Advertisement
  • ধা | রা | বা | হি | ক রোব-e-বর্ণ
  • মার্চ ৩০, ২০২৫

ঝাঁ ঝাঁ রৌদ্রে অথবা ফিঙ-ফোটা-জ্যোৎস্নায়। পর্ব ১১

নলিনী বেরা
ঝাঁ ঝাঁ রৌদ্রে অথবা ফিঙ-ফোটা-জ্যোৎস্নায়। পর্ব ১১

 
৩২ 

তার নাম কি, আমি জানি না, এ পর্যন্ত শুনিনি কাউকে তার নাম ধরে ডাকতে, জিজ্ঞাসাও করিনি তার নাম কি,  তবে দেখেশুনে, হাবেভাবে যেন বোধ হচ্ছিল, এই লোকটাই এই ‘খজান’-এর, এই জাহাজবাড়ির ‘জাহাজ সরকার’ তথা কোষাগারের তহবিলরক্ষক, ‘খাজাঞ্চি’।
 
এই খাজাঞ্চি হেন লোকটাই অতঃপর আমাকে নিয়ে এল মাটির অভ্যন্তরে ‘পাতালঘর’-এ ৺বাশুলীদেবীর পুরোহিত বুদ্ধেশ্বর লায়ার ‘শ্রেণীকক্ষ’-এ ওরফে গবেষণাগারে ।
 
ক্লাস চলছে, ঢুকব কী ঢুকব না দোনোমনো করছি, গোড়া থেকেই কেন জানি না, এই লোকদুটোকে, পুজারী বুদ্ধেশ্বর লায়া আর বাড়চুনফলির লম্বোদর দলাইকে আমি অপছন্দ করে আসছি, যাব না তবু খাজাঞ্চি হেন লোকটা, অধুনা ‘হাজরীবাবু’-ই আমাকে ঠেলে ‘শ্রেণীকক্ষ’-এ ঢুকিয়ে দিল ।
 
অবশ্য নিজেও এল পিছন পিছন । ঘরভরতি লোকজন বেঞ্চিতে বসা, মন দিয়ে পাঠ শুনছে, তারমধ্যে বাড়চুনফলির লম্বোদর দলাইটাও আছে । আমাদের ঢুকতে দেখে লোকগুলো খুট্ করে মাথার খুলি খুলে ফেলল, বড়জোর দু-চার মিনিট, পরক্ষণেই হেলমেট আঁটার মতো যে যার খুলি এঁটে নিল ।
 

সিন্দবাদের জাহাজ বাগদাদ থেকে বসরাহ হয়ে সমুদ্রে পাড়ি দিল, কিছুদূর গিয়ে নোঙর করল একটা দ্বীপে, দ্বীপে উনুন জ্বেলে রান্নাবান্নার ব্যবস্থা হচ্ছিল, কেউ বাটনা বাটছিল, কেউ কুটনো কুটছিল, হঠাৎ ভূমিকম্পের মতোই দ্বীপটা কেঁপে উঠল

 
তবে কী এভাবেই তারা আমাদের অভ্যর্থনা জানাল ? কই, বুদ্ধেশ্বর লায়া তো তার মাথামুণ্ডু কিছুই খুলল না ! যেমন পড়াচ্ছিল তেমনি পড়াতে লাগল, কোনও দিকে ভ্রূক্ষেপও করল না ।
 
যা শুনে মনে হচ্ছিল বুদ্ধেশ্বর পড়াচ্ছে ‘আলিফ লায়লা’ তথা ‘আরব্য রজনী’-র ‘সহস্র এক রজনী’-র কয়েকটা রজনী, ওই যেখানে উজির কন্যা শাহারাজাদ বাদশা শারিয়ারকে শোনাচ্ছে নাবিক সিন্দবাদের সমুদ্রযাত্রার কাহিনী ।
 
