- বি। দে । শ
- মার্চ ৯, ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধসংকটে আলোচনাই একমাত্র পথ, সংযমের বার্তা ভারতের
পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানালেন, বর্তমান সংকটের সমাধানে আলোচনা ও কূটনীতিই একমাত্র কার্যকর পথ। তিনি সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
বিদেশমন্ত্রী জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-এর মাটিতে যৌথ হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল। সেই হামলায় নিহত হন ইরানের সুপ্রিম নেতা খামেইনেই। এই ঘটনার পর তেহরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায়। ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে উত্তেজনা ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।
এই গুরুতর পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এস. জয়শঙ্কর বলেন, “আলোচনা ও কূটনীতি দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ। ২৮ ফেব্রুয়ারি আমাদের সরকার একটি বিবৃতি জারি করে এই যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল এবং সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছিল। আমরা মনে করি উত্তেজনা প্রশমনে সংলাপ ও কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করাই উচিত।”
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গোটা পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজর রাখছেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিদেশমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা সরকারের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সেখানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে অবস্থিত তেহরানের ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণ সক্রিয় রয়েছে এবং যুদ্ধে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের সাহায্য করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও ইরানকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া সামগ্রিক সংকট পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ১ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি, অর্থাৎ কেবিনেট কমিটি অফ সিকিউরিটি-র বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের উপর জোর দেওয়া হয়।
❤ Support Us








