Advertisement
  • দে । শ
  • জুলাই ৭, ২০২৬

কঠোর পরীক্ষায় সফল, আধাসেনার হাতে দেশীয় ‘উগ্রম’ রাইফেল। ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণেও প্রবেশ আদানির  

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কঠোর পরীক্ষায় সফল, আধাসেনার হাতে দেশীয় ‘উগ্রম’ রাইফেল। ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণেও প্রবেশ আদানির  

ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভরতা’র লক্ষ্যে একই দিনে সামনে এল দুই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির খবর। একদিকে, মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে তৈরি দেশীয় ব্যাটল রাইফেল ‘উগ্রম’ সেনাবাহিনী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীগুলির (সিএপিএফ) হাতে পৌঁছনোর পথে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশের শিবপুরীতে ২,৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বেসরকারি সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করল ‘আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস’। দুই প্রকল্পই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

তেলঙ্গানার হায়দ্রাবাদ-ভিত্তিক স্টার্টআপ ‘দ্বীপা ডিফেন্স’-এর তৈরি ৭.৬২×৫১ মিমি ক্যালিবারের ‘উগ্রম’ রাইফেলটি প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) অধীনস্থ ‘আর্মামেন্ট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট’ (এআরডিই)-এর সহযোগিতায় তৈরি হয়েছে। নকশা তৈরির সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় আধাসেনা এবং বিভিন্ন রাজ্যের কাউন্টার ইনসারজেন্সি বা জঙ্গি-বিরোধী বিশেষ বাহিনীর প্রয়োজনীয়তাকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে জম্মু-কাশ্মীর, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং নকশালপ্রবণ অঞ্চলে অভিযানের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করেই অস্ত্রটির বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা সূত্রের দাবি।

সংস্থার দাবি, নকশা থেকে কার্যকর অস্ত্র তৈরি— গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে। ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পে এত কম সময়ে দেশীয় ‘ব্যাটল রাইফেল’ তৈরি নজিরবিহীন বলেই দাবি করা হচ্ছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, রাইফেলটি ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘জেনারেল স্টাফ কোয়ালিটেটিভ রিকোয়ারমেন্ট’ (জিএসকিউআর) অনুযায়ী সমস্ত পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন  করেছে। বিভিন্ন ভৌগোলিক পরিবেশ ও প্রতিকূল জলবায়ুতে দীর্ঘ সময় ধরে ‘ফিল্ড ট্রায়াল’-এর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বোর্ড-এর বিশেষ পরীক্ষাতেও অস্ত্রটি উত্তীর্ণ হয়েছে। এর পরেই কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (সিআরপিএফ), ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি), সীমা সুরক্ষা বল (এসএসবি) এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)-এর জন্য রাইফেলটি কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

