- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- জুলাই ১৪, ২০২৫
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী পিএসজি–কে উড়িয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন চেলসি
কদিন আগেই রিয়েল মাদ্রিদের মতো দলকে সেমিফাইনালে ৪–০ ব্যবধানে উড়িয়ে ফাইনালে উঠে এসেছিল পিএসজি। অনেকেই ভেবেছিল পিএসজি–র ক্লাব বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা সময়ের অপেক্ষা। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ীকে ৩–০ ব্যবধানে উড়িয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হল চেলসি। জোড়া গোল করে চেলসির জয়ের নায়ক কোল পারমার। বাকি গোলটি করকেন জোয়াও পেদ্রো। ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩ গোল।
নিউ জার্সির মেট লাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ম্যাচের শুরু থেকেই পিএসজিকে চেপে ধরে চেলসি। আসলে চেলসি চেয়েছিল পিএসজিকে কোনও রকম সুযোগ না দিয়ে ম্যাচের শুরুতেই গোল তুলে নেওয়া। ম্যাচের ৮ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল চেলসির সামনে। কোল পালমারের বাঁকানো শট পিএসজি–র পোস্টে লেগে বেরিয়ে যায়। তবে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি চেলসিকে। ২২ মিনিটে মাথায় মালো গুস্তোর পাস ধরে বক্সের মাথা থেকে বাঁ পায়ের নিচু শটে গোল করেন পালমার।
৩০ মিনিটেই ২–০ করে ফেলে চেলসি। লেভি কোলউইলের কাছ থেকে বল পেয়ে ডান প্রান্ত দিয়ে পিএসজি–র বক্সে ঢুকে পড়েন পালমার। এবারও সেই বাঁপায়ের নিচু শটে পরাস্ত করেন ডোন্নারুম্মাকে। পিএসজি গোলকিপার দু–দুটি দুরন্ত সেভ না করলে ৪০ মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান আরও বাড়ত। তবে ৪৩ মিনিটে চেলসির ব্যবধান বাড়ানো আটকাতে পারেননি ডোন্নারুম্মা। পালমারের ডিফেন্স চেরা থ্রু ধরে তাঁর কাঁধের ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান চেলসির ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার জোয়াও পেদ্রো। তবে পিএসজিও বেশ কয়েকটা গোলের সুযোগ পেয়েছিল। কাজে লাগাতে পারেননি নেভেস, ডেজিরে ডুয়েরা।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে পিএসজি। ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে। কারণ, ৩ গোলের ব্যবধান কমিয়ে জেতা সম্ভব ছিল না। তবে লজ্জার হাত থেকে বাঁচত। যদি না ডেম্বেলে, কাভারাস্কাইয়ারা গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট না করতেন। তবে প্রশংসা করতে হবে চেলসি গোলকিপার রবার্ট স্যাঞ্চেজের। তিনি ৬–৬টি দুরন্ত সেভ করেন। ৮৫ মিনিটে চেলসি লেফট ব্যাক মার্ক কুকুরেল্লার চুল তাঁকে ফেলে দিয়ে লাল কার্ড দেখেন পিএসজি–র মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস। নেভেস লাল কার্ড দেখার পর ম্যাচে উত্তেজনা ছড়ায়। ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন পিএসজি কোচ লুই এনরিকে, ডোন্নারুম্মা ও চেলসির খেলোয়াড়রা।
❤ Support Us








