- ধা | রা | বা | হি | ক রোব-e-বর্ণ
- জুন ১, ২০২৫
হিরণবালা । পর্ব ৭
দেশভাগ নিয়ে ভাবতে গেলেই রাজনীতির কথা চলে আসে । গান্ধীজিকে হিরণবালার মোটের ওপর ভালোই লাগে । আবার নেতাজিকেও ওর বড্ড পছন্দ । কংগ্রেসে মাতঙ্গিনী হাজরার মতো মহিলা ক-জন আছে ? গান্ধীজির কি উচিত ছিল না মেয়েদের মধ্যে থেকেও একজন দু-জনকে নেতাজি বা জহরলাল নেহেরুর মতো নেত্রী বানানো ? কোনোদিনও যদি সুযোগ হয়, তবে ও নিশ্চয়ই আড্ডায় ওর বিশ্বাসমতো কয়েকটা কথা বলবে... তারপর
৯
“ তোমাদিগের জন্য চিন্তা হয় খুবই। তোমার চিঠি এলে নিশ্চিন্ত হই। চিঠি ছাড়া আর তো খবর নেওয়ার কোনো উপায় নাই। আমি এবং মা মোটামুটি ভালো আছি। দাদার চিঠিও বহুদিন পাই নাই। দিদিরা কুশলে আছে। এই চিঠি পাওয়া মাত্র উত্তর দিবে ।”
বাবার চিঠি এসে পৌঁছেছে। বাবা হিরণকে এমনিতে ডাকে তুই, কিন্তু চিঠিতে লেখে তুমি। চিঠিটা পড়তে পড়তে হিরণ যেন বাবার গলার স্বর শুনতে পায়, “তোগো লাইগ্যা চিন্তা হয় খুবই। তর চিঠি আইলে নিশ্চিন্ত হই। চিঠি ছাড়া আর তো খবর লওনের কোনো উপায় নাই…”, হিরণ শুনেছে গলার স্বর রেকর্ড করে রাখার যন্ত্র এখন নাকি সহজেই কিনতে পাওয়া যায়। তাকে বলে টেপ রেকর্ডার। সাধারণ লোকেরাও এই যন্ত্র ব্যবহার করতে পারে। তবে দাম আছে। হিরণের অবশ্য এই যন্ত্র লাগে না। বাবার চিঠি এলেই ও স্পষ্ট বাবার গলার স্বর শুনতে পায়। মানুষের কানের চেয়ে বড়ো যন্ত্র বিজ্ঞানীরা আর কি বানাতে পারবেন ?
বাবার চিঠি পড়তে পড়তে হিরণের চোখ জলে ভরে আসে। অপরাধবোধ হয়। কাঁথিতে আসার পর প্রথম প্রথম পনেরো দিন পর পর নিয়ম করে বাবাকে চিঠি লিখত হিরণ। এখন সে নিজেই চিঠি লিখতে পারে। সাহায্য লাগে না। কিন্তু গত একমাস সে বাবাকে চিঠি লিখতে ভুলেই গিয়েছিল। অনেকবার মনে হয়েছে আজ বসে লিখবে চিঠি, কিন্তু শেষমেশ আর লিখে ওঠা হয়নি। আসলে মানুষের জীবন এরকমই। কেউ একজন অপেক্ষা করে আছে দূরে কুশল সংবাদটুকু পাওয়ার জন্য জেনেও মানুষ কাজের চাপে অনেক সময় এই সামান্য কুশল সংবাদটুকুই দিয়ে উঠতে পারে না। সবচেয়ে কাছের মানুষও যখন দূরে থাকে, তখন সে একজনের জীবনের একটু বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকে, সেই জীবনের বাইরে, যে-জীবনের ছোটো ছোটো দাবি আর প্রয়োজন থাকে। সকালবেলার তরিতরকারি আর মাছ কেনার মতো কাজ তখন একটা চিঠি লেখার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জীবনের দুই দাবির মধ্যে এ যেন এক সংঘাত। এক দাবি মেটাতে গিয়ে আর এক দাবির দিকে মনোযোগ দেওয়া হয় না। অজান্তেই এমন অপরাধ হয়ে যায় যার ক্ষমা হওয়া মুশকিলের। চোখ মুছে হিরণ কাগজ কলম নিয়ে বাবাকে চিঠি লিখতে বসে যায়।
