষ মারা গিয়েছিলেন। লক্ষ লক্ষ মানুষ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন। সেই ইউনিয়ন কার্বাইড কারখানায় জমে থাকা ৩৩৭ মেট্রিক টন বিষাক্ত বর্জ্য অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
৪০ বছর আগের ইউনিয়ন কার্বাইড বিপর্যয়ের বিপজ্জনক বর্জ্যের অবশিষ্টাংশ ১২টি কন্টেনার চরম নিরাপত্তার মধ্যে ভোপাল থেকে পিথমপুরে পাঠানো হচ্ছে। প্রতিটি কন্টেনারে ৩০ টন করে বজ্য রয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশের গাড়ি এবং ফায়ার ব্রিগেডসহ ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্রিন করিডোর দিয়ে বিষাক্ত বর্জ্য পরিবহন করা হচ্ছে। ভোপাল থেকে ৫০ জন পুলিশ কর্মীসহ ১০০ জন কন্টেনারগুলোকে এসকর্ট করছে।
বিষাক্ত বজ্য প্যাক করার সময় কারখানার ২০০ মিটার ব্যাসার্ধ সিল করা হয়েছিল। বর্জ্য নিরাপদে পরিবহনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০০ কর্মী এই প্রক্রিয়ায় জড়িত। যাঁরা ৩০ মিনিটের শিফটে কাজ করছেন। তারা পিপিই কিট ব্যবহারসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করেছিল।ভোপালের পুলিশ কমিশনার জানিয়েছএন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মান বজায় রেখে বর্জ্য সরানো হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় শুরু এই প্রক্রিয়ার তদারকি করছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পর্যায়ের এক কর্মকর্তা।
পিথমপুরের বর্জ্য নিষ্কাশন কেন্দ্রটি মধ্যপ্রদেশের একমাত্র অত্যাধুনিক বজ্য পোড়ানো প্ল্যান্ট। মাটি থেকে ২৫ ফুট উপরে নির্মিত একটি বিশেষ কাঠের প্লাটফর্মে বর্জ্য পোড়ানো হবে। পিথমপুরের নাগরিক সমাজ থেকে এই পদ্ধতিতে বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে। বর্জ্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে শুক্রবার বন্ধের ডাক দিয়েছে ১০টিরও বেশি সংগঠন। ইন্দোরের মহাত্মা গান্ধি মেমোরিয়াল হসপিটাল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ডাক্তাররা পর্যাপ্ত পরীক্ষা ছাড়াই বর্জ্য নিষ্কাশন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে একটি পিটিশন দাখিল করেছেন।
❤ Support Us







