- এই মুহূর্তে দে । শ
- ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
ক্ষিতি কনিষ্ঠার পদ্মযোগ, জোড়াফুলের কাউন্সিলর দিদি বসুন্ধরা
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এরই মাঝে প্রয়াত প্রাক্তন বামমন্ত্রী ও আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামী-র ছোট মেয়ে কস্তুরী গোস্বামী যোগ দিলেন ভারতীয় জনতা পার্টি-তে। ভোটের আগে এই যোগদানকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য দফতরে আয়োজিত কর্মসূচিতে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নেতা শংকর ঘোষ-এর উপস্থিতিতে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেন কস্তুরী। তিনি আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ক্ষিতি গোস্বামী ছিলেন আরএসপি-র প্রভাবশালী নেতা। তবে তাঁর স্ত্রী ও মেয়েদের সঙ্গে দলের সম্পর্ক বিশেষ ভালো ছিল না বলেই রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ক্ষিতি গোস্বামীর স্ত্রী রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন হন। ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ক্ষিতি গোস্বামীর মৃত্যু হয়।
এরপর বড় মেয়ে বসুন্ধরা গোস্বামীর তৃণমূলে যোগদানের জল্পনা তৈরি হয়। ২০২১ সালের কলকাতা পুরভোটের আগে কারাদপ্তরের চাকরি ছেড়ে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। ৯৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়ে জেতেন এবং বর্তমানে তিনি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
এবার ছোট মেয়ে কস্তুরীর বিজেপিতে যোগে দুই বোনের রাজনৈতিক অবস্থান দুই ভিন্ন শিবিরে স্পষ্ট হয়ে গেল। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংগঠন মজবুত করে বিরোধীদের টক্কর দিতে তৎপর দলীয় নেতৃত্ব। সেই প্রেক্ষাপটে কস্তুরীর যোগদান বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিন বিজেপিতে আরও যোগ দেন প্রাক্তন এনএসজি কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তী, প্রাক্তন সিআরপিএফ কর্তা বিপ্লব বিশ্বাস এবং শিল্পোদ্যোগী ডঃ অক্ষয় বিঞ্জেরকা। যোগদান পর্বের পর ‘আঁধারের কত কথা’ শীর্ষক একটি বই প্রকাশ করা হয়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, বইটিতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক হিংসা সংক্রান্ত একাধিক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করাই এই প্রকাশনার উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনের শেষ পর্বে আত্মবিশ্বাসী সুরে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী বা এসআইআর কিছু হোক আর না হোক, ইডি-সিবিআই অফিস বন্ধ করে দিলেও বিজেপি আসবে, তৃণমূল হারবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
❤ Support Us