প্রথমবার সিন্দবাদের জাহাজ বাগদাদ থেকে বসরাহ হয়ে সমুদ্রে পাড়ি দিল, কিছুদূর গিয়ে নোঙর করল একটা দ্বীপে, দ্বীপে উনুন জ্বেলে রান্নাবান্নার ব্যবস্থা হচ্ছিল, কেউ বাটনা বাটছিল, কেউ কুটনো কুটছিল, হঠাৎ ভূমিকম্পের মতোই দ্বীপটা কেঁপে উঠল ।
 
জানা গেল, দ্বীপটা দ্বীপ নয়, এক বিশাল তিমিমাছ, যে কীনা বহু বহু যুগ ধরে ওইভাবেই পড়ে আছে, যার পিঠে পলি পড়ে পড়ে মাটি জমে জমে মস্ত প্রান্তর হয়ে গিয়েছিল, তার উপর গাছপালা গজিয়েছিল, অনেক লতাগুল্ম ।
 
এখন তার পিঠে রান্নার আয়োজন করায়, আগুনের তাপ লাগায় সে নড়েচড়ে উঠেছে, হয়তো এক্ষুনি সমুদ্রের তলায় তলিয়েও যাবে, তাই জাহাজের ক্যাপ্টেন সবাইকে চেঁচিয়ে সতর্ক করছে, জাহাজে এক্ষুনি ফিরে আসতে ।
 
কিন্তু সে-ডাক হতভাগ্য নাবিক সিন্দবাদ শুনতে পায়নি, যখন ফিরে এল  তখন জাহাজের পালে হাওয়া লেগেছে, জাহাজ অনেকটা দূরেও চলে গিয়েছে ।
 
অতঃপর শুরু হয়ে গেল সিন্দবাদের কাঠের গুঁড়ি আঁকড়ে ধরে সমুদ্রে  ভেসে থাকার, বেঁচে থাকার মরণপণ লড়াই ।
 
শাহারাজাদ নাবিক সিন্দবাদের সাতবার সমুদ্রযাত্রার কিসসা বলেছে, নাবিক সিন্দবাদ সেকথা শুনিয়েছে কুলি সিন্দবাদকে, এখন বুদ্ধেশ্বর লায়া বলছে লম্বোদর দলাইসহ তার অন্যান্য ছাত্রদের ।
 
আমিও তো পড়েছি ‘আরব্য রজনী’, আমি জানি এরপর একে একে আসবে মাদী ঘোড়া, সুলতান মিরজান, রকপাখির ডিম, আকাশ মেঘের মতো কালো করে উড়ে আসবে  রকপাখি,  মাথার পাগড়ি খুলে রকপাখির পায়ে জড়িয়ে আকাশপথে উড়ে যাবে নাবিক সিন্দবাদ, উড়তে উড়তে রকপাখি নামবি তো নাম, নামল গিয়ে মস্ত এক হীরের পাহাড়ে–আমরাও গিয়ে বসলাম পিছনের বেঞ্চিতে । ফিস্ ফিস্ করে ছাত্রদের দেখিয়ে খাজাঞ্চিবাবুকে জিজ্ঞাসা করলাম –
 
– এরা কারা ?
 
– হবু দাঁড়িমাঝিরা । আর জহায মেরামতির ‘তক্ষণ’-রা ।
 
– ‘তক্ষণ’?
 
– বুঝছ নি ? জহায মেরামতির কারিগর, তুমি যেমন । তাছাড়া আরও এক- শ্রেনীর ‘নোক’ আছে ।
 
– কারা তারা ?
 
– ষণ্ডাগণ্ডামার্কা কিছো নোক দেখট নি ? তারমেনে কাঁড়-কাঁড়বাঁশ, বল্লম, লাঠিসোঁটা নি করি জলদস্যু, জহাযে হঠাৎ পড়া ডাকাইত তাড়ান ।
 
কালো কালো কতক ভুষুণ্ডে, স্বাস্থ্যবান লোক দেখছি বটে, ঝাঁকড়াচুলো আর গুঁফো ।
 
আমার ভয় তাদেরকে নয়, ভয় বুদ্ধেশ্বর লায়াকে । জাহাজ মেরামতির কারিগর হিসেবে তার কাছে আমাকে ফের ট্রেনিং নিতে হবে না তো ?
 
