- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫
বাজারে ছেয়ে গেছে নকল ওষুধ, আমতায় হদিশ মিলল জাল ওষুধ গোডাউনের
অসুস্থ রোগীর সুস্থ হওয়ার একমাত্র ভরসা হল ওষুধ৷ কিন্তু এই ওষুধের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে চরম বিপদ৷ যা, না জেনেই খেয়ে নিচ্ছে রোগীরা৷ বাংলাজুড়ে দেদার বিকোচ্ছে নকল ওষুধ ৷ হাওড়ার আমতা থেকে উদ্ধার ২০ লক্ষ টাকার জাল অষুধ। মোট ১ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকার ডায়াবেটিক ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জাল ওষুধ ছড়িয়ে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে।
প্রায় প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ ডায়াবেটিক অথবা রক্তচাপ জনিত রোগে আক্রান্ত।নিয়ম করে ওষুধ খান অনেকেই।অসুস্থ রোগীর সুস্থ হওয়ার একমাত্র ভরসা সে অষুধ জাল হচ্ছে বাংলায়। না দেখেই তা খেয়ে নিচ্ছেন রোগীরা৷ দেদার বিকোচ্ছে নকল ওষুধ ৷ এমনই ওষুধে ভর্তি বিশাল গুদামের খোঁজ মিলল হাওড়ার আমতায়। সেখানে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার রক্তচাপের জাল ওষুধের বাজেয়াপ্ত করেছে রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল। এদিন জাল ওষুধের কারবারিদের ধরতে আমতায় হানা দেয় রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলের আধিকারিকরা। জাল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে এক ওষুধের হোলসেলারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ড সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রায় ১ কোটি ৪৯ লক্ষ টাকার জাল ওষুধ ছড়িয়ে পড়েছে ।
জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ মতো এখন ৩০০টির বেশি জীবনদায়ী অষুধের উপর কিউয়ার কোড লাগিয়েছে ওষুধ কম্পানিগুলো। যা স্ক্যান করলেই ওষুধ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য উঠে আসে। কিন্তু সেই কিউ-আর জাল করে নকল অষুধ বিক্রি করছে অসাধু চক্রেরা, ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার পক্ষ এরকম অভিযোগ পেয়ে সক্রিয় হন রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলের আধিকারিকরা। তদন্তে উঠে আসে আমতার ওই ওষুধ সরবহারকারী সংস্থার নাম। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেখানে এক হোলসেলারের গুদামে হানা দিতে কার্যত চোখ কপালে উঠে যায় ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগের আধিকারিকদের। প্রায় ২০ লক্ষ টাকা মূল্যের নকল ওষুধ বাজেয়াপ্ত করা হয়।
ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ড সূত্রে খবর, জাল ওষুধের চক্রে একাধিক ডিস্ট্রিবিউটর যুক্ত রয়েছে। ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমেই গোটা রাজ্যে এখন জাল ওষুধের রমরমা। ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে, নতুন তথ্য বা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।
❤ Support Us







