- দে । শ
- জুলাই ৯, ২০২৬
বারুইপুরের ঘটনায় গ্রেফতার আরও ২২, রাতভর পুলিশি অভিযান
বারুইপুরে কিশোরীর দেহ উদ্ধারের পর ছড়িয়ে পড়া সহিংসতা, গণপিটুনি, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে পুলিশ। বুধবার ১৮ জনকে গ্রেফতারের পর রাতভর অভিযান চালিয়ে আরও ২২ জনকে আটক করা হয়েছে। ফলে এই ঘটনায় মোট গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪০।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিও ও ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বৃহস্পতিবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে। একই সঙ্গে বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার, যখন বারুইপুরে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় সন্দেহের বশে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়। পাশাপাশি রেল ও সড়ক অবরোধ, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর এবং পুলিশকর্মীদের উপর হামলার মতো একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। এমনকি রেললাইন উপড়ে ফেলার অভিযোগও উঠেছে।
ঘটনার পরই নাবালিকার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দ্রুত বিচার এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি বারুইপুরে তাণ্ডব ও গণপিটুনিতে জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, গণপিটুনির ঘটনার নেপথ্যে সাম্প্রদায়িক উস্কানি থাকতে পারে। তাঁর অভিযোগ, নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের প্ররোচনায় এলাকায় অশান্তি ছড়ানো হয়েছে। গত সোমবার তিনি বলেন, “বাকি যাঁরা ‘অতৃপ্ত আত্মা’ রয়েছেন, ভোটে হেরে যাঁরা ঘরে ঢুকে গিয়েছিলেন, এখনও ঘরে রয়েছেন, তিন জন মিলে যে তিনটে কাণ্ড করেছেন, তাঁদেরও ভুগতে হবে। এমন ভোগাব বুঝতে পারবে।”
এর পর মঙ্গলবার বারুইপুরে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর যাঁকে সন্দেহভাজন ভেবে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল, তিনি নির্দোষ ছিলেন।
এদিকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বারুইপুরে সংঘটিত তাণ্ডবের বিভিন্ন ভিডিও বিশ্লেষণ করে প্রায় ২০০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, আইন হাতে তুলে নেওয়া বা অশান্তি ছড়ানোর সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না। একই সঙ্গে যাঁরা এই ঘটনায় উস্কানি দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিও ও ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বৃহস্পতিবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে। একই সঙ্গে বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার, যখন বারুইপুরে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় সন্দেহের বশে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়। পাশাপাশি রেল ও সড়ক অবরোধ, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর এবং পুলিশকর্মীদের উপর হামলার মতো একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। এমনকি রেললাইন উপড়ে ফেলার অভিযোগও উঠেছে।
ঘটনার পরই নাবালিকার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দ্রুত বিচার এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি বারুইপুরে তাণ্ডব ও গণপিটুনিতে জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, গণপিটুনির ঘটনার নেপথ্যে সাম্প্রদায়িক উস্কানি থাকতে পারে। তাঁর অভিযোগ, নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের প্ররোচনায় এলাকায় অশান্তি ছড়ানো হয়েছে। গত সোমবার তিনি বলেন, “বাকি যাঁরা ‘অতৃপ্ত আত্মা’ রয়েছেন, ভোটে হেরে যাঁরা ঘরে ঢুকে গিয়েছিলেন, এখনও ঘরে রয়েছেন, তিন জন মিলে যে তিনটে কাণ্ড করেছেন, তাঁদেরও ভুগতে হবে। এমন ভোগাব বুঝতে পারবে।”
এর পর মঙ্গলবার বারুইপুরে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর যাঁকে সন্দেহভাজন ভেবে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল, তিনি নির্দোষ ছিলেন।
এদিকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বারুইপুরে সংঘটিত তাণ্ডবের বিভিন্ন ভিডিও বিশ্লেষণ করে প্রায় ২০০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, আইন হাতে তুলে নেওয়া বা অশান্তি ছড়ানোর সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না। একই সঙ্গে যাঁরা এই ঘটনায় উস্কানি দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
❤ Support Us