তদুপরি বুঝে উঠতে পারছি না, জাহাজ মেরামতির সঙ্গে ‘আলিফ লায়লা’ বা ‘আরব্য রজনী’-র কী সম্পর্ক ? হ্যাঁ, সওদাগর সিন্দবাদের সমুদ্রযাত্রা-টাত্রা আছে বটে, তবু –
 
পরক্ষণেই মনে হল, এমন আবোলতাবোল, পারম্পর্যহীন কীর্তিকলাপ বুদ্ধেশ্বরের আছে বটে, যেমনটা দেখেছি ৺বাশুলীদেবীর পূজাআরাধনায় ।
 
হয়তো  মন্ত্র পড়ছে বিশাললোচনী বিশালাক্ষীর, তন্মধ্যে কোন ফাঁকে ঢুকে পড়েছে নারায়নী –
 
“ সিংহস্কন্ধাধিরূঢ়ং নানালঙ্কার ভূষিতাং ।

চতুর্ভুজাং মহাদেবীং নাগযজ্ঞোপবীতিনীং ।।…”
 
কে আর দেখছে, কে আর জানছে! গোলেমালে সবই চলে যায়।খাজাঞ্চি হেন লোকটাকে আকারে-ঈঙ্গিতে বুঝালাম, এবার উঠতে হবে, ওদিকে ঢের ঢের  কাজ পড়ে আছে । লোকটা বলল –
 
– ‘নেখাপড়ার ঘর’ দেখবা নি ?
 
– সে আবার কোথায় ? বলতেই সে আমাকে হাতে ধরে টেনে নিয়ে গেল পাশের ঘরে, ‘বইঘর’-এ ।
 
ঢুকেই দেখলাম ‘বইঘর’-এর দেয়ালে একটা ফটো ঝুলছে, মোরগবাহনা এক দেবীর ছবি, যার হাতে ত্রিশূল, তলোয়ার আর একটি বই ।
 
কার ছবি ? বুদ্ধেশ্বর লায়ার আরাধ্য ও পূজ্য দেবী তো বাশুলী, যার বর্ণ হলুদ, এলোকেশী, আয়ত ত্রিনয়না, দীর্ঘ নাসা, দ্বিভুজা, যার একহাতে অস্ত্র আরেক হাতে বরাভয়।
 
তবে কী এ দেবী সওদাগরদ্বয়ের, ‘তপোসা’ আর ‘পালেকাথ’-এর ? নাকি যেহেতু ‘বইঘর’, এ ফোটো সরস্বতীর ? কিন্তু দেবী সরস্বতী তো হংসবাহনা ?
 
আর এ যে পরিষ্কার মোরগ তথা কুক্কুট! মাথায় রক্ত বর্ণ ঝুঁটি, উচ্চ পুচ্ছ, নখযুক্ত পায়ের আঙুল ।
 
আমাদের গ্রামের পুরাণপণ্ডিত নিত্যানন্দ বেহেরার মুখ থেকে শুনেছিলাম, গরুড় যখন অমৃত নিয়ে মর্ত্যধামে আসছিল, তখন ইন্দ্র তার প্রতি বজ্র নিক্ষেপ করে ।
 
‘দধিচির আত্মত্যাগ’-কে  সম্মান দেখাতে গরুড় সেই মুহূর্তে তার একটা পালক ত্যাগ করে, সেই পালক থেকে যাবতীয় খেচর, শকুন কুক্কুট ময়ূর হাঁস, ইত্যাদির জন্ম হয় ।
 
তাই দেবসেনাপতি কার্তিকেয়, “কুক্কুটোহপি কার্তিকেয়স্য বাহনম্”, আর অস্ত্র ও বিদ্যার দেবী সরস্বতীর মোরগ বাহনে আপত্তি কোথায়! এ ফটো নিশ্চিত দেবী  সরস্বতীরই ।
 