সুশীল জানার দৃষ্টি একেবারেই ভালো লাগেনি হিরণের। চোখ দিয়ে লোকটা যেন গিলে খাচ্ছিল ওর শরীরটাকে। তিনটি ছেলেমেয়ের জন্ম দিলেও হিরণের শরীরের বাঁধন এখনও একটুও আলগা হয়নি। ও বোঝে যে, ওর শরীরটাই ওর সবচেয়ে বড়ো বিপদ
পোস্ট অফিসে চিঠি পোস্ট করতে গিয়ে হিরণ মুখোমুখি হল সুশীল জানার। কাঁথি শহরে মাছের সবচেয়ে বড়ো আড়তের মালিক সুশীল জানা। সুশীল জানার সঙ্গে হিরণের আলাপ হয় স্যারের মাধ্যমে৷ স্যারের বাড়িতে নিয়মিত মাছ দেয় সুশীল জানা। সেই সূত্রেই একদিন হাসপাতালে এসেছিল লোকটা। ড্যাবড্যাব করে দেখছিল হিরণকে। পুরুষমানুষের চোখের দৃষ্টির ভাষা মেয়েরা বোঝে। সুশীল জানার দৃষ্টি একেবারেই ভালো লাগেনি হিরণের। চোখ দিয়ে লোকটা যেন গিলে খাচ্ছিল ওর শরীরটাকে। তিনটি ছেলেমেয়ের জন্ম দিলেও হিরণের শরীরের বাঁধন এখনও একটুও আলগা হয়নি। ও বোঝে যে, ওর শরীরটাই ওর সবচেয়ে বড়ো বিপদ। একলা মেয়ে মানুষের জন্য লোভী পুরুষ মানুষই আসলে বাঘ-ভাল্লুক। মানুষটা নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়ে ওকে এই বাঘ-ভাল্লুকের সামনে ফেলে দিয়ে গেছে।
সুশীল জানা বলল, আরে সিস্টার যে ! ভালো কাতলা পাচ্ছি এখন। দিয়ে আসব কাল একখানা ?
হাসপাতালে হিরণকে প্রথম দেখার ক-দিন পরেই একদিন সকালবেলা দুম করে এসে হাজির হয়েছিল সুশীল জানা। হাতে ঝোলানো ছিল জোড়া ইলিশ। বলেছিল, সিস্টার আপনাদের পদ্মার ইলিশ। আজই প্রথম পেলাম। তাই ভাবলাম নিয়ে আসি আপনার জন্য। সুশীল জানাকে দেখে একেবারে হকচকিয়ে গিয়েছিল হিরণ। বলেছিল, মাসের শ্যাষ। অহন তো টাকা নাই ইলিশমাছ খাওনের দাদা।
হিরণ চেষ্টা করে কথা বলার সময় ওদের গোয়ালন্দের ভাষা যতখানি পারা যায় কম ব্যবহার করতে। যেমন ও আর ট্যাহা বলে না। বলে টাকা। কিন্তু মায়ের ভাষাটাকে ও তো আর পুরো ফেলেও দিতে পারে না। সে ভাষার টান রয়েই যায় ওর কথায়। সেই টান শুনেই কি না কে জানে, ওর কথায় খ্যাকখ্যাক করে হেসে উঠেছিল সুশীল জানা। বিশ্রি একটা হাসি। হাসতে হাসতেই বলেছিল, টাকা নেব বলে কি আর নিজে হাতে করে বয়ে ইলিশ মাছ এনেছি আপনার জন্য সিস্টার ?
