- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫
এশিয়া কাপে ওমানের বিরুদ্ধে ২১ রানে জয়, তবু পাক ম্যাচের আগে বোলিং নিয়ে চিন্তায় ভারতীয় দল
পরপর দুটি ম্যাচ জিতে আগেই সুপার ফোরের টিকিট জোগাড় করে নিয়েছিল ভারত। এশিয়া গ্রাপে গ্রুপ লিগে ওমানের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। নিয়মরক্ষার ম্যাচে ওমানকে ২১ রানে হারালেও পাকিস্তান ম্যাচের আগে ভারতের বোলিং নিয়ে কিন্তু চিন্তা থেকেই গেল।
ওমানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বোলিংয়ে পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল ভারত। যশপ্রীত বুমরার জায়গায় অর্শদীপ সিংকে খেলানো হয়। স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীর জায়গায় প্রথম একাদশে নিয়ে আসা হয় জোরে বোলার হর্ষিত রানাকে। বুমরাহীন ভারতীয় জোরে বোলিং বিভাগের দুর্বলতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেলেন ওমানের ব্যাটাররা। হার্দিক পান্ডিয়া ছাড়া বাকিরা নিজেদের মেলে ধরতে পারলেন না। অর্শদীপ সিং ৪ ওভারে খরচ করলেন ৩৭ রান। ঝুলিতে ১ উইকেট। হর্ষিত রানা ৩ ওভারে ২৩ রান দিয়ে তুললেন ১ উইকেট। শিবম দুবের অবস্থা তো আরও খারাপ। ৩ ওভারে দিলেন ৩১। উইকেটহীন। এদের তুলনায় হার্দিক পান্ডিয়া কিছুটা ভাল। ৪ ওভারে ২৬ রান খরচ করে ১ উইকেট নিয়েছেন।
পাকিস্তান ম্যাচের আগে ব্যাটিং প্র্যাকটিস সেরে নেওয়ার জন্য ওমানের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান শুভমান গিল (৮ বলে ৫)। অন্য ওপেনার অভিষেক শর্মাকে অবশ্য দমিয়ে রাখা যায়নি। রীতিমতো ঝড় তোলেন। ১৫ বলে ৩৮ রান করে তিনি আউট হন। ৪ নম্বরে নামা হার্দিক পান্ডিয়া ব্যর্থ (১)। ১৩ বলে ২৬ রান করে আউট হন অক্ষর প্যাটেল। শিবম দুবে ৮ বলে করেন ৫।
একপ্রান্তে পরপর উইকেট হারালেও অন্য প্রান্ত ধরে রাখেন সঞ্জু স্যামসন। তিলক ভার্মার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৪৫ বলে ৫৬ রান করে আউট হন সঞ্জু। পরপরই পিরে যান তিলক (১৮ বলে ২৯)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রান তোলে ভারত। হর্ষিত রানা ৮ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ব্যাট করতে নামেননি। ওমানের হয়ে ভাল বোলিং করেন শাহ ফয়জল। ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ ২৩ রানে ২ উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ১৮৯ রান বিশাল লক্ষ্য হলেও লড়াই থেকে পিছিয়ে আসেনি ওমান। ওপেনিং জুটিতে তোলে ৫৬। জোরে বোলারদের ব্যর্থতা ঢেকে জুটি ভাঙেন কুলদীপ যাদব। অধিনায়ক যতীন্দার সিংকে (৩৩ বলে ৩২) বোল্ড করেন। এরপর ওমানকে টেনে নিয়ে যায় আমির কলিম ও হামাদ মির্জা জুটি। দুজনের জুটিতে ওঠে ৯৭ রান। এই জুটি ভাঙতে হিমসিম খেতে হয় ভারতীয় বোলারদের। ৮.৩ ওভারে প্রথম উইকেট নেওয়ার পর মাঝে ৯ ওভার উইকেটহীন ছিলেন ভারতীয় বোলাররা। ১৭.৪ ওভারের মাথায় আমির কলিমকে (৪৬ বলে ৬৪) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন হর্ষিত রানা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান তোলে ওমান।
❤ Support Us