দেখেই দেবীকে, গ্রামে সরস্বতী পূজায় যা যা মন্ত্র উচ্চারণ করে পুষ্পাঞ্জলি দিয়েছি, তাই তাই বলে এখানেও জোড়হাতে দণ্ডবৎ করলাম –
 
“ ওঁ জয় জয় দেবী চরাচরসারে,

কুচযুগ শোভিত মুক্তাহারে ।

বীণারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী

ভারতী দেবী নমোহস্তুতে ।।”
 
তারপরই চোখ গেল বইয়ের আলমারিতে, আহা রে ! কীসব বই, আর কত বই !! এ সবই কী বুদ্ধেশ্বর লায়ার সংগৃহীত, নিজস্ব, না সওদাগরদ্বয়ের বন্দরে বন্দরে সওদা করা ‘জহাযী কিতাব’ ?
 
তাই বা কী করে হবে ? সওদাগর ‘তপোসা’ আর ‘পালেকাথ’– এর সে ‘জহায’ তো কবেই সুবর্ণরেখা নদীজলে দ্রবীভূত, ‘মহিষাসুর দঁক’-এ মাটিপোত, বালিপোত হয়েছে, যার সম্প্রতি খননকার্যও শুরু হয়েছে।
 
যে যাই বলুক, এক্ষণে ‘আদার বেপারী জাহাজের কারবারী’ বুদ্ধেশ্বর লায়ার প্রতি আমার শ্রদ্ধা শতগুণ বেড়ে যাচ্ছে ।
 
কখন সূর্য ডুবে গিয়ে অন্ধকার নেমে এসেছে, কুলুঙ্গিতে রাখা দীপাধারের আলোয় আলমারিতে পুস্তকাদি রাখার কোষ্ঠে কোষ্ঠে হাত বুলিয়ে যাচ্ছি –
 
আচারাঙ্গ সূত্র

যুক্তিকল্পতরু

শিল্প-সংহিতা

আর্য-মঞ্জুশ্রীমূলকল্প

জাতক

দশকুমারচরিত

অর্থশাস্ত্র

ন্যায়কুসুমাঞ্জলি

মিলিন্দপঞ্চহ

প্রাকৃতপৈঙ্গল

সদুক্তিকর্ণামৃত

অভিধান চিন্তামণি

‘বুদ্ধঘট’

সমগ্র ব্যাকরণ কৌমুদী

সাইমন ডিগবি ‘মেরিটাইম ট্রেড’

হেনরি উইল ‘দ্য বুক অভ সের মার্কো পোলো’

পাণিনি সূত্র

গাথা সপ্তসতী

কবিচন্দ্র মুকুন্দ মিশ্র প্রণীত ‘ বাশুলীমঙ্গল বা বিশাললোচনীর গীত ’

ব্যবস্থা সর্ব্বস্ব,

‘ A Maritime History of India’ K. Sridharan

‘SHIP CONSTRUCTION’  D. J EYRES   D. J BRUCE

‘Marine Auxiliary Machinery’ H. D. McGeorge

মৃচ্ছকটিক

চৌরপঞ্চাশিকা

মহাভারত

রামায়ণ

কথাসরিৎসাগর

শ্রীমদ্ভাগবত

ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ

মুদ্রারাক্ষস

রাজতরঙ্গিনী

বেদসমগ্র

‘Geographic Huphegesis’  Claudius Ptolemy…

আর ‘আলিফ-লায়লা বা ‘সহস্র এক আরব্য রজনী’ তো বুদ্ধেশ্বর লায়া শ্রেণী-কক্ষে এখন পড়াচ্ছে ।
 
পুস্তকাদির উপর হাত বুলোতে বুলোতে দুয়েকটা পুস্তক ঘেঁটে দেখতে ইচ্ছা হল। প্রথমেই ‘আচারাঙ্গ সূত্র’, জানি ,শুনেছি, পড়েওছি ইতিহাসে, জৈন ধর্মগুরু ভগবান মহাবীরের মুখনিঃসৃত বাণীর সংকলন এই মহাগ্রন্থ ।
 
রাঢ় বা লাঢ়া অঞ্চলে, আমাদের এদিকটায় তীর্থঙ্করেরা ধর্মপ্রচারে এলে তাদের পিছনে “ছু ছু” বলে এখানকার তৎকালীন অধিবাসীরা নাকি কুকুর লেলিয়ে দিত !
 