হিরণ কিছুতেই নিতে চায়নি কিন্তু তবুও জোর করে জোড়া ইলিশ সেদিন ওর ঘরে রেখে গিয়েছিল সুশীল জানা।
আজ তাই লোকটাকে দেখেই প্রথমেই হিরণ সতর্ক হয়ে উঠল। লোকটার কোনো প্রস্তাবেই ও রাজি হবে না। ফাঁদে পা দেবে না একেবারেই। ও চুপ করে আছে দেখে সুশীল জানা আবার বলল, যাই তাহলে কাল সকালে ?
একটু কঠিন গলাতেই হিরণ বলল, নাহ। মাছ লাগব না।
হিরণের এই কঠিন কণ্ঠস্বরের জন্য বোধহয় সুশীল জানা ঠিক প্রস্তুত ছিল না। কেমন ঘাবড়ে গিয়ে থতমত খেয়ে তোতলাতে তোতলাতে বলল, আচ্ছা, আচ্ছা।
খামের ওপরে ডাকটিকিট লাগিয়ে লাল ডাকবাক্সটায় যখন চিঠিটা ফেলে দিল হিরণ, তখন ও স্পষ্ট দেখতে পেল, চিঠিটা পেয়ে কেমন জ্যোৎস্নার মতো ধবধবে শান্তি ছড়িয়ে পড়ল বাবার চোখেমুখে।
১০
ভট্চাজ কাকিমা এসেছেন পায়েস বানিয়ে। আজ গীতার জন্মদিন। গীতা নিশ্চয়ই কাকিমাকে সেকথা জানিয়েছিল গতকাল। কাকিমা তাই সকাল সকাল পায়েস নিয়ে হাজির। পায়েসের বাটির ঢাকনা খুলে হিরণ তো অবাক। এ কেমন পায়েস ? ও ছোটোবেলা থেকে যে-পায়েস খেয়েছে, মা যে পায়েস বানাত, তাতে দুধের পরিমাণ বেশি, জল কম। কিন্তু ভট্চাজ কাকিমার পায়েস দেখে মনে হচ্ছে এ তো দুধভাত। ভাতের মধ্যে কেউ বুঝি অল্প একটু দুধ দিয়ে মেখে রেখেছে মণ্ডের মতো। এর আগেও ভট্চাজ কাকিমা মাঝে মাঝে এটা-ওটা দিয়েছেন। ভালোবেসেই দিয়েছেন। কিন্তু হিরণ আর গীতার সেসব রান্না পছন্দ হয়নি। বড্ড বেশি চিনি দেন কাকিমা। ঝাল প্রায় নেই বললেই চলে। এই যে সবাই বলে হিন্দু আর মুসলমানের মধ্যে লাঠালাঠি চলছে। এদের মধ্যে মিল-মিশ হওয়ার সম্ভাবনা আর নেই। হিরণের মনে হয় এই কথাটা তো পুরো ঠিক নয়। গোয়ালন্দে ওর কয়েকজন মুসলিম বন্ধু ছিল। আয়েশা, মেহের, মণি। এরা সবাই বাঙালি মুসলিম। এদের বাড়িতে গিয়ে ও তো খেয়েছে। সে তো একেবারেই হিন্দু বাড়ির রান্নার মতোই। এখানেই তো বরং দেখছে হিন্দু বাড়ির রান্না আলাদা স্বাদের। রান্নার দিক থেকে তো বরং বাঙালি হিন্দু আর বাঙালি মুসলমানের মিল-মিশ আছে, পদ্মার ওই পাড় আর এই পাড়ের হিন্দু বাঙালিদের মধ্যেই বরং মিল কম।
পায়েস দেখে ওর চোখে মুখে হয়তো বিস্ময়ের কোনো চিহ্ন প্রকাশ পেয়ে গিয়েছিল। ভট্চাজ কাকিমা জিজ্ঞেস করলেন, অমন করে কী দেখছ? আমাদের পায়েস বাবা তোমাদের মতো নয়।
