- এই মুহূর্তে দে । শ
- অক্টোবর ৩০, ২০২৫
আমন চাষে লক্ষ্যপূরণ, কৃষকদের সহায়তায় রাজ্য কৃষি দফতর
রাজ্যের ‘শস্যগোলা’ পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা ও মেমারির ২টি ব্লক ছাড়া জেলার বেশিরভাগ জায়গাতেই আমন ধান এখনও কাটা তেমন শুরু হয়নি। ঝড়-জল হলে ধান ঝড়ে যাবে, গাছ নুইয়ে পড়বে, জমিতে জল জমবে। সবমিলিয়ে পাকা ধানে মই পড়বে। এক্ষেত্রে কৃষি দপ্তরের পরামর্শ, ধান বা সবজি কাটা বা তোলার মত হলে তবেই তুলবেন। আর আলু-পেঁয়াজ-সহ শীতকালীন ফসল বসানোর কাজ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কেটে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মাচার ফসলের ক্ষেত্রে মাচা মজবুত করে বেঁধে দিতে হবে। পেঁপে, কলার ক্ষেত্রে গাছ যাতে ঝড়ে না ভাঙে, তার ব্যবস্থা করতে হবে।
এ বছর জেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার হেক্টর। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। ঝড়-জলের প্রকোপ এড়িয়ে কতটা পরিমাণ ফসল ঘরে তোলা যাবে, সেই চিন্তাই করছেন কৃষকরা। সতর্কবার্তায় কৃষি দপ্তর জানিয়েছে, শীতকালীন সবজি চাষের জন্য জমিতে জমা জল দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। ধান কাটার পর সেই জমি পেঁয়াজের বীজতলা বা আলু চাষের উপযোগী করে তোলেন কৃষকরা। জমিতে জল জমে থাকলে তা তৈরি করতে দেরি হবে। পিছিয়ে যাবে মরশুম। পিছোলে রোগ পোকার হামলার শঙ্কা বাড়ে। কৃষি দপ্তরের নিদান, আবহাওয়ার উন্নতি হলে জমিতে ছত্রাকনাশক ওষুধ স্প্রে করতে হবে। আপাতত নাইট্রোজেনঘটিত সার জমিতে প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে। কৃষি দপ্তর এভাবে পাশে দাঁড়ানোয় খুশি কৃষকরা।
ঘূর্ণিঝড়ের সময় ও অব্যবহিত পরে কৃষকদের কী কী করণীয়, সে ব্যাপারে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে কৃষি দপ্তর।
❤ Support Us







