- এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- মে ২১, ২০২৫
দ্বিতীয়বার ডোপ টেস্টে ধরা পড়লেন অলিম্পিয়ান জ্যাভলিন থ্রোয়ার, ৮ বছর নির্বাসনের সম্ভাবনা
ডোপ টেস্টে ব্যর্থ হলেন অলিম্পিয়ান জ্যাভলিন থ্রোয়ার শিবপাল সিং। কেরিয়ারে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য তিনি ডোপ পরীক্ষায় ব্যর্থ হলেন। দ্বিতীয়বার ব্যর্থ হওয়ায় তিনি যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে সর্বোচ্চ ৮ বছরের জন্য নির্বাসিত হতে পারেন।
চলতি বছরের শুরুতে ডোপ পরীক্ষার জন্য টোকিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী ২৯ বছর বয়সী শিবপাল সিংয়ের মূত্রের নমুনা নেওয়া হয়। সেই সময় তিনি এনআইএস পাতিয়ালায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। মূত্রের নমুনায় নিষিদ্ধ পদার্থ পাওয়া গেছে। ফলাফল পজিটিভ আসার পর জাতীয় ডোপ বিরোধী সংস্থা নাডা তাঁকে সাময়িকভাবে নির্বাসিত করেছে।
নাডার একটা সূত্র সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছে, ‘শিবপাল সিংয়ের মূত্রের নমুনায় নিষিদ্ধ পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এটা তাঁর দ্বিতীয় ডোপিং অপরাধ। দোষী প্রমানিত হলে ৮ বছর নির্বাসিত হবেন।’ যদি এইরকম দীর্ঘ শাস্তির কবলে পড়েন, তাহলে শিবপালের কেরিয়ার শেষ হয়ে যাবে। নাডা ও আন্তর্জাতিক ডোপ বিরোধী সংস্থা ওয়াডার নিয়ম অনুসারে, একজন ক্রীড়াবিদ দ্বিতীয়বার ডোপিং অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ আট বছর নির্বাসিত হতে পারেন।
শিবপালের জীবনের সেরা সাফল্য ২০১৯ সালে দোহায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জিতেছিলেন। ছুঁড়েছিলেন ৮৬.২৩ মিটার। এটাই তাঁর ব্যক্তিগত সেরা। ২০২১ সালের শুরুতে প্রথমবার প্রতিযোগিতার বাইরের একটি পরীক্ষায় শিবপালের ডোপ নমুনায় স্টেরয়েডের উপস্থিতি পাওয়া যায়। ২০২২ সালের আগস্টে নাডার অ্যান্টি-ডোপিং ডিসিপ্লিনারি প্যানেল তাঁকে ডোপিং অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে এবং ২০২১ সাল থেকে চার বছরের জন্য নির্বাসিত করে।
২০২৫ সাল পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকার কথা ছিল। কিন্তু নাডার অ্যাপিল প্যানেলের সামনে তিনি সফলভাবে যুক্তি দিতে সক্ষম হন যে, তাঁর ডোপ পরীক্ষায় ব্যর্থতার পিছনে খারাপ কিটস দায়ী ছিল। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে অ্যাপিল প্যানেল শিবপালের যুক্তি মেনে নেয় এবং নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ চার বছর থেকে কমিয়ে মাত্র এক বছর করে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে তিনি আবারও ট্র্যাকে ফিরে আসেন এবং সেই বছরের জুন মাসে ভুবনেশ্বরে জাতীয় আন্তঃরাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। ২০২৩ সালে গোয়ায় জাতীয় গেমসেও তিনি সোনা জিতেছিলেন।
❤ Support Us







