Advertisement
  • এই মুহূর্তে প্রচ্ছদ রচনা
  • মার্চ ২১, ২০২৩

মোদির ভারতে লঙ্ঘিত মানবাধিকার, বাড়ছে নিগ্রহের ঘটনা। মার্কিন মানবাধিকার রিপোর্টে সমালোচনা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
মোদির ভারতে লঙ্ঘিত মানবাধিকার, বাড়ছে নিগ্রহের ঘটনা। মার্কিন মানবাধিকার রিপোর্টে সমালোচনা

ভারতে নানা ক্ষেত্রেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত। ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ তো বটেই, ভিন্ন মতাবলম্বী থেকে শুরু করে সাংবাদিকদেরও নিগ্রহের শিকার হতে হচ্ছে। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এনডিএ সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের এবং নিগ্রহের ঘটনা বেড়েছে । সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বার্ষিক মানবাধিকার সম্পর্কিত রিপোর্টে এই উদ্বেগের কথা জানিয়েছে মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক।

এক বছর আগে মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন, ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে। সমাজের নানা ক্ষেত্রেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। ঘটনাগুলির জন্যে দায়ী সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশ, জেল কর্তৃপক্ষও।

ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ বিরল ঘটনাই। কেননা ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক আর্থিক সম্পর্ক আছে। এছাড়া কূটনৈতিক দিক দিয়ে বিচার করলে চিনকে প্রতিহত করতে ভারতকে বন্ধু হিসেবেই চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিনি ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার কিংবা তার এজেন্টদের হাতে খুনের ঘটনা ঘটেছে। নিষ্ঠুর নির্যাতন চালানো হচ্ছে আক্রান্তদের ওপর। এজন্য পুলিশ ও জেলগুলির কর্তৃপক্ষ দায়ী। বিনা কারণেই গ্রেফতার করা হচ্ছে সাংবাদিকদের। অযথা শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বন্দিদের মানবাধিকারও লঙ্ঘিত। অনেকক্ষেত্রে দায়ী জেল কর্তৃপক্ষ।

মোদির আমলে কীভাবে গত কয়েক বছর ধরে ভারতীয় নাগরিকদের মানবাধিকার হরণের ঘটনা ঘটেছে, মার্কিনি রিপোর্টে সেপ্রসঙ্গও উল্লেখ করা হয়েছে। দৃষ্টান্ত হিসেবে সিএএ, ধর্মান্তরণ বিরোধী আইনের মতো বিষয়গুলির উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্টে এও বলা হয়েছে, ২০ কোটি ভারতীয় মুসলিম নাগরিককে ভয় দেখানো চলছে মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতে, হিন্দুত্ববাদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। সাম্প্রতিক একটি ঘটনার দৃষ্টান্ত দিয়ে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে ভারতে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের দোকানপাট. সম্পত্তি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে। মানবাধিকার কর্মীরা লাগাতার অভিযোগ করছেন, মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরীহ মানুষের ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। মানবাধিকার কর্মীদেরও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইউএপিএতে গ্রেফতার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের কাজের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট শাটডাউনের ঘটনা ঘটেছে ভারতেই।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!