হিরণ হেসে বলে, আমাগো পায়েস এট্টু ট্যালট্যালে হয় কাকিমা। কিন্তু আপনেরটাও দেখতে তো ভালোই লাগতাসে। আর এর মধ্যে আপনি ভালোবাসা মিশাইয়া দেছেন না, এর সোয়াদ তো আলাদাই হইব।
মায়ের কাছে আবদার করে কিছু না পেলে, ওরা জানত বাবা আছে। বাবা মানে এক ভরসা, মাথার ওপর ছাদ। হিরণ নিজেও দেখেছে জীবনে যতবার ও বড়ো বিপদে পড়েছে, ততবারই ওর মনে হয়েছে বাবা আছে। বাবা ঠিক একটা পথ বাতলে দেবে।
হিরণের কথায় কাকিমার মুখে স্মিত একটি হাসি খেলে যায়। জীবন থেকে হিরণ এইটুকু শিখেছে যে, মানুষের পরিশ্রমের মূল্য দিতে হয় আর ভালোবেসে কেউ কোনো জিনিস দিলে তার আদর করতে জানতে হয়। মা এই কথাটা বারবার বলত যে, ভালোবাসা মিশে গেলে এক আনার দুধ দশ আনার হয়ে যায়।
কাকিমা গীতার গাল টিপে দিয়ে বললেন, কী মিষ্টি আমাদের মেয়ে! কেমন বাপ এর হিরণ? জন্মদিনের দিনও একবার দেখা করতে আসে না ?
গীতা কোনো উত্তর দেয় না। ওর মুখ মলিন হয়ে আসে। জন্মদিনের আনন্দে সকাল থেকে মেয়েটা বেশ হাসিখুশি ছিল। কিন্তু এখন ওর মুখ দেখে মনে হচ্ছে কেউ যেন এক পোঁচ আলকাতরা লেপে দিয়েছে।
ভট্চাজ কাকিমা চলে গেলে গীতা হিরণকে বলে, বাবা কি আর ফিইর্যা আইব না মা ?
এ কথার কী উত্তর দেয় হিরণ ! স্বামী নিরুদ্দেশ হয়ে গেলে স্ত্রীর জীবনই যে খুব কষ্টের হয়ে যায় তা তো নয়, বাবা ছাড়া ছেলেমেয়েদের বেঁচে থাকাও দুঃসহ এক ব্যাপার। নিজের ক্ষমতা দিয়ে হিরণ চেষ্টা করে গীতা, সত্য, গোবিন্দর বাবা-মা দুইই হয়ে উঠতে। কিন্তু এ যে প্রায় অসম্ভব এক কাজ ও বুঝে গেছে ইতিমধ্যেই। মানুষটা যে ছেলেমেয়েদের অনেক সময় দিত তা তো নয়। সে তো থাকত নিজের ঘোরে। কিন্তু ছিল ছেলেমেয়েগুলোর মাথার ওপর। চাইলে গীতা, সত্যকে এক-দু পয়সা দিতও। মায়ের কাছে আবদার করে কিছু না পেলে, ওরা জানত বাবা আছে। বাবা মানে এক ভরসা, মাথার ওপর ছাদ। হিরণ নিজেও দেখেছে জীবনে যতবার ও বড়ো বিপদে পড়েছে, ততবারই ওর মনে হয়েছে বাবা আছে। বাবা ঠিক একটা পথ বাতলে দেবে। মানুষটা নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় ছেলেমেয়েগুলোর মাথার ওপর থেকে ছাদটা সরে গেছে। তার ওপরে যোগ হয়েছে এই ধরনের অস্বস্তিকর সব প্রশ্ন। একেকবার ও ভাবে সিঁদুর পরা বন্ধ করবে কি না, শাঁখা-পলা খুলে দেবে কি না, বলে দেবে কি না মানুষটা মারা গেছে। ভাবনাটা মাথায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই অপরাধবোধে ভরে ওঠে ওর মন। নিজের মনেই ও বলে, ঠাউর, মানুষটারে সুস্থ রাইখ্যো।
