Advertisement
  • ন | ন্দ | ন | চ | ত্ব | র
  • সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫

যাত্রাপালায় সম্প্রীতির বার্তা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
যাত্রাপালায় সম্প্রীতির বার্তা

সম্প্রীতির বার্তা ছড়াতে ‘লোকশিক্ষে’র অন্যতম মাধ্যম যাত্রাপালাকে ঢাল করল কাটোয়ার শীর্ষ সংস্কৃতি-সংস্থা ‘ভাষা সদন’। মঞ্চস্থ করল ভৈরব গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা যাত্রাপালা ‘নাচমহল’। যে পালার পাতায় পাতায় আঁকা বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির জয়গৌরব আর হিন্দু-মুসলমানের সম্প্রীতির নিশান। কাটোয়ার সংহতি প্রেক্ষাগৃহে অভিনীত এই যাত্রাপালার নির্দেশনায় ছিলেন কাটোয়া কলেজের অধ্যাপক তারাশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। অভিনেতার তালিকায় তুষার পণ্ডিত, শ্রীমন্ত মজুমদার, প্রতাপ মজুমদার, জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী, দিনেন ভট্টাচার্য, রামপ্রসাদ দাস, ছন্দা দাস, বিজয় অধিকারী, সাধন হাজরা, টুকাই সামন্ত, মৌসুমী মণ্ডলদের মত বিশিষ্ট নট-নটীরা। দর্শকাসনেও ঠাসা মহকুমার সংস্কৃতি-বলয়ের পরিচিত মুখের দল।

এই নাট্যের উপদেষ্টা সুপ্রভাত চ্যাটার্জি, ভাষা সদনের কর্ণধার তুষার পণ্ডিতদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, যাত্রাপালার পটভূমি নবাব মুর্শিদকুলি খাঁয়ের সঙ্গে কালনা মহকুমার সমুদ্রগড়ের রাজা সমুদ্র সেনের খাজনা সংক্রান্ত বিবাদ। সমুদ্র সেন ও তাঁর পরিবার আর চৈতন্য দাস, কাশেম আলি, খশবু বিবিদের মত বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় জানকবুল একদল প্রজার হাত ধরে উঠে এসেছে বাংলার সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির ঝাণ্ডার উড়ান। যা শেষ পর্যন্ত নবাব মুর্শিদকুলির ‘ঘুম’ ভাঙিয়ে দেয়। দর্শকাসনে ঠায় বসা কাটোয়ার পুরপ্রধান সমীর সাহা, প্রবীণ চিকিৎসক পরেশনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি অসিত ব্যানার্জিরা বলছিলেন, ‘এই যাত্রাপালার মঞ্চায়নের মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি এবং সবার উপরে সম্প্রীতির যে বার্তা ছড়ানো হচ্ছে, তা আজও সমান প্রাসঙ্গিক। এই পালা আবার আমাদের মনে করিয়ে দিল বাংলার হিন্দু-মুসলমান একই বৃন্তে দুইটি কুসুমই।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!