খুঁজে দেখছি সেসব এখানে আছে কীনা, এই তো ‘তৃতীয় উদ্দেশক’-য়েই আছে-
 
“ অপ্পে জণে ণিবারেই, লূসণএ সুণএ দসমাণে ।

ছুছুকারংতি আহংসু, সমণং কুক্কুরা ডসংতুত্তি ।।”
 
[ ( সেই সময় ) কিছু মানুষ ( তাঁকে কুকুরের

কামড়ানো এবং আক্রমণ থেকে ) নিবারণ করত ।

কিন্তু অনেক মানুষ ভগবানকে যাতে কুকুরে দংশন

করে ( এবং আক্রমণ করে ) তার জন্য ‘ছু-ছু’ ক’রে

কূকুরদের ডাকত । ]
 
কিন্তু ‘আচারাঙ্গ সূত্র’ জাহাজ মেরামতিতে কী কাজে লাগাবে বুদ্ধেশ্বর ? অতঃপর ‘SHIP CONSTRUCTION’ D. J EYRES  G. J BRUCE প্রণীত বইটি ঘেঁটে দেখছি ।
 
এই তো এই, ৩৬৬ পৃষ্ঠায় সেই ‘ফর্মূলা’, যা একদিন বাড়চুনফলির লম্বোদর দলাইকে ‘আগামীকাল’ পাঠকক্ষের ‘পাঠ’ বলে জানিয়েছিল বুদ্ধেশ্বর :
 
Displacement in SW
…………………………………………….mm
4× TPC
 
কিন্তু উপরের অংশটি রয়েছে নিচে, Condition of assignment of freeboard-এর জায়গায়, তারমানে উধোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়েছে বুদ্ধেশ্বর এখানেও, বাশুলীর মন্ত্রের সঙ্গে নারায়ণীর মন্ত্র পড়ার মতো, জোড়া- তাপ্পি !
 
ভুল, ভুল, ভুল ফর্মূলা ।
 
যাহোক, আরেকটি কোষ্ঠ থেকে আরেকটি পুস্তক, ‘যুক্তিকল্পতরু’, হাতে নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করছি, এ বইটির রচনাকার মালবের রাজা বীরেশ্বর ভোজ ।
 
এই ভোজরাজাই নাকি আমাদের বেলিয়াবেড়া রাসটাঁড়ে দেখা ‘ভোজ- রাজা ও ভানুমতীর খেলা’-র স্রষ্টা, তিনি ছিলেন ঐন্দ্রজালিক বিদ্যায় যার পর নেই পারদর্শী ।
 
আচমকা পিছন ফিরে দেখি – কোথায় খাজাঞ্চি হেন লোকটা? তার জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে মূর্তিমান বুদ্ধেশ্বর লায়া ! আমার হাত থেকে ‘যুক্তি-  কল্পতরু’ পুস্তকটি ছিনিয়ে নিয়ে যথাস্থানে দেরাজের কোষ্ঠে রেখে দিয়ে বলপূর্বক দেরাজের পাল্লা টেনে দিল ।
 
অতঃপর, এতক্ষণে ‘আদার বেপারী জাহাজের কারবারী’ বুদ্ধেশ্বর লায়াও তার মাথার খুলিটা খট্ করে খুলে ফেলে ফের বকলসের মতো মাথায় এঁটে নিল ।
 

♦–•–♦♦–•–♦♦–•–♦

ক্রমশ..
 
আগের পর্ব পড়ুন: পর্ব ১০

ঝাঁ ঝাঁ রৌদ্রে অথবা ফিঙ-ফোটা-জ্যোৎস্নায়। পর্ব ১০

 


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!