Advertisement
  • ব | ই | চ | র্যা রোব-e-বর্ণ
  • জুলাই ১০, ২০২২

লেন্সে ছবি আঁকার পত্রিকা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
লেন্সে ছবি আঁকার পত্রিকা

ক্যামেরায় ছবি আঁকা আর আলো লেখার পত্রিকা বাংলায় ছিল না।এ শূন্যতা এবার মুছে দিল ‘থার্ড আই’। ঝকঝকে বৈচিত্রময় ৩২ পৃষ্ঠার পত্রিকা। দামী কাগজে ছাপা, দামী লেখায় ভরপুর। সম্পাদক, সুপরিচিত আলোকচিত্রী অতনু পাল। অতনু সবুজায়িত জবরদস্ত সংগঠক।ঐক্যে বিশ্বাসী, একক প্রচেষ্টায় অনাগ্রহী।তাঁর সহযোগীদের প্রত্যেকেই ক্যামেরার লেন্সে পরিবেশ, প্রতিবেশ, প্রকৃতি, নগর জীবনের ছবি আঁকেন। বলা উচিত ভেতরের ভেতরকে নিয়ে আসেন বাইরে। প্রায়ই তাঁদের প্রদর্শনীর আয়োজন, আর বিস্তার মুগ্ধ করে দেয় আমাদের। তাঁদের দীপ্তির লড়াইকে করোনার মতো সর্বনাশা, সহসঘাতী অসুখ রুখতে পারেনি।বরং তাঁরা ভার্চুয়াল ছবি সাজিয়ে সংক্রমণকে থমকে দিয়েছেন বারবার। নবীন প্রবীন আলোকচিত্রীদের এই দুঃসাহস, যুদ্ধ জয়েই সম্ভবত, চিত্র পত্রিকার প্রকাশকে, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাকে এগিয়ে আনল।

আশা করি দ্বিতীয় চোখের তাৎক্ষণিকতাকে দূরে সরিয়ে গণমাধ্যম মুক্তচিত্তে অনুভব করবে, মুদ্রিত বয়ানের চেয়ে তৃতীয় নয়নের পর্যবেক্ষণ আর অন্তরদর্শনের সামাজিক গুরুত্ব অনেক বেশি। এরকম অনুভূতির বিস্তারে থার্ড আই চিন্তার দ্বীপপূঞ্জকে একত্রিত করে অখণ্ডের সাধনা আর লক্ষ্যের ওপর নিঃসন্দেহে সৃজনের নবীন আলো ফেলবে। প্রথম সংখ্যায় সূচিবিন্যাসেই তাঁর বহুমাত্রিক অভিপ্রায়ের স্পষ্টতা দেখে পুলকিত বোধ করছি। লিখছেন, বিমল কুণ্ডু, মৃণাল ঘোষ, হিরণ মিত্র, অতনু পাল, সুব্রত ঘোষ থেকে শুরু করে নানা অঙ্গনের ২৫ লেখক। এরকম এক পত্রিকার প্রচ্ছদলিপি চিরসবুজ হিরণ মিত্র ছাড়া আর কে আঁকবেন।প্রচ্ছদে উদ্ভাসিত স্বাভাভিক ভাবেই অতণুর ব্যঞ্জনা। থার্ড আই যে দীর্ঘজীবি হতে চায়, পৌঁছতে চায় বহু হাতে, তারই ছবি পত্রিকা বিক্রির নির্বাচিত স্টল আর এজেন্সির তালিকাতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শহরের একাধিক মুখ, কলেজস্ট্রিটের পাতিরাম থেকে, ডেকার্স লেনের রবি সাহা সহ সাতটি সংস্থাকে বেছে নিয়েছেন উদ্যোক্তারা। ভালো উদ্যোগে, ভালো সহযোগীতার চমৎকার লক্ষণ।

পত্রিকা: থার্ড আই    মূল্য: ১০০ টাকা


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!