- স | হ | জ | পা | ঠ
- এপ্রিল ১৮, ২০২২
জায়ান্ট পার্ল পেঁপে: দৈত্যাকার, সুস্বাদু কিন্তু হাইব্রিড নয় ।
উর্বর মাটি, জৈব সার আর সঠিক যত্ন নিলেন বীজ বোনার ছয় মাসের মধ্যেই ফল বাজারে বিক্রি করার উপযুক্ত হয় ।
সাড়ে সাত কেজি ওজনের গাছ পাকা জায়ান্ট পার্ল পেঁপে ।
বাংলাদেশের ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের ড. নজরুল ইসলাম-এর খামারে বিস্ময়কর এক পেঁপে ফলিয়েছেন তিনি, যার নাম জায়ান্ট পার্ল পেঁপে। এই পেঁপের এক-একটির ওজনই সাত থেকে আট কেজি । কিন্তু পেঁপেটি কোন হাইব্রিড বা বিদেশি জাতের পেঁপে নয় বরং পুরাদস্তুর দেশী জাতের একটি পেঁপে।
ছোট সাইজের এই পেঁপে গাছে ফলন হচ্ছে ৩/৪ কেজি থেকে শুরু করে ৭/৮ কেজি ওজনের এক-একটি পেঁপে। এতো বড়ো সাইজের পেঁপে গুলো খেতেও খুব সুস্বাদু।
পেঁপে ভারত-বাংলাদেশসহ অন্যনান্য বহু দেশেও কাঁচা ও পাকা – দু ভাবেই বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে কাঁচা পেঁপে সবজি হিসেবে আর পাকা পেঁপে ফল হিসেবে খাওয়া হয়। বেশ পুষ্টিকর এই ফলটি কাঁচা থাকা অবস্থায় সবুজ রংয়ের আর পাকলে হলুদ বর্ণ বা লালচে হলুদ বর্ণ ধারণ করে। এই গরমে জ্যান্ত মাঢে পেঁপে কাঁচকলার ঝোল হোক কিংবা পেঁপে সেদ্ধ, অআলু-পেঁপের তরকারি, চেঁপের চাঁটনি থেকে শুরু করে স্যালাড, পাপা পেকে ফল, শরবত এমনকি রূপচর্চায় পেঁপের জুড়ি মেলা ভার । অনেকে বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা এড়াতে কাচা ও পাকা পেঁপে খেয়ে থাকেন।
ড. নজরুল ইসলাম ফিশারিজ নিয়ে পড়াশোনা করেছেন । জাপানে মেরিন সায়েন্সে পিএইচডি করে বাংলাদেশে ফিরে কৃষিতে আত্মনিয়োগ করে তাঁর খামারে ফলিয়েছেন এই অভিনব পেঁপে । নজরুল জানিয়েছেন বাজারের হাইব্রিড পেঁপেও দেড় কেজি ওজনের বেশি সাধারণত হয় না কিন্তু আমার এই পেঁপে একটি ৭/৮ কেজি পর্যন্ত ওজনের হয়। তবে চাষের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানতে হবে ।
প্রথমত ভালো উর্বর মাটিতে জৈব সার ব্যবহার করেই এই ফসল ফলানো যাবে । উঁচু জায়গা যেখানে জল জমার সম্ভাবনা থাকবে না। চারা বোনার পর ছয় মাসের মধ্যে ভালো করে যত্ন নিলেই ফল বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়।
❤ Support Us