‘দ্বীপা ডিফেন্স’-এর শীর্ষ কর্মকর্তা শিবু জোসেফ জানান, ২০২১ সালে সংস্থাটি উৎপাদনের লাইসেন্স পায়। সে সময় থেকেই হায়দ্রাবাদে তেলঙ্গানা সরকারের দেওয়া ১৩ একরেরও বেশি জমিতে অত্যাধুনিক উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। বর্তমানে সংস্থা ১০০টিরও বেশি দেশীয় অস্ত্র ব্যবস্থা ও তাদের বিভিন্ন সংস্করণ তৈরি করেছে। এর মধ্যে ‘উগ্রম’-কেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংস্থার দাবি, ‘উগ্রম’-এ আধুনিক ‘গ্যাস-অপারেটেড রোটেটিং বোল্ট’ ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে। রাইফেলের ওজন চার কিলোগ্রামেরও কম এবং কার্যকর পাল্লা প্রায় ৫০০ মিটার। দীর্ঘ সময় ধরে নির্ভরযোগ্যতা, স্থায়িত্ব এবং কার্যক্ষমতার পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। শুধু এ রাইফেলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না ‘দ্বীপা ডিফেন্স’। ইতিমধ্যেই সংস্থা দেশীয় সাব-মেশিনগান, অ্যাসল্ট রাইফেল, আল্ট্রা-লাইট মেশিনগান, কার্বাইন এবং অ্যান্টি-ড্রোন অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়নেও কাজ করছে। তাদের অস্ত্র পরিবারের মধ্যে রয়েছে ইউ-১৯ সাব-মেশিনগান, ইউ-৪৫ অ্যাসল্ট রাইফেল, ইউ-৩৯ প্ল্যাটফর্ম এবং আল্ট্রা-লাইট মেশিনগান (ইউএলএমজি)। পাশাপাশি ‘উগ্রম’-এর নকশার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হচ্ছে অস্ত্রসজ্জিত অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, সেনাবাহিনীর ট্রায়াল সফলভাবে শেষ হওয়ার পর কেন্দ্রীয় বাহিনীগুলিতে এই অস্ত্রের অন্তর্ভুক্তি শুরু হলে ছোটো অস্ত্রের ক্ষেত্রে বিদেশি আমদানির উপর ভারতের নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে। অস্ত্র উৎপাদনে দেশীয় প্রযুক্তির সক্ষমতা, বেসরকারি শিল্পের অংশগ্রহণ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে। এমন এক সময়ে এ সাফল্য এসেছে, যখন আন্তর্জাতিক সংঘাত, সরবরাহ শৃঙ্খলের অনিশ্চয়তা এবং বিদেশি অস্ত্র আমদানির জটিলতা ভারতের প্রতিরক্ষা নীতিকে ক্রমশ দেশীয় উৎপাদনের দিকে আরও বেশি করে ঝুঁকতে বাধ্য করছে। একই সঙ্গে হায়দ্রাবাদও দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উঠে আসবে।

প্রতিরক্ষা মহলের মতে, দেশের বিভিন্ন আধাসামরিক বাহিনীর জন্য এই ক্যালিবার বেছে নেওয়ার পিছনে নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে। বর্তমানে বহু কেন্দ্রীয় বাহিনী এখনও ৫.৫৬ মিলিমিটার ক্যালিবারের আইএনএসএএস রাইফেল ব্যবহার করে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই রাইফেল দীর্ঘদিন ভারতের সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর প্রধান অস্ত্র ছিল। কার্যকর পাল্লা প্রায় ৪০০ মিটার হলেও তুলনামূলকভাবে হালকা গুলির কারণে এর মারণক্ষমতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ঘন জঙ্গল, পাহাড়ি এলাকা কিংবা সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী অভিযানে অধিক শক্তিশালী গুলির প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছে। সে কারণেই ৭.৬২ মিলিমিটার ক্যালিবারের অস্ত্রের দিকে ঝুঁকছে নিরাপত্তা বাহিনী।

বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পদাতিক বাহিনীর প্রধান অস্ত্র একে-২০৩, যা রাশিয়ার ‘কালাশনিকভ কনসার্ন’-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের অমেঠীতে এই রাইফেলের উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। কালাশনিকভ পরিবারের আধুনিকতম সদস্য হিসেবে পরিচিত এ রাইফেল বিভিন্ন প্রতিকূল আবহাওয়ায় কার্যকর বলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও স্বীকৃত। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে সরবরাহ ব্যবস্থা এবং উৎপাদনের গতি কিছুটা প্রভাবিত হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সে প্রেক্ষাপটে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘উগ্রম’-এর সাফল্যকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশ।

