- দে । শ
- জুলাই ২০, ২০২৬
১২৫ দিনের কাজের গতি বাড়াতে রাজ্য সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা, শুরু হচ্ছে বিশেষ প্রশিক্ষণ
রাজ্যে নতুন চালু হওয়া ‘বিকশিত ভারত–গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন’ (ভিবি-জি রাম জি) প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচিত বহু গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও সদস্য পদত্যাগ করেছেন অথবা নিয়মিত দফতরে উপস্থিত হচ্ছেন না। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দিতে কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আধিকারিকরা। আগামী মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে চার দিনব্যাপী একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে রাজ্য, জেলা, ব্লক এবং গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরের আধিকারিকরা অংশ নেবেন।
প্রশিক্ষণ শেষে ওই আধিকারিকরাই নিজ নিজ জেলা ও মহকুমায় ফিরে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মী ও পঞ্চায়েত কর্মীদের একই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন। পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, শুধু ভিবি-জি রাম জি প্রকল্প নয়, গ্রামোন্নয়নের অন্যান্য কর্মসূচি নিয়েও এই শিবিরে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে পশ্চিমবঙ্গে ভিবি-জি রাম জি প্রকল্প চালু হলেও, গত সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যের ৩,৩৩৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে মাত্র ৪০০টিতে প্রকল্পটি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। অভিযোগ, অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হয় দায়িত্ব পালন করছেন না, নয়তো তাঁদের খোঁজ মিলছে না। অথচ এই প্রকল্প বাস্তবায়নে পঞ্চায়েত প্রধানদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার এই বৃহৎ কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশাসনের অন্দরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
প্রশাসনের একাংশের অভিমত, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এবং নতুন পঞ্চায়েত নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় সাময়িক পরিবর্তন এনে প্রশাসনিক আধিকারিকদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব বাড়ানো হলে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ হতে পারে।
এই আবহেই কয়েক দিন আগে রাজ্যে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে ভিবি-জি রাম জি প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তার পরেই কেন্দ্রের তরফে রাজ্যে আধিকারিক পাঠিয়ে প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দিতে কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আধিকারিকরা। আগামী মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে চার দিনব্যাপী একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে রাজ্য, জেলা, ব্লক এবং গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরের আধিকারিকরা অংশ নেবেন।
প্রশিক্ষণ শেষে ওই আধিকারিকরাই নিজ নিজ জেলা ও মহকুমায় ফিরে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মী ও পঞ্চায়েত কর্মীদের একই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন। পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, শুধু ভিবি-জি রাম জি প্রকল্প নয়, গ্রামোন্নয়নের অন্যান্য কর্মসূচি নিয়েও এই শিবিরে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে পশ্চিমবঙ্গে ভিবি-জি রাম জি প্রকল্প চালু হলেও, গত সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যের ৩,৩৩৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে মাত্র ৪০০টিতে প্রকল্পটি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। অভিযোগ, অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হয় দায়িত্ব পালন করছেন না, নয়তো তাঁদের খোঁজ মিলছে না। অথচ এই প্রকল্প বাস্তবায়নে পঞ্চায়েত প্রধানদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার এই বৃহৎ কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশাসনের অন্দরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
প্রশাসনের একাংশের অভিমত, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এবং নতুন পঞ্চায়েত নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় সাময়িক পরিবর্তন এনে প্রশাসনিক আধিকারিকদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব বাড়ানো হলে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ হতে পারে।
এই আবহেই কয়েক দিন আগে রাজ্যে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে ভিবি-জি রাম জি প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তার পরেই কেন্দ্রের তরফে রাজ্যে আধিকারিক পাঠিয়ে প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ভিবি-জি রাম জি প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য :
২০০৫ সালের মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্প (মনরেগা)-র পরিবর্তে কার্যকর হয়েছে নতুন ভিবি-জি রাম জি প্রকল্প। এই প্রকল্পে বছরে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে।
প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ৮,৫০৮ কোটি টাকা এবং রাজ্য সরকার ৫,৬৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। শ্রমিকদের মজুরি সরাসরি ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি)-এর মাধ্যমে তাঁদের ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, মাস্টার রোল বন্ধ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে, অথবা সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে শ্রমিকদের মজুরি প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মজুরি না মিললে আইনের বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শ্রমিকরা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।
রাজ্যে প্রকল্পের বাস্তবায়ন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও, প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে কেন্দ্রের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার, এই উদ্যোগের ফলে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থান প্রকল্প কত দ্রুত রাজ্যের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে কার্যকর করা সম্ভব হয়।
প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ৮,৫০৮ কোটি টাকা এবং রাজ্য সরকার ৫,৬৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। শ্রমিকদের মজুরি সরাসরি ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি)-এর মাধ্যমে তাঁদের ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, মাস্টার রোল বন্ধ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে, অথবা সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে শ্রমিকদের মজুরি প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মজুরি না মিললে আইনের বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শ্রমিকরা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।
রাজ্যে প্রকল্পের বাস্তবায়ন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও, প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে কেন্দ্রের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার, এই উদ্যোগের ফলে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থান প্রকল্প কত দ্রুত রাজ্যের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে কার্যকর করা সম্ভব হয়।
❤ Support Us





