Advertisement
  • প্রচ্ছদ রচনা
  • মে ২৫, ২০২২

পাহাড়ের রাজনীতিতে আবার কালো মেঘ? স্থায়ী সমাধানের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু বিমল গুরুংয়ের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
পাহাড়ের রাজনীতিতে আবার কালো মেঘ? স্থায়ী সমাধানের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু বিমল গুরুংয়ের

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর জিটিএ নির্বাচন হতে চলেছে পাহাড়ে। মঙ্গলবার দার্জিলিংয়ে সর্বদলীয় বৈঠক শেষে এই দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়। আগামী ২৬ জুন জিটিএ নির্বাচন হবে। ভোটগণনা–ফলপ্রকাশ হবে ২৯ জুন। বিমলের এই সিদ্ধান্তে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমর্থন মেলেনি। ফলে আজ থেকেই অনশনে বসলেন বিমল গুরুং। জিটিএ নির্বাচনের বিরোধিতায় এই অনশন। জিটিএ নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবার পরেই মঙ্গলবার তিনি বৈঠক করেন এবং আজ বুধবার থেকে অনশনে বসার কথা জানিয়ে দেন।

বুধবার সকাল ১১ টায় অনশন শুরু করেছেন বিমল গুরুং। মঙ্গলবার জিটিএ ইলেকশন অথোরিটির অফিসে নির্বাচন সংক্রান্ত বৈঠক হয়। সেখানে অংশ নেন জিজেএম প্রতিনিধিও। এরপরেই দলের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন বিমল গুরুং। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় তিনি অনশন শুরু করবেন। সিংমারী পার্টি অফিসের সামনে অনশন শুরু করেছেন তিনি।

অনশনে বসলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরুং

আজ অনশন মঞ্চে বিমল গুরুংয়ের স্ত্রী তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন। তারপর তাঁকে চুম্বন দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। রোশন গিরিও আজ তাঁর নেতাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন। তারপর পাশেই বসে থাকেন রোশন। দলীয় কর্মীরা বিমল গুরুংয়ের নামে জয়ধ্বনি দিতে থাকেন। ফলে আবার পাহাড়ের ঈশান কোণে কালো মেঘ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই জিটিএ নির্বাচন নিয়ে বিমল গুরুং বলেন, ‘‌আমাদের দাবি পাহাড় সমস্যার স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান করতে হবে। জিটিএ’‌র মধ্যে ৩৯৬টি মৌজা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তারপর নির্বাচন করা যেতেই পারে। কিন্তু এখন এটা আমরা মেনে নেব না। তাই পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি মেনেই আমি বুধবার থেকে অনশনে বসলাম।’‌
বিমলের এই সিদ্ধান্তে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমর্থন মেলেনি। ফলে এই অনশন কোনদিকে গড়ায় এখন সেটাই দেখার।
বিমল গুরুং জানিয়েছেন, সরকার পিপিএস প্রপোজালের বিষয় কোনও উত্তর দেয়নি। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পিপিএস বিষয় কথা বলেন কিন্তু এরপরেও নির্বাচনের কথা বলা হয়। তিনি জানান সরকার জোর করে নির্বাচনের চেষ্টা করলে তিনি অনশন করবেন তা তিনি আগেই জানিয়েছিলেন।

জিটিএ ঘোষণার পর বিমল গুরুং এর অনশন প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন বিমল গুরুং হারবে এবং তার জনপ্রিয়তা শেষ। জনপ্রিয়তা নেই বলেই ভোট লড়তে চাইছে না।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, জিটিএ পাহাড়ের সমস্যার সমাধান নয়। ত্রিস্তরিয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থার মাধ্যমেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে জানিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিতও দেন তিনি।


❤ Support Us
error: Content is protected !!