হাসপাতালের আড্ডায় এখন প্রতিদিনেরই বিষয় ভোট। প্রাদেশিক নির্বাচন হয়ে গেছে ক-দিন আগেই। টালমাটাল পায়ে হাঁটতে হাঁটতে ভারতবর্ষ এগিয়ে চলেছে স্বাধীনতার দিকে। ভারতীয় প্রদেশগুলির আইন পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন করার জন্যই নেওয়া হয়েছে এই ভোট। এই ভোটেও সারাদেশে কংগ্রেস বেশ ভালো করলেও বাংলাতে মুসলিম লিগের জয়জয়কার। বাংলায় মুসলিমদের জন্য সংরক্ষিত ১১৯টি আসনের মুসলিম লিগ জিতে নিয়েছে ১১৩টি আসন। সারাদেশে মুসলিমদের জন্য সংরক্ষিত ৪৯৫টি আসনের মধ্যে ৪২৩টি। বোঝাই যাচ্ছে যে, মুসলিমরা ঢেলে ভোট দিচ্ছে মুসলিম লিগকে।
স্যার বললেন, বামাপদ, যতই বলো দেশভাগ চাই না, দেশভাগ আর আটকানো যাবে বলে মনে হচ্ছে না। মুসলিমরা কংগ্রেসকে আর বিশ্বাস করছে না।
বামাপদ বলল, গান্ধীজি দেশভাগ চান না।
স্যার বললেন, কংগ্রেসের মধ্যে গান্ধীজি এখন মাইনরিটি। উনি কী চাইছেন না চাইছেন তা আর রাজনৈতিকভাবে খুব একটা ম্যাটার করবে না।
ভট্চাজ কাকু বললেন, দেশভাগ হওয়াই দরকার। মুসলিমরা আমাদের সঙ্গে থাকতে চাইছে না। আমরাও ওদের সঙ্গে থাকতে চাইছি না। শ্যামাপ্রসাদ ভোটে জিতেছেন। তারকেশ্বরের একটা মিটিংয়ে উনিও তো বলেছেন হিন্দুদের জন্য আলাদা দেশ চাই। জিন্নাও দেশভাগ চাইছেন, শ্যামাপ্রসাদও দেশভাগ চাইছেন। দেশভাগ হয়ে যাওয়াই ভালো। ভাইয়ে ভাইয়ে না পোষালে ঘরে আমরা দেওয়াল তুলি না ?
স্যার বললেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ভূমিকাটা খুব সহজ-সরল নয়। এখন তিনি দেশভাগের পক্ষে সওয়াল করছেন বটে। কিন্তু কিছুদিন আগে যখন রাজাগোপালচারী বলছিলেন যে, মুসলিমরা যেখানে সংখ্যাগুরু সেই অংশগুলি নিয়ে পাকিস্তান গঠনের দাবি কংগ্রেসের মেনে নেওয়া উচিত, তখন কিন্তু তিনি এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন।
এইসব কথা শুনে ভয়ে বুক ঢিপঢিপ করতে থাকে হিরণের। ভাবে, ওর কী করা উচিত ? ভাবে, দাদাকে কি বলবে অন্তত বাবা আর মাকে এখানে নিয়ে চলে আসার জন্য ?
তর্কাতর্কির মাঝেই পিয়ন এল। টেলিগ্রাম এসেছে হিরণের। দাদা করেছে। সত্য ইল, কাম সুন।
♦•♦–♦•♦♦•♦–♦•♦
ক্রমশ..
আগের পর্ব পড়ুন: হিরণবালা । পর্ব ৬
❤ Support Us








