Advertisement
  • এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • জানুয়ারি ১৯, ২০২৪

জোড়া গোল ক্লেইটনের, ডার্বি জিতে সুপার কাপের সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
জোড়া গোল ক্লেইটনের, ডার্বি জিতে সুপার কাপের সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

ম্যাচের ১৯ মিনিটে ইউস্তের গোল ঘিরেই স্বপ্ন দেখছিলেন মোহনবাগান সমর্থকরা। মরশুমের তৃতীয় ডার্বি জিতে হয়তো সুপার কাপের সেমিফাইনালের ছাড়পত্র এসে যাবে। কিন্তু বিপক্ষে যে ক্লেইটন সিলভার মতো গোল গেটার রয়েছে, সেটাই হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন বাগান সমর্থকরা। সঙ্গে মরশুমের প্রথম ডার্বির নায়ক নন্দকুমার। পিছিয়ে পড়া ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরান ক্লেইটন। আর নন্দকুমারের গোলে ২–১। এই দুই ফুটবলারের সৌজন্যে ৩–১ ব্যবধানে মরশুমের তৃতীয় ডার্বি জিতে সুপার কাপের সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। জোড়া গোল করে ডার্বির নায়ক ক্লেইটন সিলভা।

সুপার কাপের গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ দুই দলের কাছেই ছিল ‘‌ডু অর ডাই’‌। তবে মেহনবাগানের তুলনায় ইস্টবেঙ্গল কিছুটা সুবিধাজনক জায়গায় থেকে মাঠে নেমেছিল। সেমিফাইনালে যেতে গেলে মোহনবাগানের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। ইস্টবেঙ্গলকে ড্র করলেই চলত। পিছিয়ে পড়েও দারুণ জয় তুলে নিল লালহলুদ শিবির। একই সঙ্গে পৌঁছে গেল সুপার কাপের সেমিফাইনালে।

জয়ের জন্য মরিয়া ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মোহনবাগান। রক্ষণ সামলাতে এতটাই ব্যস্ত ছিল, প্রথম ১৫ মিনিট ইস্টবেঙ্গল তো মোহনবাগান বক্সে আক্রমণই তুলে নিয়ে আসতে পারেনি। ম্যাচের ১৮ মিনিটে একের পর এক কর্নার পায় মোহনবাগান। ১৯ মিনিটে দিমিত্রি পেত্রাতোসের এইরকমই এক কর্নার থেকে ফ্লিকে গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন ইউস্তে।

পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। ২৪ মিনিটে সমতা ফেরায়। নন্দকুমারের থ্রো থেকে মোহনবাগান বক্সের বাইরে বল পান শৌভিক চক্রবর্তী। তিনি ছোট্ট টোকায় বল দেন ক্লেইটন সিলভাকে। জটলার মধ্যে বল পেয়ে ডান পায়ের দুরন্ত শটে সমতা ফেরান ক্লেইটন। ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। ক্লেইটন সিলভার বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রিকিক বোরহা বক্সের মধ্যে নামিয়ে দেন। নন্দকুমার পা ছোঁয়ালেই গোল পেতেন। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হন।

প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল মোহনবাগান। কিয়ান নাসিরির শট হিজাজির হাতে লাগলে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। পেত্রাতোসের শট জালে ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার প্রভসুখন গিলের হাতে লেগে জড়িয়ে যায়। পেত্রাতোস শট নেওয়ার সময় ইস্টবেঙ্গলের এক ফুটবলার বক্সে ঢুকে যাওয়ায় আবার শট নেওয়ার নির্দেশ দেন রেফারি। পেত্রাতোসের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল সাদিকু গোলে রাখতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলা জমে ওঠে। দুই দলের সামনেই গোলের সুযোগ তৈরি হয়। ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে এদিন হিজাজি ও পাদ্রো দুরন্ত ফুটবল খেলায় পেত্রাতোসরা কিছু করতে পারেননি। এরই মধ্যে ম্যাচের ৬২ মিনিটে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। প্রভসুখন গিলের লম্বা ক্লিয়ারেন্স মোহনবাগানের এক ফুটবলারের মাথা ছুঁয়ে বক্সের কাছে রবি রানার কাছে আসে। তাঁর কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে বাঁপায়ে গোল লক্ষ্য করে শট করেন বোরহা। তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বল জালে পাঠান নন্দকুমার।

৮০ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের জয় নিশ্চিত করেন ক্লেইটন সিলভা। বাঁদিক থেকে সেন্টার করেছিলেন বোরহা। অলক্ষ্যে ওভারল্যাপে উঠে গিয়ে হেড করেছিলেন হিজাজি। মোহনবাগান গোলকিপারের হাত থেকে বল বেরিয়ে এলে জালে পাঠান ক্লেইটন। মিনিট চারেক পর ৪–১ করার সুযোগ এসেছিল পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা বিষ্ণুর সামনে। একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে তাঁর শট বাঁচান বাগান গোলকিপার আর্শ। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে বিষ্ণুর আরও একটা শট বাঁচান আর্শ। ফিরতি বলে হেড করেছিলেন অজয় ছেত্রি। বল ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!