- দে । শ
- জুলাই ৯, ২০২৬
বারুইপুরে এনকাউন্টার, এবার তদন্তে সিআইডি
বারুইপুরে পুলিশি এনকাউন্টারে ধর্ষণ ও খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তভার দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশের সিআইডি-কে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে সিআইডিও পৃথকভাবে তদন্ত চালাবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যেহেতু ঘটনাটি বারুইপুর পুলিশ জেলার আওতায় এবং অভিযুক্ত ওই জেলার পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন, তাই স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বারুইপুর পুলিশ জেলা এই ঘটনার তদন্ত করবে না। সেই কারণেই তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনও পুলিশি এনকাউন্টারের ক্ষেত্রেই বিচারবিভাগীয় তদন্ত বাধ্যতামূলক। সেই প্রক্রিয়াও ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং সিআইডি-র তদন্তের পাশাপাশি সমান্তরালভাবে চলবে বিচারবিভাগীয় তদন্ত।
পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তদন্তকারী আধিকারিকেরা অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। অপরাধের পুনর্নির্মাণ (রিকনস্ট্রাকশন) করার উদ্দেশ্যেই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাকে। সেই সময় প্রভাসের একেবারে কাছেই ছিলেন ক্যানিং থানার পুলিশ সার্কলের (পিসি) ইনচার্জ রনি সরকার।
অভিযোগ, আচমকাই রনি সরকারের কোমর থেকে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন প্রভাস। পুলিশ তাঁকে ধাওয়া করলে তিনি পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলিও চালান বলে দাবি করেছে পুলিশ। এরপর নিজের এবং সহকর্মীদের প্রাণ বাঁচাতে বারুইপুর থানার পিসি ইনচার্জ অর্ঘ্য মণ্ডল সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি চালান।
পুলিশের দাবি, আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালানো হয়েছিল। সূত্রের খবর, প্রভাস মণ্ডলের শরীরে দুটি গুলি লাগে। একটি গুলি লাগে বুকের ডান দিকে এবং অন্যটি কোমরের উপরের অংশে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এই এনকাউন্টারকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। সেই কারণেই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে একদিকে যেমন সিআইডি তদন্ত করবে, অন্যদিকে বিচারবিভাগীয় তদন্তেও খতিয়ে দেখা হবে পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট, পুলিশের ভূমিকা এবং এনকাউন্টারের পরিস্থিতি।
❤ Support Us