সেনাবাহিনীতে এই নতুন রাইফেলের সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তি পশ্চিমবঙ্গের কাছেও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের সবচেয়ে দীর্ঘ অংশ পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়েই গিয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং— এই বিস্তীর্ণ সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে বিএসএফ। সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, জঙ্গি অনুপ্রবেশ রোধ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা অভিযানে যদি ভবিষ্যতে বিএসএফের হাতে ‘উগ্রম’ তুলে দেওয়া হয়, তবে সীমান্তরক্ষীদের অস্ত্রভাণ্ডারে একটি নতুন সংযোজন ঘটবে। একই সঙ্গে এই সাফল্য নতুন করে আলোচনায় এনেছে উত্তর ২৪ পরগনার ইছাপুর রাইফেল ফ্যাক্টরিকে। ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহাসিক কারখানাতেই একসময় তৈরি হয়েছে লি-এনফিল্ড, এসএলআর, ইছাপুর ২এ১ এবং পরবর্তীকালে ভারতের নিজস্ব আইএনএসএএস রাইফেল, যা কার্গিল যুদ্ধেও ব্যবহৃত হয়েছিল। কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দেশীয় রাইফেল প্রকল্পে ইছাপুরের পরিবর্তে বেসরকারি সংস্থার নেতৃত্বে নতুন উদ্যোগ সামনে আসায় প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিবর্তিত চরিত্র নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। শতাব্দীপ্রাচীন দক্ষতা ও পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও কেন নতুন প্রজন্মের অস্ত্র উন্নয়নে রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলির ভূমিকা তুলনামূলকভাবে সীমিত হচ্ছে, সে প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।

অন্যদিকে, দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে মধ্যপ্রদেশের শিবপুরীতে ২,৫০০ কোটি টাকার সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলছে ‘আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস’। রবিবার ওই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব এবং কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ ও ইস্পাতমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। আদানি গোষ্ঠীর দাবি, এটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম বেসরকারি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র এবং ভারতের প্রথম এমন প্রকল্প, যেখানে কাঁচামাল থেকে শুরু করে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের উপযোগী সম্পূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র— উৎপাদনের গোটা শৃঙ্খল একই জায়গার মধ্যে সম্পন্ন হবে। এ প্রকল্পে থাকবে একটি ‘মিসাইল কমপ্লেক্স’, একটি ‘কম্পোজিট প্রোপেল্যান্ট কমপ্লেক্স’ এবং একটি ‘টিএনটি কমপ্লেক্স’। অর্থাৎ ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজনের পাশাপাশি প্রোপেল্যান্ট, বিস্ফোরক এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদানও একই স্থানে তৈরি হবে। বর্তমানে এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন ব্যবস্থা মূলত সরকারি প্রতিরক্ষা কারখানাগুলির মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে আদানি এন্টারপ্রাইজেসের ডিরেক্টর জিৎ আদানি বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করাই সংস্থার মূল লক্ষ্য। তাঁর কথায়, কাঁচামাল থেকে যুদ্ধ-প্রস্তুত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া একই ছাদের নিচে আনার মাধ্যমে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। আগামী তিন বছরে ধাপে ধাপে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্থার আরও দাবি, নতুন কারখানাটি ‘ডিআরডিও’-র গবেষণাগারে সফল প্রযুক্তির দ্রুত শিল্পোৎপাদনে সহায়তা করবে। ফলে আগামী প্রজন্মের মাঝারি ও দীর্ঘ-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত সশস্ত্র বাহিনীর হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। পাশাপাশি ভারতকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নির্ভুল লক্ষ্যভেদী অস্ত্রের নির্ভরযোগ্য উৎপাদক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে এ প্রকল্প।

মধ্যপ্রদেশ সরকারের মতে, প্রকল্পটি স্থানীয় শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হওয়ার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলিও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। গত কয়েক বছরে অধিগ্রহণ এবং নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দ্রুত নিজেদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে ‘আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস’। কানপুরে ইতিমধ্যেই সংস্থার ৫০০ একর জুড়ে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। শিবপুরীর নতুন প্রকল্প চালু হলে সেটিই হবে আদানির দ্বিতীয় বৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, এর ফলে এত দিন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির প্রাধান্য থাকা এই ক্ষেত্রে বেসরকারি অংশগ্রহণ আরও বাড়বে এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনের সক্ষমতাও নতুন উচ্চতায় পৌঁছতে পারে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!