- দে । শ
- জুন ২৪, ২০২৬
তমন্না হত্যার দায়ে গ্রেফতার আরও দুই
নদিয়ার কালীগঞ্জের তমন্না খুনকাণ্ডে ফের বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। বিধানসভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ের হত্যার বিচার চাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হল মামলার দুই পলাতক অভিযুক্তকে। এই গ্রেফতারির ফলে তমন্না হত্যা মামলায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩-তে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মুর্শিদাবাদের একটি ডেরায় হানা দেয় কালীগঞ্জ থানার পুলিশ। সেখান থেকেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কালীগঞ্জে নিয়ে আসা হয়। বুধবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পর তাঁদের আদালতে তোলা হবে। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
এই গ্রেফতারির খবরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তমন্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলাম যে অপরাধীরা লুকিয়ে নেই, বরং তাদের আড়াল করে রাখা হয়েছে। এর পিছনে কিছু তৃণমূল নেতার সমর্থন ছিল বলেও আমার অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর আশ্বস্ত হয়েছিলাম, কিন্তু এত দ্রুত পুলিশ পদক্ষেপ করবে তা ভাবিনি। আশা করছি বাকি অভিযুক্তদেরও দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের এই তৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি বিশ্বাস করি, আমার মেয়ে তমন্না সুবিচার পাবে।”
মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বক্তব্যে তমন্না খুনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের বিজেপি সরকার এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর। অধিবেশন শেষে তমন্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম নেত্রী মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং সিপিএম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান। বৈঠকের পর তাঁরা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে সুবিচারের আশ্বাস পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের উল্লাস চলাকালীন ছোট্ট তমন্নার উপর বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীদের দিকে। ওই উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ জয়ী হন এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি পুনরায় জয়লাভ করেন।
এদিকে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম তমন্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রার্থী করেছিল। মঙ্গলবার বিধানসভায় তমন্না খুনকাণ্ড নিয়ে আলোচনা চলাকালীন আলিফা আহমেদকেও বিরোধীদের একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে মামলাটি নতুন রাজনৈতিক মাত্রা পেয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বক্তব্যে তমন্না খুনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের বিজেপি সরকার এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর। অধিবেশন শেষে তমন্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম নেত্রী মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং সিপিএম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান। বৈঠকের পর তাঁরা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে সুবিচারের আশ্বাস পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের উল্লাস চলাকালীন ছোট্ট তমন্নার উপর বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীদের দিকে। ওই উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ জয়ী হন এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি পুনরায় জয়লাভ করেন।
এদিকে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম তমন্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রার্থী করেছিল। মঙ্গলবার বিধানসভায় তমন্না খুনকাণ্ড নিয়ে আলোচনা চলাকালীন আলিফা আহমেদকেও বিরোধীদের একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে মামলাটি নতুন রাজনৈতিক মাত্রা পেয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
❤ Support Us







