- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ২৬, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন পার্শ্বস্থ বস্তি উচ্ছেদ, নোটিশ আদালতের
নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবনের আশপাশে থাকা তিনটি বস্তি খালি করার জন্য বস্তিবাসীদের ছয় সপ্তাহ সময় দিল দিল্লি হাই কোর্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বস্তি খালি করে সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত পুনর্বাসন কেন্দ্রে চলে যেতে হবে সাড়ে তিনশোরও বেশি বাসিন্দাকে। অন্যথায় পুলিশের সহযোগিতায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার দিল্লি হাই কোর্টে বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানিতে আদালত নির্দেশ দেয়, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের কাছাকাছি বিআর ক্যাম্প, মসজিদ ক্যাম্প এবং ডিআইডি কলোনিতে থাকা তিনটি বস্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খালি করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের কাছের রেসকোর্স রোডের নাম বর্তমানে ‘লোককল্যাণ মার্গ’। ওই এলাকার তিনটি বস্তি সরানোর উদ্যোগ আগেই শুরু করেছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের তরফে সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের ৬ মার্চের মধ্যে ঘর খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও বস্তিগুলি খালি হয়নি।
উচ্ছেদের পাশাপাশি বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করেছে কেন্দ্র। সরকারি সংস্থা দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ড বা ডিইউএসআইবি-র উদ্যোগে সাভদা ঘেভরার ডিইউএসআইবি কলোনিতে তাঁদের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনটি বস্তির পরিবারগুলির জন্য সেখানে ফ্ল্যাটও বরাদ্দ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের অধীন ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের ওই বিকল্প আবাসনে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এলাকা খালি না হওয়ায় বিষয়টি আদালতে গড়ায়।
এবার দিল্লি হাই কোর্ট ছয় সপ্তাহের নতুন সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তিনটি বস্তির বাসিন্দাদের বর্তমান ঠিকানা ছেড়ে সরকারের নির্ধারিত পুনর্বাসন কেন্দ্রে চলে যেতে হবে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে নির্ধারিত সময়ের পরও কেউ এলাকা ছেড়ে না গেলে পুলিশের সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হতে পারে।
❤ Support Us







